You dont have javascript enabled! Please enable it!

প্লাটিনাম জুট মিল বধ্যভূমি

প্লাটিনাম জুট মিল বধ্যভূমি খুলনা সদরে পালতিনাম জুট মিলের হত্যাকাণ্ড ছিল যেমন লোমহর্ষক, তেমনি নির্মম ও নিষ্ঠুর। মিলের জ্বলন্ত বয়লারের ভেতরে ফেলে কমপক্ষে ৫৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করে হানাদাররা। বয়লারের সামনে বিশ ফুট উঁচু পাকা প্রাচীরের পাশে বাঙালি শ্রমিকদের এনে বসানো হতো।...

কান্তপুর বধ্যভূমি

কান্তপুর বধ্যভূমি স্বাধীনতার পর খুলনা শহরের উপকণ্ঠে কান্তপুরের চিলমারীতে বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। ১৯৭২ সালে ‘পূর্বদেশ’ প্রতিবেদন বলা হয়, ‘এই বধ্যভূমিতে বহু নরকঙ্কাল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কঙ্কাল গুলোতে জড়ানো রয়েছে শাড়ি কিংবা লুঙ্গি। প্রতিরাতে স্থানীয় লোকজন এখানে অসহায়...

ক্রিসেন্ট জুট মিল বধ্যভূমি

ক্রিসেন্ট জুট মিল বধ্যভূমি খুলনা সদরে ভৈরব নদীর তীরে ক্রিসেন্ট জুট মিল ছিল আরেক বধ্যভূমি। পাক হানাদার বাহিনী এই মিলের হতভাগ্য বাঙালি শ্রমিকদের হত্যা করে তাঁদের লাশ নদীর পানিতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার...

গোয়ালখালি বধ্যভূমি

গোয়ালখালি বধ্যভূমি খুলনার গোয়ালখালিতে একটি বধ্যভূমি ছিল। এই বধ্যভূমিতে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর এখানে বহু নরকঙ্কাল ও হাড়গোড় পাওয়া যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৮; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি খুলনায় জজকোর্টের পিছনে ফরেস্ট ঘাটে বাঙালিদের জবাই করে হত্যা করা হতো এবং লাশগুলোর পেট চিরে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। সেসময় প্রতিরাতে অন্তত ২০ জনকে জবাই করে হত্যা করা হতো বলে ধারণা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও...

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি খুলনার রূপসা নদীর তীরে কাস্টমঘাট ছিল একটি বধ্যভূমি। এই কসাইখানাটি পাকিস্তানিদের সদর দপ্তরের সামনে ছিল। এখানে বাঙালিদের হাত পা বাধা অবস্থায় বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিত হানাদার জল্লাদরা। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র:...

গল্লামারি বধ্যভূমি

গল্লামারি বধ্যভূমি খুলনা সদরের একটি বধ্যভূমি গল্লামারিতে। খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে দেড়মাইল দুপরে গল্লামারির অবস্থান। এখানে তারা অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করে। ১৯৭২ সালে “দৈনিক বাংলা” –এর একটি প্রতিবেদনে উল্লখ করা...

শিকারপাড়া বধ্যভূমি

শিকারপাড়া বধ্যভূমি খুলনার শিকারপাড়া এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। যুদ্ধের নয়মাস পাক হানাদার বাহিনী এখানে বহু মানুষের ওপর অত্যাচার চালিয়ে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৮; দৈনিক বাংলা, ২৯ জানুয়ারি...

ফেরিঘাট বধ্যভূমি

ফেরিঘাট বধ্যভূমি খুলনা ফেরিঘাট এলাকায় ছিল বধ্যভূমি। এই ফেরিঘাট এলাকায় পাকসেনারা লঞ্চ-স্টিমারের যাত্রীদের ধরে এনে লুটপাট করে হত্যা করত তাঁদের। এরপর লাশগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস,...

রেল কলোনি সংলগ্ম ডবা বধ্যভুমি

রেল কলোনি সংলগ্ম ডবা বধ্যভুমি খুলনার রেল কলোনি এলাকাতে পাকসেনাদের সহযোগী একদম অবাঙালির প্রাধান্য ছিল। ঐ সময়ে রেল কলোনি এলাকাতে দিনে বা রাতে যখনই কোন বাঙালি গিয়েছে, সে আর ফেরেছি তাঁদের হত্যা করে পুঁতে রাখা হতো। ঐসব কলোনিতে বসবাসকারী অনেক বাঙালি রেল কর্মচারীও এই হত্যার...