You dont have javascript enabled! Please enable it!

দমদমা সেতু বধ্যভূমি

দমদমা সেতু বধ্যভূমি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে দুই মাইল দক্ষিণ-পূর্বে দমদমা সেতুর নিচে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে ৩০ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের শিক্ষক রামকৃষ্ণ অধিকারী, কালাচাঁদ রায়, সুনীলবরণ চক্রবর্তী, চিত্তরঞ্জন রায়সহ আরও অনেককে হত্যা করা হয়। প্রায় প্রতিদিন...

বৈরাগীগঞ্জ বধ্যভূমি

বৈরাগীগঞ্জ বধ্যভূমি রংপুরের বৈরাগীগঞ্জে পাকবাহিনীর একটি বধ্যভূমি ছিল। এখানে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৫; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৪১৫-৪১৭; দৈনিক...

নিশবেতগঞ্জ বধ্যভূমি

নিশবেতগঞ্জ বধ্যভূমি স্বাধীনতার পর রংপুরের নিশবেতগঞ্জ সেতু এলাকার সর্বত্র মানুষের খুলি ও কঙ্কাল পড়ে থাকতে দেখা যায়। পীরগঞ্জের তহশিলদার আহমদ আলী এখানে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করতে দেখেছেন। ১ এপ্রিল রাত ১১টায় এখানে একে একে ১২ জনকে হত্যা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

নাবিরহাট বধ্যভূমি

নাবিরহাট বধ্যভূমি রংপুরের বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে নাবিরহাট বধ্যভূমি অন্যতম। এখানে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৫; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম এ হাসান, পৃ.-৪১৫-৪১৭;...

জাফরগঞ্জ পুল বধ্যভূমি

জাফরগঞ্জ পুল বধ্যভূমি রংপুরের জাফরগঞ্জের পুল ছিল পাক হানাদার বাহিনীর একটি বধ্যভূমি। এখানে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। এই পুলের ওপর দুই দিনে ১০ জনকে হত্যা করা হয়। সেতুর কাছে বসবাসকারী মেহের উদ্দিন ও তার ছেলে এহসান উদ্দিন ১৯৭২ সালে এই তথ্য জানান। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর...

ঘাঘট নদী তীর বধ্যভূমি

ঘাঘট নদী তীর বধ্যভূমি রংপুর শহরে ছিল পাকবাহিনীর ২৩তম ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার। ২৩ মার্চ পাকসেনা অফিসার অবাঙালি লে. আব্বাসের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রংপুর এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ২৮ মার্চ হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ তীর-ধনুক-বল্লম-লাঠি-দা-কুড়াল ও বাঁশের লাঠি হাতে...

রংপুর সেনানিবাস গণকবর

রংপুর সেনানিবাস গণকবর রংপুর সেনানিবাসের পাশেই রয়েছে একটি গণকবর। এই গণকবরটিতে পাকবাহিনী বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং বাঙালি ইপিআর সদস্যসহ প্রায় ২শ’ ব্যক্তির লাশ পুঁতে রাখে। প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, ‘স্বাধীনতার পর এখান থেকে প্রায় ১০ হাজার শহীদের লাশ উদ্ধার করা হয়’। ১২...

বেনাপোলের গয়ড়ার গণকবর

বেনাপোলের গয়ড়ার গণকবর শার্শা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু মাস্টার জানান, ১৯৭১ এর ২৩ এপ্রিল থেকে ১৫ দিন ধরে বেনাপোলের কাগজপুকুর ও গয়ড়া এলাকায় খানসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সামনাসামনি যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধে ১৫০ জন খানসেনা নিহত হয় এবং ১০ জন...

জামতলার গণকবর

জামতলার গণকবর যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে জামতলা বাজারের কাছে ৭১’র একটি গণকবর রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটাকে পাঁচ কবর বা পাকা মাজার বলা হয়। জেলা সদর সড়ক পথে ৩৫ কিলোমিটার দূরে শার্শা উপজেলায় এটির অবস্থান। নভেম্বর কলারোয়ার পাচনলের মতিয়ার, রশিদ ও সামছুরকে ধরে নিয়ে যায় কলারোয়া...

বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয় ও বেত্রাবতী নদীর তীরে গণকবর

বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয় ও বেত্রাবতী নদীর তীরে গণকবর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাচীরের মধ্যে একটি গণকবর আছে। খানসেনারা ৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদেরকে বাগআচড়া বালিকা বিদ্যালয়ের পুব পাশে...