You dont have javascript enabled! Please enable it!

জাফরগঞ্জ পুল বধ্যভূমি

জাফরগঞ্জ পুল বধ্যভূমি রংপুরের জাফরগঞ্জের পুল ছিল পাক হানাদার বাহিনীর একটি বধ্যভূমি। এখানে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। এই পুলের ওপর দুই দিনে ১০ জনকে হত্যা করা হয়। সেতুর কাছে বসবাসকারী মেহের উদ্দিন ও তার ছেলে এহসান উদ্দিন ১৯৭২ সালে এই তথ্য জানান। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর...

ঘাঘট নদী তীর বধ্যভূমি

ঘাঘট নদী তীর বধ্যভূমি রংপুর শহরে ছিল পাকবাহিনীর ২৩তম ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার। ২৩ মার্চ পাকসেনা অফিসার অবাঙালি লে. আব্বাসের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রংপুর এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ২৮ মার্চ হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ তীর-ধনুক-বল্লম-লাঠি-দা-কুড়াল ও বাঁশের লাঠি হাতে...

রংপুর সেনানিবাস গণকবর

রংপুর সেনানিবাস গণকবর রংপুর সেনানিবাসের পাশেই রয়েছে একটি গণকবর। এই গণকবরটিতে পাকবাহিনী বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং বাঙালি ইপিআর সদস্যসহ প্রায় ২শ’ ব্যক্তির লাশ পুঁতে রাখে। প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, ‘স্বাধীনতার পর এখান থেকে প্রায় ১০ হাজার শহীদের লাশ উদ্ধার করা হয়’। ১২...

বেনাপোলের গয়ড়ার গণকবর

বেনাপোলের গয়ড়ার গণকবর শার্শা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু মাস্টার জানান, ১৯৭১ এর ২৩ এপ্রিল থেকে ১৫ দিন ধরে বেনাপোলের কাগজপুকুর ও গয়ড়া এলাকায় খানসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সামনাসামনি যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে ১৫০ জন খানসেনা নিহত হয় এবং ১০ জন...

জামতলার গণকবর

জামতলার গণকবর যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে জামতলা বাজারের কাছে ৭১’র একটি গণকবর রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটাকে পাঁচ কবর বা পাকা মাজার বলা হয়। জেলা সদর সড়ক পথে ৩৫ কিলোমিটার দূরে শার্শা উপজেলায় এটির অবস্থান। নভেম্বর কলারোয়ার পাচনলের মতিয়ার, রশিদ ও সামছুরকে ধরে নিয়ে যায় কলারোয়া...

বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয় ও বেত্রাবতী নদীর তীরে গণকবর

বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয় ও বেত্রাবতী নদীর তীরে গণকবর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাচীরের মধ্যে একটি গণকবর আছে। খানসেনারা ৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদেরকে বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয়ের পুব পাশে...

শার্শা থানার বধ্যভূমি ও গণকবর

শার্শা থানার বধ্যভূমি ও গণকবর শার্শা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু মাস্টার জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনদের ধরে এনে খান সেনারা বুরুজবাগান হাসপাতালের উত্তর পশ্চিম কোণায় যেখানে এখনও তারের কাটার বেড়া দিয়ে ঘেরা আছে সেখানে...

নাভারনের গণকবর

নাভারনের গণকবর শার্শার নাভারনে পাকবাহিনি ও আলবদর বাহিনীর একটি শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। নাভারন জামে মসজিদের পশ্চিম পাশে উপজেলা ফুড অফিসের পিছনে ছিল তবি খান অফিস। প্রতিদিন সেখানে বসতো রাজাকার আলবদর বাহিনী আর খানসেনাদের মিলনমেলা। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের...

কাশিপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর

কাশিপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর যশোর শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম কাশিপুর। ’৭১ এর ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের ঝিকরগাছা গোয়ালহাটি গ্রামে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ সহযোদ্ধাদের নিয়ে ছুটিপুর পাক হানাদার ঘাটিতে আঘাত আনেন। তুমুল সম্মুখ...

কপালিয়া খেয়াঘাট বধ্যভূমি

কপালিয়া খেয়াঘাট বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার ‘অপরাধে’ পাকিস্তানি বাহিনীর দোসররা মণিরামপুরের কপালিয়া এলাকার যুবকদের ৩ দিন আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করে। ’৭১ সালের ৫ অক্টোবর উপজেলার কপালিয়া খেয়াঘাটে ১২ জন যুবক ও ১ জন নারীকে হত্যা করে। ৫ অক্টোবর পর কয়েকদিনের...