You dont have javascript enabled! Please enable it!

সাবজেল বধ্যভূমি

সাবজেল বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জ মহকুমা সাবজেল ছিল পাকসেনাদের কসাইখানা। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস,...

লঞ্চঘাট বধ্যভূমি

লঞ্চঘাট বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জ লঞ্চঘাট ছিল পাকসেনাদের কসাইখানা। এই লঞ্চঘাটে বাঙালিদের ধরে এনে জবাই করে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৯৯; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান,...

বাঘাবাড়ি বধ্যভূমি

বাঘাবাড়ি বধ্যভূমি সিংহগাতির ৮ নং ওয়ার্ডের সমাজ প্রামানিকের ছেলে গাজী মো. আবুল হোসেন (৭১) বলেন, “যুদ্ধকালীন স্থানীয় রাজাকার আমির হোসেনের সহায়তায় পাকসেনারা গ্রামে ঢুকে মেয়েদের ধর্ষণ করায় গ্রামবাসী কারাইল দিয়ে পিটিয়ে ২ পাকসেনাকে হত্যা করে। এরপর পাকসেনারা সংঘবদ্ধভাবে...

উল্লাপাড়া সিংহগাতি গণকবর

উল্লাপাড়া সিংহগাতি গণকবর সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌর এলাকার সিংহগাতি গ্রামের কবরস্থানে একটি স্থানে গর্ত করে ২৪ জনকে এক সঙ্গে পুতে রাখে পাক সেনারা। সিংহগাতি-৮ নং ওয়ার্ডের হাজী ওসমান মণ্ডলের ছেলে হাজী আব্দুস সামাদ মণ্ডল (৭৫) বলেন, “সিংহগাতি গ্রামের পাশে সিএনবি ও এলজিইডি’র...

পুরাতন জেলখানা ঘাট বধ্যভূমি

পুরাতন জেলখানা ঘাট বধ্যভূমি যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে পাকসেনারা নদীতে ও পুরাতন কারাগার ঘাট (জেলখানা ঘাট) এলাকায় কয়েকটি ক্যাম্প করে। বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে এখানে ধরে এনে গুলিও জবাই করে হত্যা করে লাশগুলো মাটিতে পুঁতে রাখে। বিভিন্ন...

চড়িয়া মধ্যপাড়া ও পাটধারী অন্ধ পুকুরপাড় গণকবর

চড়িয়া মধ্যপাড়া ও পাটধারী অন্ধ পুকুরপাড় গণকবর ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল সোমবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ৭টি গ্রামে গণহত্যা চালায় পাক বাহিনী। চড়িয়া মধ্যপাড়া, পাটধারী, কালিবাড়ী, শিকার মগড়াপাড়া, চড়িয়া শিকার দক্ষিনপাড়া, গোলকপুর, কাচিয়া...

বড়ইতলা বধ্যভূমি

বড়ইতলা বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্দাইল ইউনিয়নের বড়ইতলা গ্রাম। নিরাপদ ভেবে এ গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিল হাজারো মানুষ। ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা বরইতলা গ্রাম ঘেরাও করে নির্বিচারে গুলি চালায়। সে সময় স্থানীয় কমান্ডার লুৎফর...

বাগবাটি বধ্যভূমি

বাগবাটি বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৩১ মে ভোরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে গণহত্যা চালায় পাকবাহিনী। সিরাজগঞ্জ থানা সদর থেকে ১৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এ এলাকাকে নিরাপদ ভেবে বগুড়া, শেরপুর, চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সিরাজগঞ্জ শহরের অসংখ্য নারী, শিশু ও...

শিয়ালকোল মুছিবাড়ি বধ্যভূমি

শিয়ালকোল মুছিবাড়ি বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিয়ালকোল মুছিবাড়ির পুবপাশে (বর্তমান সিরাজগঞ্জ –নলকা আঞ্চলিক সড়কের শিয়ালকোল পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের দান দিকে) পাকসেনারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে। এঁদের মধ্যে শিয়ালকোল গ্রামের ফনি...

আমবাড়িয়া বধ্যভূমি

আমবাড়িয়া বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগায় ১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে ১৩০ জন পাকসেনা ও অসংখ্য রাজাকার ও আলবদর নিহত হয়। এরপর ১৩ নভেম্বর পাকসেনারা মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় এবং পার্শ্ববর্তী...