You dont have javascript enabled! Please enable it!

মহাশ্মশান বধ্যভূমি

মহাশ্মশান বধ্যভূমি একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনী কুষ্টিয়ার মহাশ্মশান এলাকাকে বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করেছিল। এখানে তারা বহু বাঙালিকে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১০৯, ৪০১; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

কুষ্টিয়া হাউজিং কলোনি বধ্যভূমি

কুষ্টিয়া হাউজিং কলোনি বধ্যভূমি কুষ্টিয়া শহরের আরেকটি বধ্যভূমি হল হাউজিং কলোনি। এটি হাউজিং এস্টেটেরই একটি অংশ। এখানে পাকবাহিনীর কিশোরী, তরুনীসহ সব বয়সের মেয়েদের আটকে রেখে পাশবিক নির্যাতন চালাতো। তাঁদের এই অত্যাচারের হাত থেকে বিধবা, পঙ্গু মেয়েরাও বাদ পড়েনি। এমনকি চার...

হাউজিং এস্টেট বধ্যভূমি

হাউজিং এস্টেট বধ্যভূমি কুষ্টিয়া শহরতলীর বিহারি অধ্যুষিত হাউজিং এস্টেট হলো একটি বধ্যভূমি। নির্মম গণহত্যার নীরব সাক্ষী এই হাউজিং এলাকা। শহর থেকে বাঙালিদের ধরে এনে এখানে হত্যা করা হতো। হত্যাকুঠি হিসেবে ব্যবহারিত একটু ভগ্নজীর্ন ঘর এখনো হাউজিং – এত দক্ষিন পুর্ব –পাশে...

গড়াই নদীর চর বধ্যভূমি

গড়াই নদীর চর বধ্যভূমি বিহারি রাজাকাররা কুষ্টিয়ার বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে হতভাগ্য বন্দিদের ধরে নিয়ে গড়াই নদীর চলে হত্যা করে লাশ সেখানেই পুঁতে ফেলতো। আবার কখনো কখনো নদীর জলে ভাসিয়ে দিতো কোন কোন লাশ। এখানেই কুষ্টিয়া পৌরসভার ভাইস-চেয়ারম্যান আবুল কাছেমকে হত্যা করে হয়।...

রক্সি বাজারের গলি বধ্যভূমি

রক্সি বাজারের গলি বধ্যভূমি কুষ্টিয়ায় রক্সি সিনেমা হল ছিল শান্তি কমিটি ও বিহারি রাজাকারদের প্রধান আস্তানা। এখানেই তারা শহরের হয়া-তালিকা প্রণয়ন এবং কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস,...

পুলিশলাইন বধ্যভূমি

পুলিশলাইন বধ্যভূমি কুষ্টিয়া পুলিশলাইন ছিল পাকসেনাদের ঘাঁটি। বিহারি ও রাজাকারের সহয়তায় সন্দেহভাজন বাঙালিদের এখানে ধরে আনা হতো। চলতো অকথ্য নির্যাতন। উপরে পা ঝুলিয়ে পেটানো হতো, হাত পায়ের আঙুলে আলপিন ঢুকিয়ে দেওয়া হতো। যাঁদেরকে হত্যা করত তাঁদের হস্তান্তর করা হতো রাজাকার ও...

নীলুর খামার বধ্যভূমি

নীলুর খামার বধ্যভূমি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভুরুঙ্গামারী সড়ক থেকে ১ কি.মি. পশ্চিমে নীলুর খামার গ্রামটির অবস্থান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, “দিনটি ছিল একাত্তরের ১৮ নভেম্বর, ২৬ রমজান। এই গ্রাম থেকে ২ কি.মি. দূরে রায়গঞ্জ সেতুর পাশে খান্সেনারা অবস্থান গ্রহণ করে। ঐ...

রাজারহাট ঠাঠমারী বধ্যভূমি

রাজারহাট ঠাঠমারী বধ্যভূমি সেই ইটভাটাতেই গিয়ে আশ্রয় নেয় পাকসেনারা। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে চলে লড়াই। প্রচণ্ড যুদ্ধে কাটে রাত। সে লড়াইয়ে শহীদ হয়েছে ৬ জন মুক্তিসেনা। তাঁদের মধ্যে, ১. আমজাদ হোসেন, ২. জয়নাল আবেদীনের নাম পাওয়া গেছে। এরপর ঠাঠমারী এলাকায় পাকসেনারা ক্যাম্পে এনে...

কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা বধ্যভূমি

কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা বধ্যভূমি কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নের ডাক্তারপাড়ায় ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমন চালায়। আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় গোটা গ্রাম এবং হত্যা করে ৭ জনকে। শহীদরা হলেন – ১. ডা. সফর উদ্দিন আহমদ, ২. আলহাজ্ব সজর উদ্দিন আহমদ, ৩. আবদুল লতিফ, ৪....

চিলমারী বালাবাড়ি বধ্যভূমি

চিলমারী বালাবাড়ি বধ্যভূমি ১৩ অগাস্ট চিলমারীর বালাবাড়িতে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষে ১৭ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। এই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ১৪ অগাস্ট পাকবাহিনী অসহায় ১৩ জন গ্রামবাসীকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। এঁরা হলেন – ১. দানেশ আলী সরকার, ২. আব্দুর...