You dont have javascript enabled! Please enable it!

জেলার প্রথম শহীদ

জেলার প্রথম শহীদ একাত্তরের ২৭ মার্চ রিকশাচালক মোহাম্মদ আলী ও ২৮ মার্চ কিশোর নরেশ চৌহান ইপিআরের গুলিতে নিহত হয়। রাস্তার পাশেই তাঁদের সমাহিত করা হয়। তৈরি করা হয় স্মৃতিস্তম্ভ। ১৫ এপ্রিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত প্পাক বাহিনীর দখলে চলে যায়...

বংশাই নদীর তীর বধ্যভূমি

বংশাই নদীর তীর বধ্যভূমি বংশাই নদীর তীরে রয়েছে বধ্যভূমি। একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনী এখানে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করেছে। টাঙ্গাইল, জামালপুর, ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা বাঙালিদের ধরে আনতো এবং ব্রাশ ফায়ারে ও বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে বংশাই নদীতে ফেলে...

মির্জাপুর বাজার বধ্যভূমি

মির্জাপুর বাজার বধ্যভূমি একাত্তরের ৭ মে পাক হানাদার বাহিনীর হত্যা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে বংশাই ও লৌহজং তীরবর্তী মির্জাপুর পরিণত হয় এক ভুতুড়ে পুরীতে। সেদিন ছিল শুক্রুবার। প্রতিসপ্তাহের মতো এদিনও থানা সদরে হাট বসে। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সমাগম হয় প্রচুর। বেলা আড়াইটা।...

জেলা সদর পানির ট্যাঙ্ক মাঠ বধ্যভূমি

জেলা সদর পানির ট্যাঙ্ক মাঠ বধ্যভূমি একাত্তরে টাঙ্গাইলে পাকিস্তানিরা ব্যাপক ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। স্বাধীনতার পর টাঙ্গাইল শহরের পানির ট্যাংকের কাছে ডি-কোয়ার্টারের পিছনে ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারিদের কোয়ার্টারের সম্মুখে আবিষ্কৃত হয়েছে অনেকগুলো গর্ত। এসব গর্তে পাওয়া...

কবিরপুর ও আবাইপুর গণকবর

কবিরপুর ও আবাইপুর গণকবর ঝিনাইদহে ৭১’র ১৪ অক্টোবর শৈলকুপার আবাইপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে পাক সেনাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে ৪১ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। তাঁদের ৬ জনকে কবিরপুরের (ছবিতে) এই বধ্যভূমিতে গণকবর দেওয়া হয়। আবাইপুরে একটি গণকবরে ৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গণকবর...

কুমার নদ সেতু বধ্যভূমি

কুমার নদ সেতু বধ্যভূমি ঝিনাইদহ শৈলকূপা কুমার নদের সেতুটিও (ব্রিজ) পাকসেনা ও রাজাকারদের বধ্যভূমি ছিল। বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঙালিদের ধরে এনে এখানে হত্যা করে তাঁদের লাশ এ সেতুর উপর থেকে নদীতে নিক্ষেপ করত পাক সেনা ও রাজাকাররা। শৈলকূপার বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মরোরঞ্জন...

শৈলকূপা কুমার নদের পাশে গণকবর

শৈলকূপা কুমার নদের পাশে গণকবর ঝিনাইদহ শৈলকূপা কুমার নদের সেতুর (ব্রিজ) পাশের স্থানটি গণকবর ছিল। প্রমথ ভূষণ সাহার দোকানের সামনে জামরুল তলায় ৬ জনকে হত্যার পর এখানে তাঁদের লাশ গণকবর দেওয়া হয়েছিল। জায়গাটি নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে রাখা হয়নি। বর্তমানে চারপাশে অনেক বাড়িঘর...

কবিরপুর গ্রাম বধ্যভূমি

কবিরপুর গ্রাম বধ্যভূমি ঝিনাইদহ শৈলকূপা উপজেলার কবিরপুর গ্রামের প্রমথ ভূষণ সাহার দোকানের সামনে আম বাগান ও জামরুল গাছের নিচে পাক সেনাদের বধ্যভূমি ছিল। বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঙালিদের ধরে এনে এখানে হত্যা করা হত। এপ্রিলে শৈলকূপার হরিদাশ সাহা, নারায়ণ সাহা, গৌর গোপাল সাহা,...

কামান্না গণকবর

কামান্না গণকবর শৈলকূপা থানার কামান্না গ্রামে রয়েছে বধ্যভূমি ও গণকবর। কামান্না শৈলকূপা থানা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার পূব দিকে কুমার নদীর উত্তর পাড়ের ছোট্ট একটি গ্রাম। পাক হানাদার ও তাঁদের দোসর রাজাকাররা এই গ্রামেই ২ জন সহযোগীসহ ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করে।...

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ বধ্যভূমি

ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ বধ্যভূমি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম থেকেই ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের সকল কর্মচারী ও অধ্যাপক যে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় পাকসেনারা বারবার তাঁদের প্রতিরোধের মুখে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, ১৬ এপ্রিল পাকবাহিনী ঝিনাইদহ আক্রমণ করে। তারপরই শুরু হয়...