You dont have javascript enabled! Please enable it!

পালং এ মধ্যপাড়া বধ্যভূমি

পালং এ মধ্যপাড়া বধ্যভূমি যুদ্ধকালীন পালং থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এডভোকেট আবুল কাসেম মৃধা ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল আজিজ সিকদার জানান, ১৯৭১ সালের ২২ মে তৎকালীন মাদারিপুর মহকুমা শহরের সেনা ক্যাম্প থেকে পাক হানাদার বাহিনী এসে রাজাকারদের সহযোগিতায় নীলকান্দি, কাশাভোগ,...

লালমনিরহাটের অন্যান্য বধ্যভূমি ও গণকবর

লালমনিরহাটের অন্যান্য বধ্যভূমি ও গণকবর এছাড়াও জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার বড়খাতা স্টেশনের পাশের গণকবরটির সংস্কার করা হয়েছে। একই উপজেলার সিন্দুর্না এলাকায় একটি গণকবর রয়েছে যা সংস্কার করা হয়নি। পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা এলাকায় একটি গণকবর রয়েছে যা সংস্কার হয়নি। সদর উপজেলার...

সাহেবপাড়া গণকবর

সাহেবপাড়া গণকবর লালমনিরহাটের সাহেবপাড়া এলাকার বিভিন্ন স্থানে রয়েছে অনেকগুলা গণকবর। এই গণকবরগুলোতে বিচ্ছিন্নভাবে ৫০ জন শহীদকে সমাহিত করা হয়। এটি বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে সংস্কার করে শহীদদের নাম লেখা আছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের...

বড়বাড়ির হাট গণকবর

বড়বাড়ির হাট গণকবর লালমনিরহাটের বড়বাড়ির হাট এলাকায় ছড়ানো ছিটানো অনেকগুলো গণকবর রয়েছে। পাকবাহিনী এলাকার অন্তত ১০০ জন সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করে বিচ্ছিন্নভাবে এই গণকবরগুলোয় মাটিচাপা দেয়। এটির সংস্কার করা হয়েছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

ডিভিশনাল অফিস জলাভূমি বধ্যভূমি

ডিভিশনাল অফিস জলাভূমি বধ্যভূমি লালমনিরহাটে পাক হানাদার বাহিনী শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে অসংখ্য লাশ এনে ডিভিশনাল অফিসের দক্ষিণে একটি জলাভূমিতে ফেলে দিত। এটি জেলা শহরের আলোরুপা মোড়ে অবস্থিত। এর কোনো সংস্কার হয়নি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি...

রেলস্টেশন রিকশা স্ট্যান্ড বধ্যভূমি

রেলস্টেশন রিকশা স্ট্যান্ড বধ্যভূমি রেলস্টেশনের পশ্চিমে ওভারব্রিজের নিচে শান বাধানো রিকশা স্ট্যান্ড ছিল লালমনিরহাট শহরের প্রধান বধ্যভূমি। এখানে বহু লোককে হত্যা করা হয়। ডিভিশনাল অফিসের দক্ষিণে একটি জলাভূমিতে ফেলে দেওয়া হয় অসংখ্য লাশ। গুলিতে আহত রেলকর্মী আবুল মনসুর আহমদ...

বিডিআর লাইন বধ্যভূমি

বিডিআর লাইন বধ্যভূমি লালমনিরহাটের আদিতমারীর স্বর্ণামতি সেতুর (ব্রিজ) পাশে বিডিআর লাইনের সামান্য দূরে রয়েছে একটি বড় গণকবর। এখানে পাক সেনারা একদিনে ৩২ জন সাধারণ বাঙালিকে হত্যা করে ফেলে রাখে। পরে তাঁদের কবর দেয়া হয়। এটিরও কোনো সংস্কার করা হয়নি। তথ্যটি বিভিন্ন সূত্রে...

কালীগঞ্জ বধ্যভূমি

কালীগঞ্জ বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী শতাধিক বাঙালিকে বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে এনে কালীগঞ্জ উপজেলার ভটমারী বধ্যভূমিতে হত্যা করে। এটি এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি। এছাড়া কেইউপি ডিগ্রী কলেজের পাশে রয়েছে কালীগঞ্জ উপজেলার বড় গণকবর। বর্তমানে কেইউপি...

ভোটমারী বধ্যপুকুর

ভোটমারী বধ্যপুকুর লালমনিরহাটের সবচেয়ে বড় বধ্যপুকুরটি কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারীতে। ভোটমারী রেলস্টেশনের উত্তর-পূর্বের মেঠো পথ ধরে মিনিট সাতেক হাটলেই সেখানে পৌছানো যায়। মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক মাস্টারের বাড়ির সামনের বাঁশ বাগান ও ঝোপ ঝাড় বেষ্টিত ছোট একটি মজা পুকুর একটি।...

মাদাম ব্রীজ বধ্যভূমি

মাদাম ব্রীজ বধ্যভূমি লক্ষ্মীপুরের মাদাম ব্রিজে গণহত্যা চালানো হয়। এখানকার বধ্যভূমিটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সেটি চিহ্নিত করে ফলক লাগানো...