You dont have javascript enabled! Please enable it!

জাঠিভাঙ্গা গ্রাম বধ্যভূমি

জাঠিভাঙ্গা গ্রাম বধ্যভূমি হানাদার বাহিনী ও তাঁদের দোসররা সদর উপজেলার জাঠিভাঙ্গা গ্রামে গণহত্যাকাণ্ড চালায়। সেখানে স্থানীয় কিছু লোকের সহায়তায় আশেপাশের অনেক গ্রাম থেকে প্রায় ৩ হাজার গ্রামবাসীকে ধরে এনে পাকবাহিনী গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁদের হত্যা করে। এরপর...

আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজের পাশের কূপ বধ্যভূমি

আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজের পাশের কূপ বধ্যভূমি সদর উপজেলার ফাড়াবাড়িতে মুক্তিযোদ্ধার পিতা শেখ সহর আলী ও তার ভাই শেখ বহর আলীসহ ১৯ জন সাধারণ গ্রামবাসীকে ধরে এনে হত্যা করে তাঁদের লাশ আব্দুর রশিদ ডিগ্রী কলেজের পাশে একটি কূপে ফেলে দেওয়া হয়। এখানে নেই কোন স্মৃতিসৌধ। শহর আলীর...

জগথা রাইস মিল ও সরকারি কলেজ গণকবর

জগথা রাইস মিল ও সরকারি কলেজ গণকবর বিভিন্ন সময়ে পীরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৩ হাজার মানুষকে স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় ক্যাম্পে ধরে এনে তাঁদের হত্যা করে জগথা রাইস মিল ও সরকারি কলেজের পাশে মাটি চাপা দেওয়া...

পীরগঞ্জের জগথা গ্রাম বধ্যভূমি

পীরগঞ্জের জগথা গ্রাম বধ্যভূমি ঠাকুরগাও এর পীরগঞ্জের বড় গণকবরটি এখনো অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। ৪০ বছরেও চিহ্নিতকরণ কিংবা খননের উদ্যোগ না নেওায় কালক্রমে বধ্যভুমিগুলোর অবস্থান হারিয়ে যাচ্ছে। পীরগঞ্জে শহরের ২ কিলোমিটার পশ্চিমে জগথা গ্রামে রয়েছে একটি গণকবর। গ্রামের বৃদ্ধ...

পীরগঞ্জে শহীদ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার কবর

পীরগঞ্জে শহীদ অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার কবর স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের মধ্যে পীরগঞ্জের অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার স্মরনে বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বুদ্ধিজীবী স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করলেও তার সমাধিস্থান সংরক্ষনে কোন সরাক্রি উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পারিবারিকভাবে ইট দিয়ে সেখানে সমাধিস্থান...

টাঙ্গন নদীর পুরোনো সেতুর বধ্যভূমি

টাঙ্গন নদীর পুরোনো সেতুর বধ্যভূমি ২০ মে ১৯৭১, বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁও ইপিআর ক্যাম্প থেকে আসা পাকিস্তানি একদল সৈন্য শহরের……… ইসলামনগর মহলটি ঘেরাও করে। জড়ো হওয়া আতঙ্কিত মানুষগুলোর কাছে পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আফজাল ও ক্যাপ্টেন হারুন অর রশিদ জানতে চায়, গত...

জেলার প্রথম শহীদ

জেলার প্রথম শহীদ একাত্তরের ২৭ মার্চ রিকশাচালক মোহাম্মদ আলী ও ২৮ মার্চ কিশোর নরেশ চৌহান ইপিআরের গুলিতে নিহত হয়। রাস্তার পাশেই তাঁদের সমাহিত করা হয়। তৈরি করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ। ১৫ এপ্রিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত প্পাক বাহিনীর দখলে চলে যায়...

বংশাই নদীর তীর বধ্যভূমি

বংশাই নদীর তীর বধ্যভূমি বংশাই নদীর তীরে রয়েছে বধ্যভূমি। একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনী এখানে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করেছে। টাঙ্গাইল, জামালপুর, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা বাঙালিদের ধরে আনতো এবং ব্রাশ ফায়ারে ও বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে বংশাই নদীতে ফেলে...

মির্জাপুর বাজার বধ্যভূমি

মির্জাপুর বাজার বধ্যভূমি একাত্তরের ৭ মে পাক হানাদার বাহিনীর হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে বংশাই ও লৌহজং তীরবর্তী মির্জাপুর পরিণত হয় এক ভুতুড়ে পুরীতে। সেদিন ছিল শুক্রুবার। প্রতিসপ্তাহের মতো এদিনও থানা সদরে হাট বসে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম হয় প্রচুর। বেলা আড়াইটা।...

জেলা সদর পানির ট্যাঙ্ক মাঠ বধ্যভূমি

জেলা সদর পানির ট্যাঙ্ক মাঠ বধ্যভূমি একাত্তরে টাঙ্গাইলে পাকিস্তানিরা ব্যাপক ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। স্বাধীনতার পর টাঙ্গাইল শহরের পানির ট্যাংকের কাছে ডি-কোয়ার্টারের পিছনে ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিদের কোয়ার্টারের সম্মুখে আবিষ্কৃত হয়েছে অনেকগুলো গর্ত। এসব গর্তে পাওয়া...