You dont have javascript enabled! Please enable it!

ভুরুঙ্গামারী সিও অফিস বধ্যভূমি

ভুরুঙ্গামারী সিও অফিস বধ্যভূমি শত শত নারী পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত ও ধর্ষিত হয়েছেন। ভুরুঙ্গামারী সিও অফিসের (বর্তমান থানা পরিষদ কার্যালয়) দোতলা থেকে ধর্ষিত ও বন্দি ২০/৩০ জন নারীকে উদ্ধার করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

রিভারভিউ হাইস্কুল বধ্যভূমি

রিভারভিউ হাইস্কুল বধ্যভূমি পাক হানাদার বাহিনী কুড়িগ্রাম রিভারভিউ হাইস্কুলসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্প স্থাপন করে। তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে লোকজন ধরে এনে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে। (সূত্রঃ যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডাঃ এম এ হাসান, পৃ.-৪১১;...

জজ কোর্ট পুকুর বধ্যভূমি

জজ কোর্ট পুকুর বধ্যভূমি কুরিগ্রাম জজকোর্টের সামনের পুকুর পাড়ে পাক বাহিনীর বধ্যভূমি ছিল। (সূত্রঃ যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডাঃ এম এ হাসান, পৃ.-৪১০-৪১১; একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮১; মুক্তিযুদ্ধ কোষ, দ্বিতীয় খন্ড – মুনতাসীর মামুন...

হাতিয়ার দাগারকুটি বধ্যভূমি

হাতিয়ার দাগারকুটি বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ১৩ নভেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের দাগারকুটি এলাকায় তাণ্ডব চালিয়ে ৬৯৭ জন মানুষকে হত্যা করে। সেদিন ছিল ২৩ রমজান। ফজরের নামাজের আগে হঠাত করে চারিদিক থেকে বৃষতির মতো গুলি আর মর্টার সেলের গোলা...

ফুড অফিস বধ্যভূমি

ফুড অফিস বধ্যভূমি ৭ এপ্রিল পাকসেনারা কুড়িগ্রাম শহরে গণহত্যা চালায়। স্থানীয়রা জানায় কুড়িগ্রামের ফুড অফিসে বধ্যভূমি খনন করলে শহীদদের কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডাঃ এম এ হাসান,...

সার্কটি হাউজ বধ্যভূমি

সার্কটি হাউজ বধ্যভূমি ৭ এপ্রিল হত্যাকাণ্ড চালিয়ে গেলেও পুনরায় ১৪ এপ্রিল কুড়িগ্রামে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসে। তারা সার্কটি হাউজকে হত্যা ও নির্যাতন কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করত। মজিবর মহুরি ও লালু মণ্ডলসহ আরও অনেককে ধরে এনে নির্যাতন করা হয়। এছাড়া পলাশবাড়ি থেকে ১৪/১৫জনকে...

কুড়িগ্রামে ৫ কারারক্ষীর প্রথম বধ্যভূমি

কুড়িগ্রামে ৫ কারারক্ষীর প্রথম বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৭ এপ্রিল পাকিস্তানি হান্দার বাহিনী রংপুর সেনানিবাস থেকে রেলপথে কুড়িগ্রাম কারাগার ইনচার্জ ও ৫ কারারক্ষীকে ধরে এনে বিকাল সড়ে ৫টার দিকে বর্তমান সার্কটি হাউজের সামনের রাস্তার পূর্বদিকে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে সারিবদ্ধভাবে...

বেতিয়ারা গণকবর

বেতিয়ারা গণকবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অয়াশে বেতিয়ারা গ্রামে রয়েছে গণকবর। এই কবরে শায়িত আছেন ৯জন মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের ১১ নভেম্বর চৌদ্দগ্রাম থানার জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা গ্রামে পাকসেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে এই মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হন। এঁরা...

হাড়ং গণকবর

হাড়ং গণকবর কুমিল্লার চান্দিনা থানায় হাড়ং গ্রামের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার বাড়ির পাশে তারা এক খন্ড জমি পাক হানাদার ও তাঁদের দোসররা গণকবর হিসেবে ব্যবহার করে। পাকসেনারা যাকে যেখানে হত্যা করতো তাঁকেই এখানে পুঁতে ফেলতো। আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার মাকেও...

নারায়ণপুর গণকবর

নারায়ণপুর গণকবর পয়লাগাছা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে রয়েছে ছয়জন মুক্তিযোদ্ধার কবর। একাত্তরের ১৮ সেপ্টেম্বর তারা সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। গ্রামবাসী তাঁদের একটি কবরে সমাহিত করেন। ১৮ সেপ্টেম্বর বরুড়া থানার পয়ালগাছা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে পাকবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর মধ্যে...