You dont have javascript enabled! Please enable it!

হরিরামপুর গোরস্থান বধ্যভূমি

হরিরামপুর গোরস্থান বধ্যভূমি ঢাকার মিরপুরের হরিরামপুরে বধ্যভূমি রয়েছে। হরিরামপুর গোরস্থান সংলগ্ন একটি গর্ত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন শিক্ষক ও একজন চিকিৎসকের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মধ্যে যে চারজন বুদ্ধিজীবীর লাশ সনাক্ত করা হয়, তারা হলেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস...

বসিলা ইটখোলা বধ্যভূমি

বসিলা ইটখোলা বধ্যভূমি ঢাকার মিরপুরের বসিলার ইটখোলা বধ্যভূমিতে পাক বাহিনী বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকদের ধরে এনে হত্যা করত। স্বাধীনতার পর এখানে বহু মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়।  (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্রঃ দৈনিক সংবাদ, ২৩ জানুয়ারি...

মিরপুর বাংলা কলেজ বধ্যভূমি

মিরপুর বাংলা কলেজ বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধকালে পাকবাহিনী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন ধরে ঢাকার মিরপুর বাংলা কলেজের পিছনে এনে হত্যা করত। স্বাধীনতার পর এই স্থানে নরকঙ্কাল ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া এখান থেকে আরও পাওয়া গেছে মেয়েদের শাড়ি, ব্লাউজ, চুল প্রভৃতি। এই...

শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি

শিয়ালবাড়ি বধ্যভূমি ঢাকার কেন্দ্র থেকে ১৩ মাইল উত্তরে মিরপুরের উপকণ্ঠে শিয়ালবাড়ি ছিল একটি গ্রাম। বর্তমানে এটি মিরপুর ২ নম্বর স্টেডিয়ামের অদূরে প্রশিকা ভবনের পিছন দিকে অবস্থিত। যুদ্ধকালে শিয়ালবাড়ি এলাকাটিকে পাক হানাদার বাহিনী বধ্যভূমি ও গণকবর হিসেবে ব্যবহার করে। যুদ্ধের...

মোহাম্মদপুর থানা উত্তর সীমান্ত বধ্যভূমি

মোহাম্মদপুর থানা উত্তর সীমান্ত বধ্যভূমি ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার উত্তর সীমান্তে পাঁচটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। এই গণকবরগুলোতে শতশত মানুষের কঙ্কাল রয়েছে বলে গ্রামবাসীরা জানান। পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকার-আলবদরেরা নারী-পুরুষ-শিশু নির্বিশেষে নিরীহ বাঙালিদের হত্যার পর...

আদাবর গণকবর

আদাবর গণকবর ঢাক্র মোহাম্মদপুর জয়েন্ট কলোনি ও কল্যাণপুর বাস ডিপোর মাঝামাঝি আদাবর গ্রামটি অবস্থিত ছিল। ১৯৭২ সালে এখানে বেশ কিছু গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। এসব গণকবর থেকে শতশত মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। পাকিস্তানি সেনা বাহিনী, রাজাকার ও আলবদর বাহিনী এখানে ব্যাপক...

রায়েরবাজার বধ্যভূমি

রায়েরবাজার বধ্যভূমি একাত্তরের পঁচিশে মার্চ থেকেই মিরপুরের রায়েরবাজার এলাকা পাকহানাদারদের অন্যতম বধ্যভূমিতে পরিণত হয়। এখানকার প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছিল এও বধ্যভূমি। যুদ্ধের নয়টি মাস পাকহানাদার, আলবদর ও রাজাকাররা এখানে বাঙালি নিধনযজ্ঞ চালায়। একাত্তরের ১৮...

মুসলিম বাজার বধ্যভূমি

মুসলিম বাজার বধ্যভূমি ১৯৯৯ সালের ২৭ জুলাই ঢাকার মিরপুর ১২ নং সেকশনের ডি ব্লকে নূরী মসজিদের পাশে মুসলিম বাজার বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। মসজিদের নির্মাণ কাজে মাটি খননের সময় এখানে একটি কুয়ো থেকে বেরিয়ে আসে অসংখ্য মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর...

এম. এন. এ. হোস্টেল বধ্যভূমি

এম. এন. এ. হোস্টেল বধ্যভূমি ঢাকা শহরের এম. এন. এ. হোস্টেল ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর অন্যতম নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমিতে পরিণত হয়। এখানে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করা হয়। পাকসেনারা গাজীপুর অস্ত্র কারখানা থেকে বেশ কয়েকজন বাঙালি অফিসারকে এখানে ধরে এনে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ...

জিঞ্জিরা গ্রাম বধ্যভূমি

জিঞ্জিরা গ্রাম বধ্যভূমি একাত্তরের ২ এপ্রিল সকালে পাকহানাদার পচিশে মার্চের কালরাতের পর ভীত-সন্ত্রস্ত ঢাকাবাসী নগর ছেড়ে পালিয়ে এই গ্রাম আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু তাঁদের শেষ রক্ষা হয়নি। ২ এপ্রিল পাকসেনারা এই গ্রামে হামলা চালালে প্রাণ দিতে হয় অসংখ্য মানুষকে। তারা পুরো গ্রাম...