You dont have javascript enabled! Please enable it!

মধুমতি নদীতে পাক সৈন্যদের উপর আক্রমণ

মধুমতি নদীতে পাক সৈন্যদের উপর আক্রমণ মনির হােসেন মুঞ্জুর বর্ণনা মতে, ডিসেম্বরের ১ম দিকে যশাের ক্যান্টনমেন্ট হতে প্রায় ২০ জন পাকসেনা ভাটিয়াপাড়া ওয়ারলেস স্টেশনে অবস্থানরত পাকসেনাদের সাথে দেখা করার জন্য আসছিল এই সংবাদ মুক্তিযােদ্ধারা পূর্বেই পেয়ে যায়। |...

কোটালীপাড়া থানা দখল

কোটালীপাড়া থানা দখল কোটালীপাড়া থানায় পুলিশ ও রাজাকাররা নদীর অপর পাড়ে মসজিদে ও সরকারী গুদামে থাকত। ক্যাপ্টেন বাবুল ও হেমায়েত উদ্দীন মিলিতভাবে কোটালী পাড়া থানায় অবস্থানরত পুলিশ ও রাজাকারদের উপর আক্রমণ চালায়। দুশ আটাত্তরজন মুক্তিযােদ্ধা এবং দুটি দু’ইঞ্চি...

1971.09.02 | ভাটিয়াপাড়ার আরও একটি যুদ্ধ

ভাটিয়াপাড়ার আরও একটি যুদ্ধ ২রা সেপ্টের, ১৯৭১ মুজিববাহিনীর কমান্ডার ইসমত কাদির গামার নেতৃত্বে প্রায় ৩০ জন মুক্তিযােদ্ধা ভাটিয়াপাড়া অয়ারলেস স্টেশনে পাকসেনাদের উপর আক্রমণ করে। সারারাত দু’পক্ষের মধ্যে বিরামহীনভাবে গুলি বিনিময় হয়। কিন্তু পাকসেনাদের তেমন কোন ক্ষতি...

ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ

ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ ফরিদপুর জেলায় মুক্তিবাহিনীর সাথে খান সেনাদের যে কটি বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ তার মধ্যে অন্যতম। সেখানে ওয়ারলেস ষ্টেশন দখলে রাখার জন্য পাকসেনাদের একটি শক্তিশালী দল মােতায়েন ছিল। ভাটিয়া পাড়ায় স্থানীয়  জনসাধারণের উপর...

টেকেরহাটে পাকসেনাদের সহিত যুদ্ধ

টেকেরহাটে পাকসেনাদের সহিত যুদ্ধ পাকসেনারা নদীর দক্ষিণ পাড় দিয়ে ট্রেন্স তৈরি করে দিনের বেলায় ডিফেন্স নিয়ে থাকত। আর রাতে তারা সি এন্ড বি ডাকবাংলায় এসে রাত্রি যাপন করত। এখানে প্রায় ৬৫ জন পাকসেনা মজুবত বাংকারে ডিফেন্সে থাকত। ভারত থেকে প্রায় ৩০ জন এফএফ...

হানাদার বাহিনী কর্তৃক টেকেরহাট দখল

হানাদার বাহিনী কর্তৃক টেকেরহাট দখল ফরিদপুর হতে ২৩শে এপ্রিল ট্রাকযােগে পাকসেনারা প্রথম আসে। তারা টেকেরহাট বাজারের উত্তর পাড়ে নামে। রাজৈর থানা আওয়ামী লীগ সেক্রেটারী শওকত আলী হাওলাদার, আওয়ামী লীগ কর্মী শাহজাহান সর্দার ও হারুন-অর-রশিদ মােল্লার নেতৃত্বে একদল...

ভাটিয়াপাড়া পাকসেনাদের আত্মসমর্পণ

ভাটিয়াপাড়া পাকসেনাদের আত্মসমর্পণ গােপালগঞ্জ শহরে পাকসেনাদের আগমনের সময়কাল হতেই একজন পাঞ্জাবী সাবইনসপেক্টর অব পুলিশের অধিনায়কত্বে পাকসেনা ও পাক মিলিশিয়া পুলিশ সময়ে প্রায় ৪০ জন ভাটিয়াপাড়া ওয়ারলেস স্টেশন পাকসেনাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিরাপত্তা ফৌজ হিসাবে...

সিকির বাজারের যুদ্ধ

সিকির বাজারের যুদ্ধ গােপালগঞ্জ মহকুমায় আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল কোটালীপাড়ার সিকির বাজারে হাবিলদার হেমায়েত উদ্দীনের অধিনায়কত্বে। এখানে হেমায়েত পাকসেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। তারা বর্ষাকালে গানবােটে খুলনা হতে সিকির বাজারে এক অভিযানে রওয়ানা হয়। কমান্ডার...

দিকনগর ব্রীজের যুদ্ধ

দিকনগর ব্রীজের যুদ্ধ পাকহানাদার বাহিনীর একটি মজবুত ঘাঁটি ছিল দিকনগর ব্রীজ। ব্রীজে এবং ব্রীজের নিচ দিয়ে প্রবাহিত কুমার নদী নিয়ন্ত্রণে রাখাই ছিল পাকসেনাদের দায়িত্ব। মুক্তিযােদ্ধারা বহু দিনপূর্ব হতেই দিকনগর ব্রীজে অবস্থানরত পাকসেনাদের আক্রমণ করে ব্রীজে হানাদার বাহিনীর...

মুকসুদপুর থানার বামনডাঙ্গা বাজারের যুদ্ধ

মুকসুদপুর থানার বামনডাঙ্গা বাজারের যুদ্ধ   মুক্তিফৌজ কমান্ডার আশরাফউজ্জামান কোহিনুরের দলের সাথে মুকসদপুর থানার বামনডাঙ্গা বাজারে ৯ই অক্টোবর দুপুর ১.৩০ মিনিটে পাকহানাদারবহিনীর এক রক্তক্ষয়ী সম্মুখ যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ঘটনার বিবরণ কোহিনুরের নিজের বর্ণনা মতে, সে মুক্তিফৌজ...