You dont have javascript enabled! Please enable it!

রেলস্টেশন বধ্যভূমি

রেলস্টেশন বধ্যভূমি খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থলে রেল স্টেশন ও রেল লাইনের বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে করা হয়েছে বাঙালি নিধন। এপ্রিল-মে মাসে জল্লাদ সৈনরা খুলনা রেল স্টেশন এলাকাতে বহু বাঙালিকে হত্যা করেছে। যাদের অনেকেই জেলার বাইরে থেকে আসা ট্রেন যাত্রী। সবকিছু লুটপাট করে এদের হত্যা...

মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা বধ্যভূমি

মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা বধ্যভূমি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনারা বাড়ি থেকে ধরে এনে চিত্ত রঞ্জন চাকমা (কার্বারী), গৌরাঙ্গ দেওয়ান, সব্যসাচি চাকমা এই তিঞ্জঙ্কে গুলি করে হত্যা করে। পরে তাঁদের পাহাড়ি এলাকায় গণকবর দেয়...

জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বধ্যভূমি

জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বধ্যভূমি কুষ্টিয়ার জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি  বধ্যভূমিতে এখনও কালের নীরব সাক্ষী হয়ে রয়েছে একটি তেঁতুল গাছ। ইংরেজি ণ বর্নের মত এর দুটো বিস্তারিত শাখার মাঝখানে মাথা চেপে রেখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হত বাঙালিদের। মিল পাড়ার কোহিনূর...

স্টেশন রোড মালগুদাম বধ্যভূমি

স্টেশন রোড মালগুদাম বধ্যভূমি কুষ্টিয়ার স্টেশন রোডের এক নং মালগুদাম ছিল একটি বধ্যভূমি। এখানে পাকবাহিনী ও তাঁদের দোসর বিহারি রাজাকাররা অনেক বাঙালিকে নির্মনভাবে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১০৯, ৪০১;...

মহাশ্মশান বধ্যভূমি

মহাশ্মশান বধ্যভূমি একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনী কুষ্টিয়ার মহাশ্মশান এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করেছিল। এখানে তারা বহু বাঙালিকে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১০৯, ৪০১; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

কুষ্টিয়া হাউজিং কলোনি বধ্যভূমি

কুষ্টিয়া হাউজিং কলোনি বধ্যভূমি কুষ্টিয়া শহরের আরেকটি বধ্যভূমি হল হাউজিং কলোনি। এটি হাউজিং এস্টেটেরই একটি অংশ। এখানে পাকবাহিনীর কিশোরী, তরুনীসহ সব বয়সের মেয়েদের আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালাতো। তাঁদের এই অত্যাচারের হাত থেকে বিধবা, পঙ্গু মেয়েরাও বাদ পড়েনি। এমনকি চার...

হাউজিং এস্টেট বধ্যভূমি

হাউজিং এস্টেট বধ্যভূমি কুষ্টিয়া শহরতলীর বিহারি অধ্যুষিত হাউজিং এস্টেট হলো একটি বধ্যভূমি। নির্মম গণহত্যার নীরব সাক্ষী এই হাউজিং এলাকা। শহর থেকে বাঙালিদের ধরে এনে এখানে হত্যা করা হতো। হত্যাকুঠি হিসেবে ব্যবহারিত একটু ভগ্নজীর্ন ঘর এখনো হাউজিং – এত দক্ষিন পুর্ব –পাশে...

গড়াই নদীর চর বধ্যভূমি

গড়াই নদীর চর বধ্যভূমি বিহারি রাজাকাররা কুষ্টিয়ার বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে হতভাগ্য বন্দিদের ধরে নিয়ে গড়াই নদীর চলে হত্যা করে লাশ সেখানেই পুঁতে ফেলতো। আবার কখনো কখনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিতো কোন কোন লাশ। এখানেই কুষ্টিয়া পৌরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান আবুল কাছেমকে হত্যা করে হয়।...

রক্সি বাজারের গলি বধ্যভূমি

রক্সি বাজারের গলি বধ্যভূমি কুষ্টিয়ায় রক্সি সিনেমা হল ছিল শান্তি কমিটি ও বিহারি রাজাকারদের প্রধান আস্তানা। এখানেই তারা শহরের হয়া-তালিকা প্রণয়ন এবং কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস,...

পুলিশলাইন বধ্যভূমি

পুলিশলাইন বধ্যভূমি কুষ্টিয়া পুলিশলাইন ছিল পাকসেনাদের ঘাঁটি। বিহারি ও রাজাকারের সহয়তায় সন্দেহভাজন বাঙালিদের এখানে ধরে আনা হতো। চলতো অকথ্য নির্যাতন। উপরে পা ঝুলিয়ে পেটানো হতো, হাত পায়ের আঙুলে আলপিন ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। যাঁদেরকে হত্যা করত তাঁদের হস্তান্তর করা হতো রাজাকার ও...