You dont have javascript enabled! Please enable it!

বাহুবলের ফয়েজাবাদ হিল বধ্যভূমি

বাহুবলের ফয়েজাবাদ হিল বধ্যভূমি বাহুবল উপজেলার ফয়েজাবাদ হিলে বধ্যভূমি রয়েছে। ১৯৭১ সালে পাক হানাদার প্রায় দেড়শ’ মুক্তিযোদ্ধাকে এখানে নির্মমভাবে হত্যা করে। পাক হানাদার ও তার দোসররা সিলেট, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, চুনারুঘাট, মাধবপুর থেকে মুক্তিবাহিনী ও নিরীহ লোকদের ধরে এনে...

রানিগঞ্জ বাজার বধ্যভূমি

রানিগঞ্জ বাজার বধ্যভূমি সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানা সদর থেকে পাঁচ মাইল দূরে রানিগঞ্জ বাজার অবস্থিত। একাত্তরের ১ সেপ্টেম্বর এগারোটায় পাকহানাদার বাহিনীর আগমন ঘটে রানিগঞ্জ বাজারে। পাকসেনারা এই বাজার ঘিরে ফেলে এবং বাজারের দুইশ’র বেশি লোককে বেঁধে এক লাইনে দাঁড় করায়।...

শ্রীরামসি গণকবর

শ্রীরামসি গণকবর ১৯৭১ সালের ৩১শে অগাস্ট সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পাক হানাদার বাহিনী ৭/৮টি নৌকা যোগে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসি বাজারে আসে এবং স্থানীয় রাজাকারদের দিয়ে গ্রামবাসীদের শ্রীরামসি হাইস্কুল মাঠে শান্তি কমিটির সভায় সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য খবর...

ছাতক বধ্যভূমি

ছাতক বধ্যভূমি একাত্তরের ২৮ এপ্রিল পাকবাহিনী সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় প্রবেশ করে। শুরু হয় হত্যাকাণ্ড, লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগ। ঐদিন পাকবাহিনীর হাতে শহীদ হয়েছিলেন, তারা হলেন-সিলেট কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র দিলীপ কুমার তরাত ও জ্যোতির্ময় দত্ত নানু,ছাতক সিমেন্ট...

ছাতক শিখাসতের বধ্যভূমি

ছাতক শিখাসতের বধ্যভূমি স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অগাস্টের মাঝামাঝি ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের মাধবপুরের লালপুরে ১৭ যুবককে জীবন্ত কবর দেয় পাকবাহিনী। জীবন্ত কবর দেওয়া এই ১৭ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ১৯৭২ সালের ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক...

পিটিআই বধ্যভূমি

পিটিআই বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধের সময় পিটিআই ভবন থেকে সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলার পাক বাহিনীর তাণ্ডব নিয়ন্ত্রিত হত। এখানেই তাঁদের প্রধান আস্তানা ছিল। এদেশীয় দালালদের সহায়তায় মা, বোনদের সম্ভ্রমহানী, গণহত্যাসহ সব কার্যক্রম চালাতো তারা। নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে ড্রামের মধ্যে...

ডলুরা শহিদ স্মৃতিসৌধ

ডলুরা শহিদ স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধের সময় সুনামগঞ্জের অন্যতম রণাঙ্গন ছিল সীমান্তবর্তী ডলুরা। এটি ছিল ৪ নং বালট সেক্টরের অধীনে। রণাঙ্গনে সম্মুখ যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের সমাহিত করা হয়েছিল সীমান্তবর্তী ডলুরা এলাকায়। ডলুরা শহীদ সমাধীসৌধ আলাদা আলাদা পিলার বসিয়ে...

উত্তর আলোকদিয়া বধ্যভূমি

উত্তর আলোকদিয়া বধ্যভূমি ১৯৭১ সালে সিরাজগঞ্জের উত্তর আলোকদিয়া শ্মশানে পাক হানাদার বাহিনীর বধ্যভূমি ছিল। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৩৭২-৩৭৩; মুক্তিযুদ্ধ কোষ, চতুর্থ খণ্ড – মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত,...

শাহজাদপুর গণকবর

শাহজাদপুর গণকবর শাহজাদপুর থানার গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। শাহজাদপুর থেকে ৮ কিমি দূরে গাড়াদহ গ্রামের ঐ জায়গাটির মালিক আজিম প্রামানিকের পরিত্যক্ত বাড়ির মাটি কাটার সময় এক ফুট নিচ থেকে বেরিয়ে আসে মানুষের...

বাবতী বধ্যভূমি

বাবতী বধ্যভূমি পাকসেনারা  মে মাসে সিরাজগঞ্জ থানার বাবতী গ্রামে হামলা চালিয়ে ১৭০ জনকে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৯৯; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান,...