You dont have javascript enabled! Please enable it!

রহমতখালী নদী বধ্যভূমি

রহমতখালী নদী বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের মে মাসে পাকিস্তানি বাহিনীকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বৃহত্তর নোয়াখালী চৌমুহানি-লক্ষ্মীপুর সড়কের মাদা ঘাট এলাকার (বর্তমান সার্কটি হাউজ সংলগ্ন রায়পুর-ঢাকা মহাসড়ক) সেতুটি মুক্তি বাহিনী গ্রেনেড দিয়ে উঠিয়ে দেয়। এর কাছেই পাকবাহিনী একটি বেইলি...

বাগানবাড়ীর কুরুয়ারচর গণকবর

বাগানবাড়ীর কুরুয়ারচর গণকবর স্বাধীনতার পর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তৎকালীন বাগানবাড়ীর উত্তর দিকে কুরুয়ারচর নামক স্থানে একটি গভীর গর্ত থেকে ৭০টি লাশের হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়। এখানেই তাঁদের সমাধিস্থল সংরক্ষণ করা হয়েছে। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী শহীদ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন...

বাগানবাড়ি বধ্যভূমি

বাগানবাড়ি বধ্যভূমি লক্ষ্মীপুরের তৎকালীন বাগানবাড়িস্থ বর্তমান সদর উপজেলা বিএডিসির গুদামঘরটি রাজাকার, আলবদর, পাকসেনা ও মিলিশিয়া পুলিশের নির্যাতন কেন্দ্র ছিল। এখানে অসংখ্য নারী-পুরুষকে ধরে এনে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর শহীদদের লাশ আশপাশের গর্তে অথবা বাগানে পুঁতে...

বোয়ালদিয়া থানা সংলগ্ন বধ্যভূমি

বোয়ালদিয়া থানা সংলগ্ন বধ্যভূমি রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমি পাকবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগী আলবদর-রাজাকারদের সৃষ্টি। বোয়ালদিয়া থানার ২৫ গজ পূর্বে ঠিকাদার মুসলিম শাহের দ্বিতল বাড়ির পিছনে অবস্থিত এই বধ্যভূমি। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে রাজশাহী...

উপশহর সপুরা কলোনি বধ্যভূমি

উপশহর সপুরা কলোনি বধ্যভূমি রাজশাহী উপশহরে অবস্থিত সপুরা কলোনি। এই এলাকায় ছিল পাকিস্তান সেনা বাহিনীর মিনি ক্যান্টনমেন্ট। রাজশাহী সদরের এসিডও, পবা থানার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক দল ও অন্যান্যরা মিলে খনন কাক চালিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় একশ’টি গণকবরের সন্ধান পান। এই একশটি...

বোয়ালদিয়া বধ্যভূমি

বোয়ালদিয়া বধ্যভূমি রাজশাহীর বোয়ালদিয়া ছিল একটি বধ্যভূমি। ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকাস্থ সিআইডি ইন্সপেক্টর অব পুলিশ আবুল হোসেনের নেতৃত্বে এই বধ্যভূমিটি আবিষ্কৃত হয়। এই বধ্যভূমিটি অনুসন্ধানের পর এখানে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শওকত রেজার লাশসহ অন্যান্য...

জগিশ্বর গ্রাম গণকবর

জগিশ্বর গ্রাম গণকবর ১৯৭১ সালের মে মাসে পাকবাহিনী জগিশ্বর গ্রামে এসে শান্তি কমিটি গঠনের ফরমান জারি করা হবে। তাই গ্রামের সবাইকে আসতে হবে। ২৭ জন গ্রামবাসী হাজির হলো। আর কাউকে আসতে না দেখে পাকসেনারা ২৭ জনকেই হাত পেছনে রেখে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে বলল। এরপর ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি...

গগনবাড়িয়া গণকবর

গগনবাড়িয়া গণকবর রাজশাহীর গগনবাড়িয়া গ্রামের গণকবর ও বধ্যভূমিটি ব্যাপক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রমজানের প্রথম সপ্তাহের এক রাতে গগনবাড়িয়ার প্রায় ৫শ’ অধিবাসীকে ধরে এনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

শিরোইল গণকবর

শিরোইল গণকবর এপ্রিলের মাঝামাঝি সারা রাজশাহী তখন যুদ্ধের ভয়াবহতার স্থবির। রাজাকার, শান্তি বাহিনী ও বিহারীদের নিয়ে পাক হানাদাররা রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে নারকীয় গণহত্যা চালাচ্ছে। রাজশাহীর শিরোইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় তখন অবাঙালি বিহারিদের দোর্দণ্ড প্রতাপ। মসজিদের...

রাণীনগর গণকবর

রাণীনগর গণকবর ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় তালাইমারিতে বাদুড়তলায় প্রায় ১৬০ জনকে হত্যার পর রাতে বাড়ি বাড়ি ঢুকে হত্যাযজ্ঞ চালাতে থাকে পাকসেনারা। তালাইমারির পিছনে রাণীনগর পশু হাসপাতালের পাশে ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিলের বোর্ড ঘর। সেখানে সপরিবারে বসবাস করতেন বশীর উদ্দিন শেখের ছেলে জামাল...