You dont have javascript enabled! Please enable it!

সিলেটের প্রতিরোধ যুদ্ধ | বাংলা একাডেমীর দলিলপত্র

সিলেটের প্রতিরোধ যুদ্ধ সাক্ষাৎকারঃ ব্রিগেডিয়ার চিত্তরঞ্জন দত্ত ২৪-৩-৭৩ (১৯৭১ সালে মেজর পদে কর্মরত ছিলেন) ২৫শে মার্চ বড় বড় শহরে পাকিস্তানীরাযে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছিল সে খবর আমরা জানতে পারলাম ২৬শে মার্চ। সঙ্গে সঙ্গে হবিগঞ্জের আবালবৃদ্ধবনিতা প্রতিরোধ দুর্গ তৈরি করতে...

1971.05.07 | লেঃ জেঃ নিয়াজীর সিলেট সফর সীমান্ত এলাকার কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার নির্দেশ | পূর্বদেশ

শিরোনাম সূত্র তারিখ ১৫০। সীমান্ত এলাকার কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার নির্দেশ পূর্বদেশ ৭মে, ১৯৭১ লেঃ জেঃ নিয়াজীর সিলেট সফর সীমান্ত এলাকার কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করার নির্দেশ ঢাকা, ১০ই মে (এপিপি)। ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার লেঃ জেঃ এ, এ, কে, নিয়াজী গত রবিবার সিলেট এলাকা সফর করেন তিনি...

1971.08.12 | বাংলাদেশে সাত’শ বর্গমাইল এলাকা মুক্ত | দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

বাংলাদেশে সাত’শ বর্গমাইল এলাকা মুক্ত নয়াদিল্লি, ১১ আগস্ট-মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশের বিভিন্ন সেকটরে প্রায় সাত’শ বর্গমাইল এলাকা পাক ফৌজের হাত থেকে মুক্ত করেছে। আওয়ামী লীগের অরগানাইজিং সেক্রেটারী শ্ৰী মিজান-উর-রহমান আজ এখানে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। শ্রী রহমান বলেন,...

1971.08.02 | সেতু উড়িয়ে দেওয়ায় কুমিল্লা শহর বিচ্ছিন্ন | দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

সেতু উড়িয়ে দেওয়ায় কুমিল্লা শহর বিচ্ছিন্ন ঢাকা, ১ আগস্ট-কুমিল্লা শহরের ৪৮ কিলােমিটার পশ্চিমে একটি বড় সেতু মুক্তি ফৌজের গেরিলারা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে পূর্ববঙ্গের অন্য অংশের সঙ্গে কুমিল্লা একরকম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গেরিলারা বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদনের...

গোয়াইন নদী বধ্যভূমি

গোয়াইন নদী বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে সারিঘাট হয়ে ৩২ মাইল দূরত্বে গোয়াইনঘাট উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে গোয়াইন নদী। যুদ্ধকালে পাকবাহিনী গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্প ও বধ্যভূমি গড়ে তুলেছিল। এর মধ্যে গোয়াইন নদীর তীর ছিল তাঁদের অন্যতম বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে প্রাণ দিতে...

খরিসের পুল বধ্যভূমি

খরিসের পুল বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে ১২ মাইল দূরে তামাবিল সড়কে খান চা বাগান। এই বাগানটি বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলার অন্তর্গত। একাত্তরের ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনীর আসার খবর পেয়ে বাগানের শ্রমিকরা জীবন বাঁচাতে পালাতে শুরু করে। নিরীহ শ্রমিকরা তামাবিল সড়ক ধরে তিন মাইল পথ অতিক্রম...

জৈন্তাপুর বধ্যভূমি

জৈন্তাপুর বধ্যভূমি সিলেট শহর থেকে ২৬ মাইল দূরে জৈন্তাপুর। একাত্তরের মে মাসের প্রথমদিকে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী ক্যাপ্টেন হামিদের নেতৃত্বে জৈন্তাপুর প্রবেশ করে। তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত রাজবাড়ি আর জৈন্তা বাজারকে কেন্দ্র করে স্থাপন করে তাঁদের ডেরা। জৈন্তাকে তারা একটি...

মছকন্দের খাল বধ্যভূমি

মছকন্দের খাল বধ্যভূমি পাক হানাদার বাহিনী সিলেট জেলার জকিগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন পরিত্যক্ত বাড়িতে তাঁদের ঘাঁটি স্থাপন করে। এসময় পাকবাহিনী মছকন্দের খাল পাড়কে বধ্যভূমি পরিণত করে। একাত্তরের ১৯ এপ্রিল থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ৬০ জনেরও বেশি মানুষকে এখানে...

টুলটিকর বধ্যভূমি

টুলটিকর বধ্যভূমি তৎকালীন সিলেট পৌরসভার পুব ও উত্তর প্রান্ত ঘেঁষে টুলটিকর ইউনিয়ন, যা বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যুদ্ধকালে পাকহানাদার বাহিনী টুলটিকর ইউনিয়নে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। তাতে নিহত হয়েছে অসংখ্য বাঙালি। এই ইউনিয়নে পাকসেনাদের হাতে বিভিন্ন সময়...

বারুতখানা বধ্যভূমি

বারুতখানা বধ্যভূমি সিলেটের বারুতখানা এলাকাটি বন্দর বাজারের পাশে অবস্থিত। ৫ এপ্রিল জঙ্গি বোমারু বিমান সিলেট কারাগারে গোলাবর্ষণ করলে নিহত হন সাতজন কারাবন্দি। এছাড়া বারুতখানা সংলগ্ন এলাকায় প্রাণ দিয়েছে আরও ৭ জন। ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাতটায় এখানে গোলা বর্ষিত হয়। তাতে মারা...