You dont have javascript enabled! Please enable it!

ফুড অফিস বধ্যভূমি

ফুড অফিস বধ্যভূমি ৭ এপ্রিল পাকসেনারা কুড়িগ্রাম শহরে গণহত্যা চালায়। স্থানীয়রা জানায় কুড়িগ্রামের ফুড অফিসে বধ্যভূমি খনন করলে শহীদদের কঙ্কালের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডাঃ এম এ হাসান,...

সার্কটি হাউজ বধ্যভূমি

সার্কটি হাউজ বধ্যভূমি ৭ এপ্রিল হত্যাকাণ্ড চালিয়ে গেলেও পুনরায় ১৪ এপ্রিল কুড়িগ্রামে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসে। তারা সার্কটি হাউজকে হত্যা ও নির্যাতন কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার করত। মজিবর মহুরি ও লালু মণ্ডলসহ আরও অনেককে ধরে এনে নির্যাতন করা হয়। এছাড়া পলাশবাড়ি থেকে ১৪/১৫জনকে...

কুড়িগ্রামে ৫ কারারক্ষীর প্রথম বধ্যভূমি

কুড়িগ্রামে ৫ কারারক্ষীর প্রথম বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৭ এপ্রিল পাকিস্তানি হান্দার বাহিনী রংপুর সেনানিবাস থেকে রেলপথে কুড়িগ্রাম কারাগার ইনচার্জ ও ৫ কারারক্ষীকে ধরে এনে বিকাল সড়ে ৫টার দিকে বর্তমান সার্কটি হাউজের সামনের রাস্তার পূর্বদিকে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে সারিবদ্ধভাবে...

বেতিয়ারা গণকবর

বেতিয়ারা গণকবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অয়াশে বেতিয়ারা গ্রামে রয়েছে গণকবর। এই কবরে শায়িত আছেন ৯জন মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের ১১ নভেম্বর চৌদ্দগ্রাম থানার জগন্নাথদিঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা গ্রামে পাকসেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে এই মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হন। এঁরা...

হাড়ং গণকবর

হাড়ং গণকবর কুমিল্লার চান্দিনা থানায় হাড়ং গ্রামের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার বাড়ির পাশে তারা এক খন্ড জমি পাক হানাদার ও তাঁদের দোসররা গণকবর হিসেবে ব্যবহার করে। পাকসেনারা যাকে যেখানে হত্যা করতো তাঁকেই এখানে পুঁতে ফেলতো। আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার মাকেও...

নারায়ণপুর গণকবর

নারায়ণপুর গণকবর পয়লাগাছা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে রয়েছে ছয়জন মুক্তিযোদ্ধার কবর। একাত্তরের ১৮ সেপ্টেম্বর তারা সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। গ্রামবাসী তাঁদের একটি কবরে সমাহিত করেন। ১৮ সেপ্টেম্বর বরুড়া থানার পয়ালগাছা ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে পাকবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর মধ্যে...

হাড়াতলি গণকবর

হাড়াতলি গণকবর ২১ নভেম্বর কুমিল্লার লাকসাম থানার হাড়াতলিতে ৩৪ জন মুক্তিযোদ্ধা অসীম সাহসিকতায় প্রতিহত করে অত্যাধুনিক অস্ত্র সজ্জিত এক বিশাল পাকিস্তানি কনভয়। খবর আসে পাকবাহিনীর ২’শ সেনার এক কনভয় গৈয়ারভাঙা যাবে। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের প্রতিরোধের সকল প্রস্তুতি নেয়।...

রসুলপুর ও দিশাবন্দের বধ্যভূমি

রসুলপুর ও দিশাবন্দের বধ্যভূমি স্টেশনের নাম রসুলপুর, পূর্ব নাম ছিল ফকির হাত। কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার উত্তরে রেল লাইনের পাশঘেঁষে অবস্থিত একটি শান্ত গ্রাম। সেখানে পাক হানাদার বাহিনীর একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল। নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের স্টেশন সংলগ্ন...

হোমনার বধ্যভূমি

হোমনার বধ্যভূমি হোমনা-শ্রীমতি সড়কে পুরাতন ডাকবাংলা পার হয়ে একটু পশ্চিম এগিয়ে গেলে চোখে পড়ত একটি পুকুর। এটি ছিল গণেশ নাথের। অগণিত বাঙালিকে দলবদ্ধভাবে চোখ-হাত বেঁধে সে জীবিতই হোক আর মৃতই সবাইকে এই পুকুর পাড়েই মাটি চাপা দেওয়া হয়। এ বধ্যভূমি ভরাট করে এখন কলেজ নির্মান করা...

মুদাফফরগঞ্জের নগরীপাড়ার গণকবর

মুদাফফরগঞ্জের নগরীপাড়ার গণকবর ’৭১ এর নভেম্বর লাক্সাম থানার মুদাফফরগঞ্জের নগরীপাড়ার কর্মকার বাড়িতে থাকতেন পেয়ারী মোহন। স্বাধীনতার পর প্রকাশিত আঞ্চলিক পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক আমোদ’ – এ এক প্রত্যক্ষদর্শী উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, পেয়ারী মোহনের চতুর্দশী মেয়ে আরতি বালাকে অপহরণ করার...