You dont have javascript enabled! Please enable it!

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি খুলনায় জজকোর্টের পিছনে ফরেস্ট ঘাটে বাঙালিদের জবাই করে হত্যা করা হতো এবং লাশগুলোর পেট চিরে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। সেসময় প্রতিরাতে অন্তত ২০ জনকে জবাই করে হত্যা করা হতো বলে ধারণা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও...

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি খুলনার রূপসা নদীর তীরে কাস্টমঘাট ছিল একটি বধ্যভূমি। এই কসাইখানাটি পাকিস্তানিদের সদর দপ্তরের সামনে ছিল। এখানে বাঙালিদের হাত পা বাধা অবস্থায় বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিত হানাদার জল্লাদরা। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র:...

গল্লামারি বধ্যভূমি

গল্লামারি বধ্যভূমি খুলনা সদরের একটি বধ্যভূমি গল্লামারিতে। খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে দেড়মাইল দুপরে গল্লামারির অবস্থান। এখানে তারা অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করে। ১৯৭২ সালে “দৈনিক বাংলা” –এর একটি প্রতিবেদনে উল্লখ করা...

শিকারপাড়া বধ্যভূমি

শিকারপাড়া বধ্যভূমি খুলনার শিকারপাড়া এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। যুদ্ধের নয়মাস পাক হানাদার বাহিনী এখানে বহু মানুষের ওপর অত্যাচার চালিয়ে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৮; দৈনিক বাংলা, ২৯ জানুয়ারি...

ফেরিঘাট বধ্যভূমি

ফেরিঘাট বধ্যভূমি খুলনা ফেরিঘাট এলাকায় ছিল বধ্যভূমি। এই ফেরিঘাট এলাকায় পাকসেনারা লঞ্চ-স্টিমারের যাত্রীদের ধরে এনে লুটপাট করে হত্যা করত তাঁদের। এরপর লাশগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস,...

রেল কলোনি সংলগ্ম ডবা বধ্যভুমি

রেল কলোনি সংলগ্ম ডবা বধ্যভুমি খুলনার রেল কলোনি এলাকাতে পাকসেনাদের সহযোগী একদম অবাঙালির প্রাধান্য ছিল। ঐ সময়ে রেল কলোনি এলাকাতে দিনে বা রাতে যখনই কোন বাঙালি গিয়েছে, সে আর ফেরেছি তাঁদের হত্যা করে পুঁতে রাখা হতো। ঐসব কলোনিতে বসবাসকারী অনেক বাঙালি রেল কর্মচারীও এই হত্যার...

রেলস্টেশন বধ্যভূমি

রেলস্টেশন বধ্যভূমি খুলনা শহরের কেন্দ্রস্থলে রেল স্টেশন ও রেল লাইনের বিস্তির্ন এলাকা জুড়ে করা হয়েছে বাঙালি নিধন। এপ্রিল-মে মাসে জল্লাদ সৈনরা খুলনা রেল স্টেশন এলাকাতে বহু বাঙালিকে হত্যা করেছে। যাদের অনেকেই জেলার বাইরে থেকে আসা ট্রেন যাত্রী। সবকিছু লুটপাট করে এদের হত্যা...

মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা বধ্যভূমি

মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা বধ্যভূমি খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার তেলাং তাঙ্গা এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনারা বাড়ি থেকে ধরে এনে চিত্ত রঞ্জন চাকমা (কার্বারী), গৌরাঙ্গ দেওয়ান, সব্যসাচি চাকমা এই তিঞ্জঙ্কে গুলি করে হত্যা করে। পরে তাঁদের পাহাড়ি এলাকায় গণকবর দেয়...

জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বধ্যভূমি

জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি বধ্যভূমি কুষ্টিয়ার জুয়েল এলুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি  বধ্যভূমিতে এখনও কালের নীরব সাক্ষী হয়ে রয়েছে একটি তেঁতুল গাছ। ইংরেজি ণ বর্নের মত এর দুটো বিস্তারিত শাখার মাঝখানে মাথা চেপে রেখে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হত বাঙালিদের। মিল পাড়ার কোহিনূর...

স্টেশন রোড মালগুদাম বধ্যভূমি

স্টেশন রোড মালগুদাম বধ্যভূমি কুষ্টিয়ার স্টেশন রোডের এক নং মালগুদাম ছিল একটি বধ্যভূমি। এখানে পাকবাহিনী ও তাঁদের দোসর বিহারি রাজাকাররা অনেক বাঙালিকে নির্মনভাবে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১০৯, ৪০১;...