You dont have javascript enabled! Please enable it!

কুরুলিয়া খাল বধ্যভূমি

কুরুলিয়া খাল বধ্যভূমি যুদ্ধে পরাজয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে ৬ ডিসেম্বর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে বের করে গাড়িতে তুলে ৪০ জনকে বধ্যভূমির দিকে যখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেনের ছোট ভাই আফজল হোসেন ওইসব জল্লাদের অনেক অনুনয়-বিনয় করে বলেছিলেন, “তোমরা...

দাতিয়ারা বধ্যভূমি

দাতিয়ারা বধ্যভূমি দেশ শত্রুমুক্ত হবার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ দাতিয়ারা বধ্যভূমির গণকবর খুঁড়ে ১২ জন শহীদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় নাটাই গ্রামের শহীদ আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস সাত্তার এবং বধ্যভূমি থেকে বেঁচে যাওয়া আবরু খান সহ এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে গণকবরটি চিহ্নিত করা...

ওয়াপদা বধ্যভূমি

ওয়াপদা বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে ওয়াপদা বধ্যভূমি ছিল কুখ্যাত। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিরীহ নিরস্ত্র লোকজনকে এখানে এনে হাত-পা-চোখ বেঁধে হত্যা করা হতো। ৯ অগাস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানার উলচাপাড়া গ্রামে পাক বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। উলচাপাড়া জামে মসজিদের...

মহাবিদ্যালয় বধ্যভূমি

মহাবিদ্যালয় বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ প্রাঙ্গণে এবং কলেজের পশ্চিম পাশের দানা মিয়ার বড়িতে (বর্তমানে ফুড অফিস নামে পরিচিত) পাক বাহিনীর নির্যাতন ক্যাম্প ছিল। এখানে বহু মানুষকে ধরে এনে দিনের পর দিন নির্যাতন করে বিভিন্ন বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কলেজ চত্বরেও বহু...

চিতলমারি বধ্যভূমি

চিতলমারি বধ্যভূমি বাগেরহাটের কচুয়া-মোল্লারহাট থানার কেন্দ্রস্থলে মধুমতি নদীর তীরে চিতলমারির অবস্থান। যুদ্ধচলাকালীন চিতলমারি কচুয়া থানার অন্তর্গত ছিল, বর্তমানে এটি পৃথক থানা। যুদ্ধ শুরুর প্রথম থেকেই এটি একটি মুক্তাঞ্চল ছিল। এখানে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প ছিল। রাজাকারদের...

দেপাড়া বধ্যভূমি

দেপাড়া বধ্যভূমি বাগেরহাট জেলার দেপাড়া থানায় রয়েছে বধ্যভূমি। এখানে পাকহানাদার বাহিনী হত্যাকান্ড ঘটায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৪৩১, ৪৪৪; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৩৯৫;...

কান্দাপাড়া বাজার বধ্যভূমি

কান্দাপাড়া বাজার বধ্যভূমি বাগেরহাটের কচুয়ায় কান্দাপাড়া গ্রাম। এটি বাগেরহাট শহর থেকে ৮/৯ কিলমিটার উত্তরে বাগেরহাট-চিতলমারির রাস্তায়। এলাকাটি মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। কান্দাপাড়ায় একাত্তরের ১৮ জুন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বাগেরহাটের পাকসেনাদের একটি দল ও রাজাকারেরা...

রামপাল বধ্যভূমি ও গণহত্যা

রামপাল বধ্যভূমি ও গণহত্যা রামপালের রাজাকার বাহিনী সারাদিন ঘুরে ঘুরে যাদের ধরতো তাঁদের উপজেলা সদরের ডাকবাংলোর সামনের নদীর ঘাটে এনে জবাই করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিত। রামপাল উপজেলার ইসলামবাদ গ্রামের হামিদ শেখ তখন রামপাল রাজাকার ক্যাম্পের জল্লাদ ছিলেন। সে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে...

মঘিয়া বধ্যভূমি ও গণহত্যা

মঘিয়া বধ্যভূমি ও গণহত্যা ১৫ অক্টোবর ২৮ আশ্বিন শুক্রুবার কচুয়া উপজেলার তিন কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে মঘিয়া গ্রামে ১৫ জনকে হত্যা করা হয়। বিকেল চারটার দিকে কচুয়া থেকে পাঁচ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ভাসা বাজার থেকে কচুয়া থানার রাজাকার বাহিনী ২৫-৩০ জনকে আটক করে। দুই সারি করে...

বগী গণহত্যা

বগী গণহত্যা ২১ অক্টোবর ৩ কার্তিক বৃহস্পতিবার বগী বন্দরের কাছে পাকবাহিনীর সঙ্গে সুন্দরবনের মুক্তিযোদ্ধাদের সংঘর্ষ বাধে। সেদিন ছিল রমজানের প্রথম দিন। একটি গানবোট থেকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার গাবতলা স্লইগেটের কাছে নেমে পাকসেনারা ব্রাশফায়ার করতে করতে বগী গ্রামের দিকে...