You dont have javascript enabled! Please enable it!

শার্শা থানার বধ্যভূমি ও গণকবর

শার্শা থানার বধ্যভূমি ও গণকবর শার্শা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মন্টু মাস্টার জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজনদের ধরে এনে খান সেনারা বুরুজবাগান হাসপাতালের উত্তর পশ্চিম কোণায় যেখানে এখনও তারের কাটার বেড়া দিয়ে ঘেরা আছে সেখানে...

নাভারনের গণকবর

নাভারনের গণকবর শার্শার নাভারনে পাকবাহিনি ও আলবদর বাহিনীর একটি শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। নাভারন জামে মসজিদের পশ্চিম পাশে উপজেলা ফুড অফিসের পিছনে ছিল তবি খান অফিস। প্রতিদিন সেখানে বসতো রাজাকার আলবদর বাহিনী আর খানসেনাদের মিলনমেলা। প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের...

কাশিপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর

কাশিপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর যশোর শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে সীমান্ত ঘেঁষা গ্রাম কাশিপুর। ’৭১ এর ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের ঝিকরগাছা গোয়ালহাটি গ্রামে পাক সেনাদের বিরুদ্ধে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ সহযোদ্ধাদের নিয়ে ছুটিপুর পাক হানাদার ঘাটিতে আঘাত আনেন। তুমুল সম্মুখ...

কপালিয়া খেয়াঘাট বধ্যভূমি

কপালিয়া খেয়াঘাট বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার ‘অপরাধে’ পাকিস্তানি বাহিনীর দোসররা মণিরামপুরের কপালিয়া এলাকার যুবকদের ৩ দিন আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করে। ’৭১ সালের ৫ অক্টোবর উপজেলার কপালিয়া খেয়াঘাটে ১২ জন যুবক ও ১ জন নারীকে হত্যা করে। ৫ অক্টোবর পর কয়েকদিনের...

অভয়নগর গণকবর

অভয়নগর গণকবর ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ ৭ ট্রাক ভর্তি লাশ নিয়ে যশোর-খুলনা মহাসড়ক দিয়ে নওয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ করে পাক সেনারা। এ সময় রেলওয়ে স্টেশনের রুস্তম আলী সরদার (গার্ড এ ডাউন এক্সপ্রেস), এস এম (গার্ড ৬৪ ডাউন প্যাসেঞ্জার), সালেহ আহমেদ, নওয়াব আলী (চেকার), আইনুল হক...

রূপদিয়া নীলকুঠি বধ্যভূমি যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া বাজারে ভৈরব নদের তীরে অবস্থিত উপ-মহাদেশের সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহৎ নীলকুঠি পরবর্তীতে ৭১ সালের বদ্ধভুমিটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। রূপদিয়ার এই নীলকুঠিকে অভিশপ্ত নীলকুঠি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বধ্যভূমিতে...

লোয়াইউনি বধ্যভূমি

লোয়াইউনি বধ্যভূমি মুক্তিযুদ্ধকালে কুলাউড়া উপজেলার লোয়াইউনি চা বাগানের হাটুভাঙ্গা পাহাড়ের কাছে পার্শ্ববর্তী রাজনগর উপজেলার মুন্সীবাজার, খলাগ্রাম ও করিমপুর চা বাগানের ৪ জনকে পাকসেনারা গুলি করে হত্যা করে। এছাড়াও এখানে যুদ্ধচলাকালে পাকসেনাদের মাইন বিস্ফোরণে মারা যান তিন...

খলাগাঁও বধ্যভূমি

খলাগাঁও বধ্যভূমি রাজনগর উপজেলার মনসুরনগর ইউনিয়নের পঞ্চেশ্বর গ্রামে ১ মে পাক হানাদার বাহিনী নগেন্দ্র নারায়ণ বিশ্বাস ও তার ভাতিজা মণি বিশ্বাসকে লঙ্গু ছড়ার পাড়ে গুলি করে হত্যা করে। একই দিনে পার্শ্ববর্তী মুন্সিবাজারে লুটপাট চালায় এবং গ্রামে ঢুকে সনৎ ঠাকুর। ছায়া শীল, খোকা...

উত্তর ঘরগাঁও বধ্যভূমি

উত্তর ঘরগাঁও বধ্যভূমি স্কুল শিক্ষক রজনী দেব, রমনী দেব, বিনোদ বিহারী শর্মা ও মগু দেবকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ঘরগাঁও প্রাইমারি স্কুলের পাশে গুলি করে হত্যা করে। (সূত্র: শহীদ রজনী দেবের ছেলে রঘুনন্দন...

জুড়ি জনতা ব্যাংক বধ্যভূমি

জুড়ি জনতা ব্যাংক বধ্যভূমি মৌলভীবাজারে জুড়ি উপজেলা সদরের জনতা ব্যাংক ভবনের পেছনে রয়েছে একটি পুকুর স্বাধীনতার পর এখানে অনেক নরকঙ্কাল পাওয়া যায়। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা জুয়াদ আলী, সফিকুর রবের কঙ্কাল চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। এছাড়া এখানে বহু বিকৃত লাশের মাঝে মেয়েদের শাড়ি,...