You dont have javascript enabled! Please enable it!

টঙ্গীর আরিচপুরের গণহত্যা

টঙ্গীর আরিচপুরের গণহত্যা টঙ্গী পৌরসভার কমিশনার ইসমাইল হোসেন বাবু ও বিসিকের শহীদ স্মৃতি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম জানান, ১৭ এপ্রিল টিআইসি (বর্তমান টেলিফোন শিল্প সংস্থা টেশিস) থেকে পাকিস্তানি সেনারা আরিচপুরে এসে ঘরে ঘরে ঢুকে প্রায় ৩০ জন গ্রামবাসীকে ধরে ধরে...

টঙ্গি গণহত্যা ও গণকবর

টঙ্গি গণহত্যা ও গণকবর ১৯৭১ এ ২৭ মার্চ পাকিস্তানি হানাদারদের প্রবেশ ঠেকাতে টঙ্গীর তুরাগ নদীর উপর সেতু ভেঙ্গে এলাকাবাসী সমবেত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোলায়মান আতিক জানান,জনতা পাকা সেতু ভাঙ্গতে না পেরে পাশের কাঠের সেতুটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পাকসেনারা...

পাইকগাছা বধ্যভূমি

পাইকগাছা বধ্যভূমি খুলনার পাইকগাছা থানার বিভিন্ন স্থানকে পাকবাহিনী ও তাঁদের দোসর বাহিনী ১৯৭১ সালে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছিল। এর মধ্যে সিলেমান পুর, সলুয়ার মুচিপাড়া ও বারোয়াড়ি বাজারের দর্জ্জি গুরুপদ, তার ছেলে অংশুপতি খোকন, মেয়ে মঞ্জু, ডলি ও পারুলকে একে একে গুলি করে হত্যা...

দুর্জনীমহল বধ্যভূমি

দুর্জনীমহল বধ্যভূমি ১৯৭১ সালে খুলনার দুর্জনীমহল এলাকায় পাক সেনারা ও তাঁদের দোসররা অনেক লোককে গুলি করে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে ৭ মে দুর্জনীমহলে নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। তারা এই গ্রামের অনেক নারী পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে। (তথ্য সূত্র: অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা সিন্দাইনি –...

সেনের বাজার বধ্যভূমি

সেনের বাজার বধ্যভূমি খুলনা শহরের জেলখানা ঘাটের অপর পারে শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে রূপসা উপজেলার সেনের বাজার। ১৯৭১ সাল্লের ১ মে পাক বাহিনী ও তাঁদের দোসররা সেনের বাজারে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। তারা সেনীর বাজারে আশেপাশের অনেক মানুষকে গুলি করে হত্যা করে। যজ্ঞেশ্বরসহ আরও...

আজগড়া বধ্যভূমি

আজগড়া বধ্যভূমি আজগড়া খুলনা শহর থেকে উত্তরে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ১৯৭১ সালে আজগড়াতে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। পাকবাহিনী ও তার দোসররা লাইন দিয়ে দাঁড় করিয়ে অসংখ্য মানুষকে গুলি করে হত্যা করেছিল। আজগড়ার গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন, কালিদাস চক্রবর্তী, ধীরেন্দ্র নাথ ঘোষাল,...

চুকনগর বধ্যভূমি

চুকনগর বধ্যভূমি চুকনগর এলাকাটি খুলনা শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পশ্চিমে ভদ্রা নদীর তীরে অবস্থিত। একাত্তরের ২০ মে খুলনার ডুমুরদিয়া থানার চুকনগরে সবচেয়ে বড় গণহত্যাটি সংঘটিত হয়। ২০ মে-এর কয়েকদিন আগে থেকে যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে...

শলুয়া বাজার বধ্যভূমি

শলুয়া বাজার বধ্যভূমি শলুয়া বাজার খুলনার অন্যতম একটি বধ্যভূমি। এটি দৌলতপুরের কাছে রংপুর গ্রামে অবস্থিত। ১ বৈশাখ ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে হঠাত করে শলুয়াবাজারে হামলা চালিয়ে পাকহানাদার বাহিনী অসংখ্য বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করে। আজওএই গ্রামের মানুষ ১ বৈশাখে এই শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে...

নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমি

নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমি খুলনার খালিশপুর উপশহর ছিল একটি শিল্প এলাকা। এই খালিশপুরে পাওয়া গেছে অসংখ্য গণকবর ও বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে খালিশপুরের নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমিটি অন্যতম। পাকহানাদাররা সুপরিকল্পিতভাবে এই মিলের শ্রমিকদের হত্যা করেছিল। সেসময় খুলনা বেতারের...

চরেরহাট বধ্যভূমি

চরেরহাট বধ্যভূমি খুলনার চরেরহাটে রয়েছে বধ্যভূমি। একাত্তরের এপ্রিলে দৌলতপুরের দিক থেকে কয়েকটি লঞ্চ খুলনার দিকে আসছিল। লঞ্চগুলো ছিল যাত্রীভর্তি। এই চরেরহাটে পাকিসেনারা একে একে সব লঞ্চ থামিয়ে লঞ্চের ভেতর থেকে সবাইকে বের করে এনে নদীর তীরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করায়। এরপর...