You dont have javascript enabled! Please enable it!

কেতনার বিল

কেতনার বিল ১ জ্যৈষ্ঠ রোববার সকালে প্রাণ বাঁচাতে পালাতে গিয়ে পাক বাহিনীর গুলিতে আগৈলঝাড়ায় শত শত নারী পুরুষ কেতনার বিলে শহীদ হয়। পাক বাহিনীর ভয়ে ঘটনার দিন সকালে চেংগুটিয়া এলাকা দিয়ে হাজার হাজার মানুষ জীবন কেতনার বিল পাড়ি দিয়ে উপজেলার কোদালধোয়া, রামানন্দেরআক, বাকাল...

মোসলেম মিয়ার বাড়ি বধ্যভূমি

মোসলেম মিয়ার বাড়ি বধ্যভূমি সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নে মোসলেম ম্যার বাড়িতে হানাদাররা হানা দিয়ে যাকে পেয়েছে তাকে হত্যা করেছে। এই বাড়িতে ৪০ জনকে হত্যা করে পাক সেনারা। (সূত্র: সাংবাদিক সুশান্ত...

ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি

ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধের সমর্থনকারী কিংবা পাকিস্তানের বিরোধীতাকারীদের হত্যা করা হতো ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ডের পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি পরিত্যক্ত ভবনে। এটি অবস্থান: বরিশাল নগরীর ১২ নং ওয়ার্ডে। পরে তাঁদের নদীর তীর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ফেলে রাখা হতো।...

মন্নান হাওলাদারে বাড়ির বধ্যভূমি

মন্নান হাওলাদারে বাড়ির বধ্যভূমি বরিশালে পাক বাহিনী ২৫ এপ্রিল প্রথমে আসে। ঝুনাহার নদীর দুই প্রবেশ পুথে নোঙ্গর করে থাকা ইরানী অ মাজভী নামে দুইটি স্টিমার জঙ্গী বিমান থেকে বোমা নিক্ষিপ্ত করে দুবিয়ে দেয়। পরে আরো দুই হেলিকপ্টারে এসে পাক সেনারা তালতলী এলাকায় এসে অবতরন করে।...

সিংড়াবুনিয়া গ্রামে বধ্যভূমি

সিংড়াবুনিয়া গ্রামে বধ্যভূমি ঝোপ-জঙ্গলে ঘেরা বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের সিংড়াবুনিয়া গ্রামে সাত শহীদদের গণকবর। দেখলে বোঝার উপায় নেই এখানে ঘুমিয়ে আছে একাত্তরে নির্মম হত্যার শিকার হওয়া সাত শহীদ। বধ্যভূমি হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও পরিষ্কার হয়নি ঝোপ-জঙ্গল আর...

জেলখানার বধ্যভূমি ও গণকবর

জেলখানার বধ্যভূমি ও গণকবর বিষখালী নদী তীরে হত্যাকাণ্ডের সময় পাথরঘাটার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লক্ষণ দাস, তার ছেলে কৃষ্ণ দাস, অরুণ দাস ও স্বপন দাসকে ধরে এনে বরগুনা কারাগারে আটক রাখা হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থানের কারণে সাবেক সিও আতিকুলাহ, এস আই আবদুল মজিদ, সিপাহী আড়ি...

বিষখালী নদীর তীরের বধ্যভূমি

বিষখালী নদীর তীরের বধ্যভূমি ২৬ এপ্রিল তৎকালীন বরগুনা মহাকুমা সদর পাক বাহিনী দখলে নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা বরগুনা ছেড়ে লোকালয়ে যাওয়ায় মুসলিমলীগ, জামায়াত ও অন্যান্য পাকিস্তানপন্থিরা বরগুনা শহর আধিপত্য পায়। সাবেক মুসলিমলীগ নেতা এম এন এ আবদুল আজিজ মাস্টার ও পাথরঘাটার তাহের...

ধুনটের গণকবর

ধুনটের গণকবর ১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর। বগুড়ার ঘুনট উপজেলার সেই গণহত্যার কথা এখনও মানুষ মনে রেখেছে। সাধারণ মানুষ ঐ ভয়াল দিনের কথা মনে রাখলেও আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি ও বেসরকারি এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে গণকবরে স্থানে কোন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় না। অযত্ন অবহেলায়...

সাধুর আশ্রম বধ্যভূমি

সাধুর আশ্রম বধ্যভূমি কেউ বলে গাঙ্গুলী বাগান বললেও বগুড়া সদরের সেউজগাড়ী এলাকায় জায়গাটি এখন সাধুর আশ্রম নামেই পরিচিত। ১৯৭১ সালে ঐ সাধুর আশ্রমে পাক সেনারা ৩ সাধুকে হত্যা করে। এঁরা হলেন, সুন্দর সাধু, মঙ্গল সাধু ও মুনেন্দ্রনাথ সরকার। সদ্য প্রয়াত বগুড়ার প্রবীণ সাংস্কৃতিক...

রেলওয়ে কলোনীর বধ্যভূমি

রেলওয়ে কলোনীর বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৩০ এপ্রিল। দিনটি ছিল শুক্রুবার। রেল কলোনির পুকুরপাড়ে ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে পাক সেনারা। এঁরা হলেন, আব্দুস সাত্তার (অটিডর এজি অফিস ঢাকা), দুই সহোদর মাওলানা আবদুল কাদের ও আব্দুস সালাম, আবদুল গণি (অব. জেলা পরিদর্শক সমবায় সমিতি), আবদুল...