You dont have javascript enabled! Please enable it!

বড়বাড়ি বধ্যভূমি

বড়বাড়ি বধ্যভূমি মৌলভীবাজার শহর থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে বড়বাড়িতে এ বধ্যভূমি। এ বধ্যভূমি সম্পর্কে ‘দৈনিক পূর্বদেশ’ ও ‘দৈনিক সংবাদ’- এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘এখানে যে কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা আজও জানা যায়নি’। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

মৌলভীবাজার কোর্ট এলাকার পিটিআই বধ্যভূমি

মৌলভীবাজার কোর্ট এলাকার পিটিআই বধ্যভূমি মৌলভীবাজার প্রাইমারি টিচার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) ছিল পাক হানাদার বাহিনীর ব্রিগেড হেড কোয়ার্টার। এখানে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনকে ধরে এনে নির্যাতন চালানো হত। এখনও মুখে মুখে শোনা সেই...

কুলাউড়া রেলওয়ে ক্রসিং বধ্যভূমি

কুলাউড়া রেলওয়ে ক্রসিং বধ্যভূমি স্বাধীনতার পর কুলাউড়া রেল স্টেশনের দক্ষিণে রেল লাইনের পুব পাশে আবিষ্কৃত হয় এ বধ্যভূমি। এখানে একটি কবর থেকে চল্লিশটি নরকঙ্কাল পাওয়া যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৩৯১-৩৯২;...

সাধুবাবার বটতলা বধ্যভূমি

সাধুবাবার বটতলা বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বর্তমান বিজিবি ক্যাম্প ছিল পাক সেনাদের ক্যাম্প। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা সুদর্শন, মুকিত, রানু, সমর, শহীদকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তাঁদের লাশ পাওয়া যায়নি। ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় সাধুবাবার বটগাছতলাকে...

রাহামারা (ভাড়াউড়া) বধ্যভূমি

রাহামারা (ভাড়াউড়া) বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ১ মে শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেহ সংলগ্ন ভাড়াউড়া চা বাগানের রাহামারায় ৫০ জন নিরীহ চা শ্রমিককে পাক সেনারা লাইন করে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এসবস শ্রমিককে উচ্চ মজুরিতে বাংকার খনন ও সামরিক প্রশিক্ষণের কথা বলে জড়ো করা হয়। সড়কের পাশে...

শেরপুর জেটি বধ্যভূমি

শেরপুর জেটি বধ্যভূমি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে শেরপুর জেটিতে পাক হানাদার বাহিনীর বর্বতার সাক্ষী একটি বধ্যভূমি রয়েছে। এখানে প্রায় দু’হাজার লোককে হত্যা করা হয়। লাশগুলো কুশিয়ারা নদীতে নিক্ষেপ করা হতো। হানাদার বাহিনী শেরপুরকে সুরক্ষিত দুর্গ গড়ে তোলার জন্য এই জেটিতে...

পূর্ববাশা বধ্যভূমি

পূর্ববাশা বধ্যভূমি শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদরের ভূড়ভূড়িয়া চা বাগানের পাশে পুর্বাশা আবাসিক এলাকায় চা শ্রমিকরা বাস করতেন। শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি গোপাল দেব চৌধুরী জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ববাশার দেওয়ান সামসুল ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে রাজাকারদের সহযোগিতায় ৮...

শাহবন্দর বধ্যভূমি

শাহবন্দর বধ্যভূমি মৌলভীবাজার শহরতলীর শাহবন্দর এলাকায় ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ পাক বাহিনীর গুলিতে তারা মিয়া নামে এক গ্রামবাসী শহীদ হন। পরবর্তীকালে শাহবন্দর এলাকার তরুনদের উদ্যোগে গঠিত শাপলা ডি-এক্স ক্লাবের উদ্যোগে তার শহীদ হাওয়ার স্থানটিতে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছিল।...

পাত্রকলা বধ্যভূমি

পাত্রকলা বধ্যভূমি কমলগঞ্জ উপজেলা সীমান্তে পাত্রকলা চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলো পাকবাহিনীর শক্তিশালী ক্যাম্প ছিল। এখানে ছিল ৭-৮টি বাংকার। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এখানে মুক্তিকামী  অসংখ্য মানুষকে ধরে এনে পাকসেনারা ক্যাম্পে বন্দী করে নির্যাতন চালাতো তারা। ক্যাম্পের...

চৈত্রাঘাট বধ্যভূমি

চৈত্রাঘাট বধ্যভূমি কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর তীর ঘেঁষা চৈত্রাঘাট গ্রামে এ বধ্যভূমি। বীরাঙ্গনা আরিনা বেগমের স্বামী আব্দুল মোতালেব জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাক হানাদাররা চৈত্রাঘাট ও আশপাশ গ্রামের ১৩ জনকে এখানে এনে গুলি করে হত্যা...