You dont have javascript enabled! Please enable it!

খেয়াঘাট বধ্যভূমি

খেয়াঘাট বধ্যভূমি এছাড়া পাক বাহিনী ভোলায় তাঁদের নির্যাতন কেন্দ্রে অনেককে নির্যাতন শেষে চারদিক বন্ধ গাড়িতে করে নিয়ে যেন ভোলা খেয়া ঘাটে। সেখানে তাঁদের লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে ফেলে দেওয়া হতো। এখানে লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে মারার পর ২/১ জন বেচেও গেছে। ভোলার বধ্যভূমিতে...

পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা কলোনি) বধ্যভূমি

পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা কলোনি) বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ২রা মে পাক বাহিনী ভোলা শহরে প্রবেশ করে বর্তমান ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-১ এর প্রাঙ্গণে অতিথিশালায় (রেস্ট হাউজ) তাঁদের ক্যাম্প স্থাপন করে। এছাড়া এই পানি উন্নয়ন বিভাগের প্রাঙ্গণের বিভিন্ন ভবনের ছাদে বালির বস্তা ব্যষ্টিত...

খারঘর বধ্যভূমি

খারঘর বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংগঠিত গণহত্যাগুলোর অন্যতম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের খারঘর গণহত্যা। ১৯৭১ এর ১০ অক্টোবর সকালে বড়াইল ও খারঘর গ্রামে অভিযান চালায় পাকসেনারা। কয়েক ঘন্টার এ অভিযানে তারা ৫৩ জন নারীপুরুষকে হত্যা করে। আহত হয় ১১৭ জন।...

পৈরতলা বধ্যভূমি

পৈরতলা বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার অন্তর্গত পৈরতলা গ্রামের পশ্চিম- দক্ষিণ প্রান্তে তিনটি বিরাট গর্ত আবিষ্কৃত হলে দেখা যায় প্রতিটি গর্তে গাদাগাদি অবস্থায় শত শত মানুষের দেহাবশেষ পড়ে আছে। পৈরতলা গ্রামটি পৌরসভার পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। এই গর্তগুলো একটি নির্জন এলাকার...

কুরুলিয়া খাল বধ্যভূমি

কুরুলিয়া খাল বধ্যভূমি যুদ্ধে পরাজয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে ৬ ডিসেম্বর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগার থেকে বের করে গাড়িতে তুলে ৪০ জনকে বধ্যভূমির দিকে যখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেনের ছোট ভাই আফজল হোসেন ওইসব জল্লাদের অনেক অনুনয়-বিনয় করে বলেছিলেন, “তোমরা...

দাতিয়ারা বধ্যভূমি

দাতিয়ারা বধ্যভূমি দেশ শত্রুমুক্ত হবার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ দাতিয়ারা বধ্যভূমির গণকবর খুঁড়ে ১২ জন শহীদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় নাটাই গ্রামের শহীদ আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস সাত্তার এবং বধ্যভূমি থেকে বেঁচে যাওয়া আবরু খান সহ এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে গণকবরটি চিহ্নিত করা...

ওয়াপদা বধ্যভূমি

ওয়াপদা বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে ওয়াপদা বধ্যভূমি ছিল কুখ্যাত। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিরীহ নিরস্ত্র লোকজনকে এখানে এনে হাত-পা-চোখ বেঁধে হত্যা করা হতো। ৯ অগাস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া থানার উলচাপাড়া গ্রামে পাক বাহিনী অতর্কিত হামলা চালায়। উলচাপাড়া জামে মসজিদের...

মহাবিদ্যালয় বধ্যভূমি

মহাবিদ্যালয় বধ্যভূমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া কলেজ প্রাঙ্গণে এবং কলেজের পশ্চিম পাশের দানা মিয়ার বড়িতে (বর্তমানে ফুড অফিস নামে পরিচিত) পাক বাহিনীর নির্যাতন ক্যাম্প ছিল। এখানে বহু মানুষকে ধরে এনে দিনের পর দিন নির্যাতন করে বিভিন্ন বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। কলেজ চত্বরেও বহু...

চিতলমারি বধ্যভূমি

চিতলমারি বধ্যভূমি বাগেরহাটের কচুয়া-মোল্লারহাট থানার কেন্দ্রস্থলে মধুমতি নদীর তীরে চিতলমারির অবস্থান। যুদ্ধচলাকালীন চিতলমারি কচুয়া থানার অন্তর্গত ছিল, বর্তমানে এটি পৃথক থানা। যুদ্ধ শুরুর প্রথম থেকেই এটি একটি মুক্তাঞ্চল ছিল। এখানে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প ছিল। রাজাকারদের...

দেপাড়া বধ্যভূমি

দেপাড়া বধ্যভূমি বাগেরহাট জেলার দেপাড়া থানায় রয়েছে বধ্যভূমি। এখানে পাকহানাদার বাহিনী হত্যাকান্ড ঘটায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৪৩১, ৪৪৪; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৩৯৫;...