You dont have javascript enabled! Please enable it!

বড়ইতলা বধ্যভূমি

বড়ইতলা বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্দাইল ইউনিয়নের বড়ইতলা গ্রাম। নিরাপদ ভেবে এ গ্রামে আশ্রয় নিয়েছিল হাজারো মানুষ। ১৯৭১ সালের ১৭ নভেম্বর রাতে রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি সেনারা বরইতলা গ্রাম ঘেরাও করে নির্বিচারে গুলি চালায়। সে সময় স্থানীয় কমান্ডার লুৎফর...

বাগবাটি বধ্যভূমি

বাগবাটি বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ৩১ মে ভোরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের ৩টি গ্রামে গণহত্যা চালায় পাকবাহিনী। সিরাজগঞ্জ থানা সদর থেকে ১৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এ এলাকাকে নিরাপদ ভেবে বগুড়া, শেরপুর, চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সিরাজগঞ্জ শহরের অসংখ্য নারী, শিশু ও...

শিয়ালকোল মুছিবাড়ি বধ্যভূমি

শিয়ালকোল মুছিবাড়ি বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিয়ালকোল মুছিবাড়ির পুবপাশে (বর্তমান সিরাজগঞ্জ –নলকা আঞ্চলিক সড়কের শিয়ালকোল পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের দান দিকে) পাকসেনারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করে। এঁদের মধ্যে শিয়ালকোল গ্রামের ফনি...

আমবাড়িয়া বধ্যভূমি

আমবাড়িয়া বধ্যভূমি সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগায় ১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে ১৩০ জন পাকসেনা ও অসংখ্য রাজাকার ও আলবদর নিহত হয়। এরপর ১৩ নভেম্বর পাকসেনারা মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় এবং পার্শ্ববর্তী...

গোয়াইন নদী বধ্যভূমি

গোয়াইন নদী বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে সারিঘাট হয়ে ৩২ মাইল দূরত্বে গোয়াইনঘাট উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে গোয়াইন নদী। যুদ্ধকালে পাকবাহিনী গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্প ও বধ্যভূমি গড়ে তুলেছিল। এর মধ্যে গোয়াইন নদীর তীর ছিল তাঁদের অন্যতম বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে প্রাণ দিতে...

খরিসের পুল বধ্যভূমি

খরিসের পুল বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে ১২ মাইল দূরে তামাবিল সড়কে খান চা বাগান। এই বাগানটি বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলার অন্তর্গত। একাত্তরের ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনীর আসার খবর পেয়ে বাগানের শ্রমিকরা জীবন বাঁচাতে পালাতে শুরু করে। নিরীহ শ্রমিকরা তামাবিল সড়ক ধরে তিন মাইল পথ অতিক্রম...

জৈন্তাপুর বধ্যভূমি

জৈন্তাপুর বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে ২৬ মাইল দূরে জৈন্তাপুর। একাত্তরের মে মাসের প্রথমদিকে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী ক্যাপ্টেন হামিদের নেতৃত্বে জৈন্তাপুর প্রবেশ করে। তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজবাড়ি আর জৈন্তা বাজারকে কেন্দ্র করে স্থাপন করে তাঁদের ডেরা। জৈন্তাকে তারা একটি...

মছকন্দের খাল বধ্যভূমি

মছকন্দের খাল বধ্যভূমি পাক হানাদার বাহিনী সিলেট জেলার জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন পরিত্যক্ত বাড়িতে তাঁদের ঘাঁটি স্থাপন করে। এসময় পাকবাহিনী মছকন্দের খাল পাড়কে বধ্যভূমি পরিণত করে। একাত্তরের ১৯ এপ্রিল থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ৬০ জনেরও বেশি মানুষকে এখানে...

টুলটিকর বধ্যভূমি

টুলটিকর বধ্যভূমি তৎকালীন সিলেট পৌরসভার পুব ও উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে টুলটিকর ইউনিয়ন, যা বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যুদ্ধকালে পাকহানাদার বাহিনী টুলটিকর ইউনিয়নে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাতে নিহত হয়েছে অসংখ্য বাঙালি। এই ইউনিয়নে পাকসেনাদের হাতে বিভিন্ন সময়...

বারুতখানা বধ্যভূমি

বারুতখানা বধ্যভূমি সিলেটের বারুতখানা এলাকাটি বন্দর বাজারের পাশে অবস্থিত। ৫ এপ্রিল জঙ্গি বোমারু বিমান সিলেট কারাগারে গোলাবর্ষণ করলে নিহত হন সাতজন কারাবন্দি। এছাড়া বারুতখানা সংলগ্ন এলাকায় প্রাণ দিয়েছে আরও ৭ জন। ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাতটায় এখানে গোলা বর্ষিত হয়। তাতে মারা...