You dont have javascript enabled! Please enable it!

1971.03.30 | কুষ্টিয়ার যুদ্ধ-২

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ-২ উত্তরে পদ্মা নদী, পুর্বদিকে গড়াই নদী দ্বারা বেষ্টিত কুষ্টিয়ার সমতলভূমি। ভৌগোলিক দিক থেকে কুষ্টিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এ কারণে পাকসেনারা যুদ্ধের শুরুতেই তা দখল করে নেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনালগ্নে বিভিন্ন সেনানিবাস এবং সশস্ত্র বাহিনীর...

1971.03.30 | কুষ্টিয়ার যুদ্ধ-১

কুষ্টিয়ার যুদ্ধ-১ ২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তানী বাহিনী কুষ্টিয়া দখল করে নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা [যারা চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর ছিলেন] ২৮ মার্চ সিদ্ধান্ত নিলেন কুষ্টিয়া মুক্ত করবেন। সর্বপ্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে ৩০ মার্চ ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে অপারেশন শুরু হয়। অপারেশনের নাম দেওয়া...

1971.03.31 | কুষ্টিয়া-যশোরের সশস্ত্র প্রতিরোধ

কুষ্টিয়া-যশোরের সশস্ত্র প্রতিরোধ [অংশগ্রহণকারীর বিবরণ] আমরা নিম্নিলিখিত কয়েকজন অফিসার তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য তদানীন্তন এসডিপিও জনাব মাহবুবউদ্দিন আহমদের বাসায় (ঝিনাইদহে) একত্রিত হই। আর ছিলেন, ১। তৌফিক এলাহীম এসডিও মেহেরপুর, ২।...

1971.08.03 | কুশলীবাসা রাজকার ক্যাম্প আক্রমণ, চাঁদপুর

কুশলীবাসা রাজকার ক্যাম্প আক্রমণ, চাঁদপুর রাজাকারদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ও দিশেহারা অবস্থায় চাঁদপুর ইউনিয়নের রাজাকাররা ৩ আগস্ট মুক্তিযোদ্ধা খবিরুদ্দিনকে (আনসার বাহিনীর সদস্য) ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে খোন্দকার গোলাম রব্বানীর নেতৃত্বে কুশলীবাসা প্রাথমিক বিদ্যালয়...

কুলাঘাট অপারেশন, কুড়িগ্রাম

কুলাঘাট অপারেশন, কুড়িগ্রাম আজকের জেলার সদর লালমনিরহাট তখন ছিল কুড়িগ্রাম জেলারই একটি থানা। সাখেন পাকসেনা বাহিনীর একটি শক্ত ঘাঁটি। লালমনিরহাট থেকে কুলঘাট হয়ে ধরলা নদী অতিক্রম করে ফুলবাড়িতে আক্রমণ করার প্রচেষ্টা চালাত মাঝে মধ্যে। নদী তীরের গ্রামগুলোতে হানা দিত প্রায়ই। এই...

কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অপারেশন, নারায়ণগঞ্জ

কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অপারেশন, নারায়ণগঞ্জ সেপ্টেম্বর মাসে গৌরাং নন্দী, মজিদ, ফারুক, ঝন্টু এই ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার পাটের গুদামের পাটে আগুন লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে নারায়ণগঞ্জের খানপুরে পৌঁছেন। কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার গেটের সামনে রাজাকারদের পাহারারত দেখে...

কুমিল্লার প্রতিরোধ, কুমিল্লা

কুমিল্লার প্রতিরোধ, কুমিল্লা ২৫ মার্চ থেকে পাকিস্তানীরা এ দেশে নিরস্ত্র বাঙালি উপর যে তাণ্ডবলীলা চালায় তার প্রথম প্রতিরোধে হয় এই কুমিল্লায়। সংগ্রামী ঐতিহ্যের গর্বিত উত্তোরাধিকার নিরস্ত্র কুমিল্লাবাসী দেশে পাক সৈন্যদের নির্মম অত্যাচার প্রতিরোধ করে। ’৭১-এর মার্চ...

1971.06.11 | কুমিল্লা শহরে গেরিলা হামলা

কুমিল্লা শহরে গেরিলা হামলা জুন মাসেই পাকিস্তানী সেনারা কুমিল্লা শহরে শাসনকার্য পুনরায় স্বাভাবিক করার জন্য সমস্ত রকমের ব্যবস্থা নেয়। সরকারি অফিসে ভালভাবে চালানোর জন্য তাঁরা সরকারি কর্মচারিদের বাধ্য করে। শহরে দোকান ও যানবাহন চালু করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে।...

1971.04.02 | কুমিল্লায় ইপিআর বাহিনীর বিদ্রোহ, কুমিল্লা

কুমিল্লায় ইপিআর বাহিনীর বিদ্রোহ, কুমিল্লা সিলেটে সেক্টরেরে অধীনে কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১ নং ইপিআর-এর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। এই উইং-এর বাঙালি সৈনিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়। উইং কমান্ডার মেজর করব আলী অবাঙালি হলেও উইং হেডকোয়ার্টারে অবস্থানরত নির্দোষ...

1971.05.28 | কুমিল্লা রনাঙ্গন-৩, কুমিল্লা

কুমিল্লা রনাঙ্গন-৩, কুমিল্লা ২৬ মে জগন্নাথ দিঘীর শত্রু অবস্থানের ওপর লে. ইমামুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন একটি গেরিলা দল রাত ১১ টায় অকস্মাৎ আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে ১টি প্লাটুন ২টি তিন ইঞ্চি মর্টার ও ২টি মিডিয়াম মেশিনগান ব্যবহার করা হয়। এ আক্রমণে পাকদের ১৯ জন লোক হতাহত হয়।...