You dont have javascript enabled! Please enable it!

শিবগঞ্জে মজুমদার পাড়া বধ্যভূমি

শিবগঞ্জে মজুমদার পাড়া বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাটায় মজুমদার পাড়ায় ঘটে যাওয়া সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা এখনও মনে রেখেছে শিবগঞ্জবাসী। সেখানে এক সঙ্গে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা করে পাক সেনারা ও রাজাকাররা। শিবগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা...

রেজুমিয়া সেতু বধ্যভূমি

রেজুমিয়া সেতু বধ্যভূমি ফেনীর ছাগলনাইয়ার রেজুমিয়ার সেতু এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১৪৫; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ- ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৩৯১; মুক্তিযুদ্ধ কোষ, দ্বিতীয় খণ্ড-...

কুটিরহাট সেতু বধ্যভূমি

কুটিরহাট সেতু বধ্যভূমি ফেনীর কুটিরহাট সেতু এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। এখানে প্রায় ১১৩৪ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যা করা হয়। এখানে পুলের নিচে অসংখ্য কঙ্কাল পাওয়া যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১৪৫; যুদ্ধাপরাধ...

মাতুভূইয়া সেতু বধ্যভূমি

মাতুভূইয়া সেতু বধ্যভূমি ফেনীর মাতুভূইয়া সেতু এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১৪৫; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ- ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৩৯১; মুক্তিযুদ্ধ কোষ, দ্বিতীয় খণ্ড- মুনতাসীর...

দাগনভূইয়া সেতু বধ্যভূমি

দাগনভূইয়া সেতু বধ্যভূমি ফেনীর দাগনভূইয়া এলাকা ব্যবহার করা হয়েছে বধ্যভূমি হিসেবে। এখানে অসংখ্য মানুষের কঙ্কাল ও মাথার খুলি পাওয়া গেছে। এখানে কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে তার পরিসংখ্যান জানা যায়নি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর –...

কালিদহ-পাহালিয়া সেতু বধ্যভূমি

কালিদহ-পাহালিয়া সেতু বধ্যভূমি ফেনীর রেলওয়ে কালিদহ-পাহালিয়া সেতু ছিল একটি বধ্যভূমি। কালিদহ ইউনিয়নের কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার আশেপাশের গ্রাম থেকে মুক্তিযোদ্ধা সন্দেহে বাঙালিদের ধরে হাত –পা বেঁধে দুটি রেল বগিতে তোলা হতো। তারপর রেলবগির পেছন দিক থেকে রেলের ইঞ্জিন বগি...

দাউদপুর সেতু বধ্যভূমি

দাউদপুর সেতু বধ্যভূমি ফেনী নদীর ওপর নির্মিত দাউদপুর সেতু এবং তার তলদেশে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। বিভিন্ন স্থান থেকে বাঙালিদের ধরে এনে ব্রিজের উপর দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হতো। ফেনী কলেজের জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ফজলুল হককে এখানে হত্যা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

রেলওয়ে স্টেশন বধ্যভূমি

রেলওয়ে স্টেশন বধ্যভূমি একাত্তরের মে মাসে পাক বাহিনী ফেনী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন ডোবায় বহু লোককে ধরে এনে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ দলিলপত্র, অষ্টম খণ্ড- হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত, পৃ.-৫৫৮; মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাস...

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বধ্যভূমি

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বধ্যভূমি বর্তমান ফেনী উপজেলা অফিসের পার্শ্ববর্তী ফেনী পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক সন্দেহে ধরে এনে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। স্বাধীনতার পর এখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অসংখ্য মানুষের...

ফেনী কলেজ বধ্যভূমি

ফেনী কলেজ বধ্যভূমি ফেনী কলেজের মাঠ ছিল পাকিস্তানিদের নির্যাতন কেন্দ্র। বিভিন্ন স্থান থেকে স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের ফেনী কলেজে ধরে এনে চালানো হতো অমানুষিক নির্যাতন। এরপর হতভাগ্যদের হত্যা করে কলেজ মাঠে মাটিচাপা দেওয়া হতো। ৬ ডিসেম্বর ফেনী পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত হলে...