You dont have javascript enabled! Please enable it!

জগন্নাথ কলেজ গণকবর

জগন্নাথ কলেজ গণকবর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পুরো নয় মাস ঢাকার জগন্নাথ কলেজ ছিল পাক হানাদার বাহিনীর একটি ক্যাম্প। পাকসেনারা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে অসংখ্য বাঙ্গালিকে ধরে এনে এখানে হত্যা করেছিল। বাহাত্তরের ৮ জানুয়ারি কলেজ কতৃপক্ষ ছাত্র সংসদ কার্যালয়ের সামনে এই...

রমনা কালীবাড়ি বধ্যভূমি

রমনা কালীবাড়ি বধ্যভূমি একাত্তরের ২৭ মার্চ পাক হানাদার বাহিনী ঢাকার রমনা কালীবাড়িতে ৫০ থেকে ৬০ জন বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করে। এছাড়া ২৯ মার্চ বাঙালি ইপিআর অফিসার ক্যাপ্টেন আজাদসহ ২০ জন ইপিআর সদস্যকেও এখানে গুলি করে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধকালে এই জায়গাকে তারা...

জগন্নাথ হল বধ্যভূমি

জগন্নাথ হল বধ্যভূমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল একটি বধ্যভুমির নাম। একাত্তরের ২৫-২৬ মার্চ এই হলে অবস্থানরত নিরস্ত্র ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর নৃশংস নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকহানাদার বাহিনী। তারা হলের ৩ জন শিক্ষক, ৩৪ জন ছাত্র ও ৪ জন কর্মচারীকে গুলি করে হত্যা...

রোকেয়া হল গণকবর

রোকেয়া হল গণকবর একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীনিবাস রোকেয়া হলে আক্রমণ চালায়। তারা হলে অবস্থানরত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যসহ মোট ৪৬ জনকে হত্যা করে। এই লাশগুলো মাটিতে পুঁতে তার ওপর দিয়ে ট্যাঙ্ক চালিয়ে দেয়...

রাজারবাগ পুলিশ লাইন বধ্যভূমি

রাজারবাগ পুলিশ লাইন বধ্যভূমি রাজারবাগ পুলিশ লাইন ছিল পাকবাহিনীর অন্যতম নির্যাতনকেন্দ্র। এখানে একটি বধ্যভূমিও রয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকবাহিনী এখানকার পুলিশ ব্যারাক আক্রমণ করে প্রায় দুই হাজার বাঙালি পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে। যুদ্ধের পরবর্তী সময়গুলোতে এই কেন্দ্রে...

বালিয়াডাঙ্গী ক্যাম্প বধ্যভূমি

বালিয়াডাঙ্গী ক্যাম্প বধ্যভূমি ধুকুরঝারি ও ঝিকরগাছা গ্রামের ২৫ জন লোককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে বালিয়াডাঙ্গী ক্যাম্পে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই উপজেলার গণকবরগুলো রয়েছে...

ঠাকুরগাঁও চিনিকল এলাকার বধ্যভূমি

ঠাকুরগাঁও চিনিকল এলাকার বধ্যভূমি ঠাকুরগাঁও চিনিকল এলাকায় ঠাকুরগাঁও চিনি কলের ২জন কর্মচারী ও কৃষি ব্যাংকের ১জন গার্ডকে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়া হয়। অবহেলায় রয়েছে এই...

তিরনই নদী বধ্যভূমি

তিরনই নদী বধ্যভূমি একাত্তরের এপ্রিলে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক আলহাজ্ব দবিরুল ইসলামের (বর্তমান এমপি) পিতা আকবর আলীকে বাড়ি থেকে ধরে এনে গুলি করে হত্যা করে লাশ তিরনই নদীতে ফেলে দেয়...

খুনিয়াদীঘি বধ্যভূমি

খুনিয়াদীঘি বধ্যভূমি জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি খুনিয়া দিঘী। শত্রু বাহিনী স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রায় ৩ হাজার মানুষকে ধরে এনে খুনিয়াদিঘী নামক পুকুর পাড়ে হত্যা করে তাঁদের লাশ পুকুরের পানিতে ভাসিয়ে দেয়। ১৯৭২ সালে এখানে তৈরি...

দেশিয়াপাড়া বধ্যভূমি

দেশিয়াপাড়া বধ্যভূমি ভোমরাদহ ইউনিয়নের দেশিয়াপাড়া এলাকায় স্থানীয় শতাধিক নারি-পুরুষ ও শিশুদের ধরে এনে গণহত্যা চালানো হয়। পরে তাঁদের লাশ একই গর্তে মাটি চাপা দেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও স্মৃতিসৌধ নেই বা এই স্থানগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে...