You dont have javascript enabled! Please enable it!

আবীর পাড়া বধ্যভূমি

আবীর পাড়া বধ্যভূমি বেগমগঞ্জের আবীর পাড়ায় পাকবাহিনী বহু লোককে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ কোষ, দ্বিতীয় খণ্ড – মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত, পৃ.-৩৮; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ- ডাঃ এম এ হাসান, পৃ.-৩৮৯; একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর...

সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি

সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি বেগমগঞ্জের সদর হাসপাতালের উত্তর-পূর্ব পার্শ্বে রয়েছে বধ্যভূমি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ কোষ, দ্বিতীয় খণ্ড – মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত, পৃ.-৩৮; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ- ডাঃ এম এ হাসান, পৃ.-৩৮৯; একাত্তরের...

কালীবাবু গ্যারেজ বধ্যভূমি

কালীবাবু গ্যারেজ বধ্যভূমি বেগমগঞ্জের কালীবাবুর গ্যারেজের সামনের ডোবা একটি বধ্যভূমি। বর্তমানে এখানে সমবায় অফিস খোলা হয়েছে। এই দোতলায় ছিল রাজাকার ক্যাম্প। স্থানীয় লোকজন জানান, প্রতিরাতেই মানুষ ধরে এনে এখানে হত্যা করা হতো। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল রাজাকার মুনীর,...

চৌমুহনী দীঘি বধ্যভূমি

চৌমুহনী দীঘি বধ্যভূমি নোয়াখালিতে চৌমুহনী দীঘির দক্ষিণপাড়েও পাওয়া গেছে অসংখ্য মানুষের লাশ। এখন যেখানে রোডস এন্ড হাইওয়ে স্টোর তার ঠিক দক্ষিণ দিকে অগুনতি স্বাধীনতাকামী মানুষের লাশ বালির নিচে চাপা দেওয়া হয়েছিল। এখান থেকে বহু মানুষের হাড়গোড় ও মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়।...

কালাপোল সেতু বধ্যভূমি

কালাপোল সেতু বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানিদের গতিরোধ করার জন্য ২০ এপ্রিল কালাপোল সেতুটি ভেঙে দেয়। কিন্তু তাতে হানাদারদের ঠেকানো যায়নি। পরবর্তীতে এই কালাপোল সেতু এবং চৌমুহনীর চৌরাস্তায় অবস্থিত পলিটেকনিক্যাল হাইস্কুলটি নোয়াখালির সর্ববৃহত জল্লাদখানা বা কসাইখানায়...

সোনাপুর, শ্রীপুর ও মহব্বতপুর গণহত্যা

সোনাপুর, শ্রীপুর ও মহব্বতপুর গণহত্যা একাত্তরের ১৫ জুন পাক হানাদার বাহিনী ও তাঁদের দোসর রাজাকার আলবদর বাহিনী নোয়াখালী সদর উপজেলার সোনাপুর, শ্রীপুর ও মহব্বতপুরে নির্বিচারে হত্যা ও ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। ২৫ মিনিট স্থায়ী হানাদারদের এ তাণ্ডবে ১১৮ জন...

গোপালপুর গণহত্যা

গোপালপুর গণহত্যা নোয়াখালিতে বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর বাজারে ৫৪ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে পাক সেনারা। একাত্তরের ১৯ অগাস্ট সকালে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় সেনারা বাজারে প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ডে বেঁচে যাওয়া সত্তরোর্ধব হাফেজ আজিজুর রহমান বলেন, “১৯ অগাস্ট সকাল সাড়ে...

পূর্বধলা পুকুরিয়াকান্দা বধ্যভূমি

পূর্বধলা পুকুরিয়াকান্দা বধ্যভূমি পূর্বধলা উপজেলা সদরের পুকুরদিয়া এলাকায় ধলাই নদীর পাড়ে পূর্ব্ধলা পুকুরিয়াকান্দা বধ্যভূমিটি। এই বধ্যভূমিতে হানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ হয়েছেন অসংখ্য নিরীহ মানুষ। এখানে ৮/১০ জনকে একই রশিতে বেঁধে হানাদাররা গুলি চালাতো। এই বধ্যভূমিতে কাছিম...

চল্লিশা রেল সেতু বধ্যভূমি

চল্লিশা রেল সেতু বধ্যভূমি নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা বাজারের পাশেই রেল সেতু এলাকায় চল্লিশা রেল সেতু বধ্যভূমিটি। এখানে প্রায় প্রতি রাতেই পাক সেনারা লোকজনদের গুলি করে হত্যা করত। হত্যার পর মগড়া নদীতে লাশ ফেলে দিতো। এই বধ্যভূমিতে হত্যাকাণ্ডের শিকার কারও পরিচয় পাওয়া...

ঘোড়াইল বধ্যভূমি

ঘোড়াইল বধ্যভূমি কেন্দুয়া-নেত্রকোনা সড়কের সেনের বাজারের কাছে ঘোড়াইল গ্রামে ঘোড়াইল বধ্যভূমিটি। ১৯৭১ সালে ৫ সেপ্টেম্বর রোববার স্থানীয় দালালের সহায়তায় ধরে এনে এখানে একসঙ্গে ৬জনকে গুলি করে হত্যা করে পাক সেনারা। শহীদরা হচ্ছেন-ধীরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী, রমেশ চন্দ্র বনিক,...