You dont have javascript enabled! Please enable it!

জয়বাংলা বধ্যভূমি

জয়বাংলা বধ্যভূমি জয়বাংলা বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দুঃসহ স্মারক। শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে সিন্দুরখান বাজারের প্রবেশ পথে চা বাগানের সাড়ে তিন একর জমি নিয়ে এ বধ্যভূমি। এ বধ্যভূমিতে পাক বাহিনীর...

বেরি লেকের গণকবর

বেরি লেকের গণকবর ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ স্থানীয় জনসাধারণ সান্ধ্য আইন ভেঙে পাকসেনাদের প্রতিরোধ করতে মনু নদীর সেতু দিয়ে এগিয়ে যেতে চাইলে পাক সেনারা গুলি করে লোকজনকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে পাক সেনারা শহরের সৈয়ারপুর এলাকার একটি ইটখোলা শ্রমিকদের ডেরায় ঢুকে নির্বিচারে ব্রাশ...

মেহেরপুর কালাচাঁদপুর বধ্যভূমি

মেহেরপুর কালাচাঁদপুর বধ্যভূমি ৭১ সালে রাজাকারদের ইন্ধনে এ কালাচাঁদপুরে পাকবাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। এই এলাকায় অধিকাংশের বাড়ি পাকবাহিনী পুড়িয়ে দেয়। অর্ধশত মুক্তিযোদ্ধাকে ধরিয়ে দেয় রাজাকাররা। পাকবাহিনী এই সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে চোখ বেঁধে একটি ঘরে নিয়ে সেখানে গুলি করে...

তেড়ঘড়িয়া বধ্যভূমি

তেড়ঘড়িয়া বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধকালে অনেকেই মেহেরপুর সদর উপজেলার এখানকার সীমান্ত দিয়ে ভারতে আশ্রয়ের জন্য গেছে। এ সময় পাক বাহিনীর হাতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ নারী-পুরুষ ধরা পড়ে। তেড়ঘড়িয়া গ্রামের বিল কুলবতী স্থানে জড়ো করে পাক বাহিনী এঁদের প্রকাশ্যে গুলি করে। পরে একটি...

মেহেরপুর ভকেশনাল বধ্যভূমি

মেহেরপুর ভকেশনাল বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন মেহেরপুর ভকেশনাল ট্রেনিং কলেজটি পাক বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ছিল। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের চোখ বেঁধে ধরে এনে এখানে নির্যাতন করা হত। নির্যাতন শেষে শত শত মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করে লাশ ট্রাক বোঝাই করে নিয়ে...

জোড়পুকুরিয়া বধ্যভূমি

জোড়পুকুরিয়া বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ২৮ জুলাই মেহেরপুরের গাংনী থানাধীন মেহেরপুর-কুষ্টিয়া-সড়কের জোড়পুকুরিয়া ষোলটাকা রাস্তার সংযোগস্থল এলাকা তেতুলবাড়িয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে গমনকারী শত শত নারী-পুরুষ-শিশুওকে পাক হানাদার বাহিনীরা নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।...

গোরস্থান পাড়া বধ্যভূমি

গোরস্থান পাড়া বধ্যভূমি একাত্তরে যুদ্ধকালীন মেহেরপুরের গোরস্থান পাড়ায় পাক হানাদার বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি ছিল। স্বাধীনতার পর এখান থেকে উদ্ধারকৃত মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় অন্যান্য গণকবর থেকে উদ্ধারকৃত হাড়গোড়ের সঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় গণকবরে রাখা হয়। পৌর...

বাসস্ট্যান্ড বধ্যভূমি

বাসস্ট্যান্ড বধ্যভূমি মেহেরপুরের বাসস্ট্যাণ্ড এলাকায় ছিল পাকবাহিনীর একটি বধ্যভূমি। এখানে পাক হানাদাররা বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত বহু যাত্রীদের ধরে নিয়ে হত্যা করে। কিন্তু এই স্থানটির কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। সেই এলাকাতেই এখন বাসস্ট্যাণ্ড গড়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পর এখানে...

ওয়াপদা মোড় বধ্যভূমি

ওয়াপদা মোড় বধ্যভূমি মেহেরপুর ওয়াপদা মোড় ছিল পাকবাহিনীর অন্যতম বধ্যভূমি। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন ধরে এনে এই বধ্যভূমিতে হত্যা করেছে পাকহানাদার বাহিনী। এখানে শহর ও তার আশপাশ এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের জড়ো করে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখা হয়। মেহেরপুর শহর মুক্ত হবার পর...

মেহেরপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় বধ্যভূমি

মেহেরপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় বধ্যভূমি মেহেরপুর জেলা প্রশাসন কার্যালয় চত্বর ছিল পাকবাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা, ইছাকালী ও গোভীপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে পুঁতে রাখা হয়। যুদ্ধ শেষে এখান থেকে বহু নরকঙ্কাল...