You dont have javascript enabled! Please enable it!

রহনপুর স্টেশনপাড়া বধ্যভূমি ও গণকবর

রহনপুর স্টেশনপাড়া বধ্যভূমি ও গণকবর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এ দেশীয় দোসরদের সহায়তায় গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলস্টেশন পাড়ায় শত শত মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়। এ স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। অন্যসূত্রে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গোমস্তাপুর থানার রহনপুরে...

বারোঘরিয়া গণকবর

বারোঘরিয়া গণকবর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বারোঘরিয়া জমিদার কাচারী বাড়ির সামনে বট গাছের কাছে নিরীহ মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেয়। বর্তমানে এ স্থানে বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। অন্য সূত্রেও এর বর্ণনা রয়েছে – নবাবগঞ্জ সদর থানার বারোঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন প্রাচীন জমিদার...

শ্মশানঘাট বধ্যভূমি

শ্মশানঘাট বধ্যভূমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শ্মশান ঘাটের কাছে পাকিস্তানি সেনারা শত শত মানুষকে হত্যা করে। এর অনেক লাশ মাটিতে পুঁতে রাখে এবং অন্যগুলো নদীতে ভাসিয়ে দেয় তারা। এ স্থানে কোন স্মৃতিস্তম্ভ নাই। বর্তমানে এখানে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করা হয়েছে এবং অনেকটা এলাকা নদীতে বিলীন...

রেহাইচর বধ্যভূমি ও গণকবর

রেহাইচর বধ্যভূমি ও গণকবর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শ্মশান ঘাট গণকবর থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে রেহাইচর এলাকায় মহানন্দা নদীর তীরে অসংখ্যা সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে পাকিস্তান সেনা বাহিনী। এ স্থানে কোন স্মৃতি স্তম্ভ নেই। নদী ভাঙ্গনে অনেকটাই বিলীন হয়ে গেছে।...

রেলওয়ে স্টেশন বধ্যভূমি

রেলওয়ে স্টেশন বধ্যভূমি চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। এখানে একটি কসাইখানাও ছিল। রেল স্টেশনের অফিসগুলো ও রেস্ট হাউজেও পাকিস্তানি ও তাঁদের দোসরদের ক্যাম্প ছিল। পাকসেনারা স্টেশনের ওয়েটিং রুকমে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে। অসংখ্য বাঙালির লাশ এ বধ্যভূমিতে পড়ে...

চান্দ্রাকান্দি গ্রামের গণকবর

চান্দ্রাকান্দি গ্রামের গণকবর ১৯৭১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধে মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্যাহপুর ইউনিয়নের চান্দ্রাকান্দি গ্রামের চার মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এঁরা হলেন – সিরাজুল হক, আবদুল আওয়াল, সাইজুদ্দিন ভূঁইয়া ও দুধ মিয়া ব্যাপারী। দেশকে পাক হানাদার মুক্ত করার জন্য...

মেহের রেলস্টেশন বধ্যভূমি

মেহের রেলস্টেশন বধ্যভূমি শাহরাস্তি উপজেলায় চাদপুর-লাকসাম রেল সড়কের মেহের স্টেশনে হানাদার বাহিনী ঘাঁটি স্থাপন করে। মেহের স্টেশন সংলগ্ন সূয়াপাড়া গ্রামের মৃত সেকেন্দর আলী পাটোয়ারীর ছেলে ছেলামত উল্যাহ পাটোয়ারী (৭০) বলেন, “আমাদের বাড়ির পাশে মেহের স্টেশন। আমি স্বচক্ষে...

নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় বধ্যভূমি

নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় বধ্যভূমি হাজীগঞ্জ উপজেলার নাসিরকোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৭১’র নভেম্বরের শেষদিকে পাকহানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ ৯ জনকে কবর দেয়া হয়। স্বাধীনতার পর তা চিহ্নিত করা হয়। এঁরা হলেন- এম. এ. মতিন, জয়নাল আবেদীন, জাহাঙ্গীর আলম, এস. এম. জহিরুল হক, মো....

ডাকবাংলো বধ্যভূমি

ডাকবাংলো বধ্যভূমি ফরিদ্গঞ্জ উপজেলার ডাকবাংলো চত্বরে পাক হানাদার বাহিনীর একটি নির্যাতন ও হত্যাকেন্দ্র ছিল। যুদ্ধাকালীন এখানে বাঙালিদের ধরে এনে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের পশ্চিম বাজারে নির্জন পরিবেশে ডাকাতিয়া নদীর কোল ঘেঁষে ডাকবাংলোটির অবস্থান।...

কাটাখালি বাজার বধ্যভূমি

কাটাখালি বাজার বধ্যভূমি হাইমচর উপজেলার কাটাখালি বাজারের ওয়াপদা খাল হিল পাকিস্তানিদের হত্যাকেন্দ্র। হানাদাররা বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঙালিদের ধরে এনে এখানে নির্যাতনের পর নির্মমভাবে হত্যা করতো। প্রত্যক্ষদর্শী তৎকালীন এক চা দোকান মালিক মনা বেপারী, কর্মচারী আ. সোবাহান বলেন,...