You dont have javascript enabled! Please enable it!

1971.12.08 | সুমাদ্দার ব্রীজের পাকসেনাদের সাথে যুদ্ধ

সুমাদ্দার ব্রীজের পাকসেনাদের সাথে যুদ্ধ ৮ই ডিসেম্বর ১৯৭১। মাদারীপুর মহকুমা হেড কোয়ার্টারে যে সব পাকসেনা ছিল, তারা ঐ দিন সকালেই প্রায় ৮টি ট্রাক ও বাসে এবং ১টি সামরিক জীপে করে ফরিদপুরে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। সম্ভবতঃ আর্মী হেড-কোয়ার্টার হতে কোন সংকেত পেয়েই তারা এই...

গলাচিপা আক্রমণ

গলাচিপা আক্রমণ ৩/৪ দিন পরে ঠিক করলাম ওদের ঘাঁটি আক্রমণ করতে হবে। শওকতকে প্রধান করে জাহাঙ্গীর, মােস্তফা, হাবিবসহ ৩৫ জনের একটা দল পাঠালাম গলাচিপা আক্রমণ করতে। ওরা ঠিক পরিকল্পনা মতাে আক্রমণ করল। মারা গেল বিপক্ষের কয়েকজন। দিন শেষ হয়ে গেল। ওরা ফিরে এল শিবিরে। আবার...

মধুমতি নদীতে পাক সৈন্যদের উপর আক্রমণ

মধুমতি নদীতে পাক সৈন্যদের উপর আক্রমণ মনির হােসেন মুঞ্জুর বর্ণনা মতে, ডিসেম্বরের ১ম দিকে যশাের ক্যান্টনমেন্ট হতে প্রায় ২০ জন পাকসেনা ভাটিয়াপাড়া ওয়ারলেস স্টেশনে অবস্থানরত পাকসেনাদের সাথে দেখা করার জন্য আসছিল এই সংবাদ মুক্তিযােদ্ধারা পূর্বেই পেয়ে যায়। |...

কোটালীপাড়া থানা দখল

কোটালীপাড়া থানা দখল কোটালীপাড়া থানায় পুলিশ ও রাজাকাররা নদীর অপর পাড়ে মসজিদে ও সরকারী গুদামে থাকত। ক্যাপ্টেন বাবুল ও হেমায়েত উদ্দীন মিলিতভাবে কোটালী পাড়া থানায় অবস্থানরত পুলিশ ও রাজাকারদের উপর আক্রমণ চালায়। দুশ আটাত্তরজন মুক্তিযােদ্ধা এবং দুটি দু’ইঞ্চি...

1971.09.02 | ভাটিয়াপাড়ার আরও একটি যুদ্ধ

ভাটিয়াপাড়ার আরও একটি যুদ্ধ ২রা সেপ্টের, ১৯৭১ মুজিববাহিনীর কমান্ডার ইসমত কাদির গামার নেতৃত্বে প্রায় ৩০ জন মুক্তিযােদ্ধা ভাটিয়াপাড়া অয়ারলেস স্টেশনে পাকসেনাদের উপর আক্রমণ করে। সারারাত দু’পক্ষের মধ্যে বিরামহীনভাবে গুলি বিনিময় হয়। কিন্তু পাকসেনাদের তেমন কোন ক্ষতি...

ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ

ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ ফরিদপুর জেলায় মুক্তিবাহিনীর সাথে খান সেনাদের যে কটি বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, ভাটিয়া পাড়া যুদ্ধ তার মধ্যে অন্যতম। সেখানে ওয়ারলেস ষ্টেশন দখলে রাখার জন্য পাকসেনাদের একটি শক্তিশালী দল মােতায়েন ছিল। ভাটিয়া পাড়ায় স্থানীয়  জনসাধারণের উপর...

টেকেরহাটে পাকসেনাদের সহিত যুদ্ধ

টেকেরহাটে পাকসেনাদের সহিত যুদ্ধ পাকসেনারা নদীর দক্ষিণ পাড় দিয়ে ট্রেন্স তৈরি করে দিনের বেলায় ডিফেন্স নিয়ে থাকত। আর রাতে তারা সি এন্ড বি ডাকবাংলায় এসে রাত্রি যাপন করত। এখানে প্রায় ৬৫ জন পাকসেনা মজুবত বাংকারে ডিফেন্সে থাকত। ভারত থেকে প্রায় ৩০ জন এফএফ...

হানাদার বাহিনী কর্তৃক টেকেরহাট দখল

হানাদার বাহিনী কর্তৃক টেকেরহাট দখল ফরিদপুর হতে ২৩শে এপ্রিল ট্রাকযােগে পাকসেনারা প্রথম আসে। তারা টেকেরহাট বাজারের উত্তর পাড়ে নামে। রাজৈর থানা আওয়ামী লীগ সেক্রেটারী শওকত আলী হাওলাদার, আওয়ামী লীগ কর্মী শাহজাহান সর্দার ও হারুন-অর-রশিদ মােল্লার নেতৃত্বে একদল...

ভাটিয়াপাড়া পাকসেনাদের আত্মসমর্পণ

ভাটিয়াপাড়া পাকসেনাদের আত্মসমর্পণ গােপালগঞ্জ শহরে পাকসেনাদের আগমনের সময়কাল হতেই একজন পাঞ্জাবী সাবইনসপেক্টর অব পুলিশের অধিনায়কত্বে পাকসেনা ও পাক মিলিশিয়া পুলিশ সময়ে প্রায় ৪০ জন ভাটিয়াপাড়া ওয়ারলেস স্টেশন পাকসেনাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিরাপত্তা ফৌজ হিসাবে...

সিকির বাজারের যুদ্ধ

সিকির বাজারের যুদ্ধ গােপালগঞ্জ মহকুমায় আর একটি যুদ্ধ হয়েছিল কোটালীপাড়ার সিকির বাজারে হাবিলদার হেমায়েত উদ্দীনের অধিনায়কত্বে। এখানে হেমায়েত পাকসেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। তারা বর্ষাকালে গানবােটে খুলনা হতে সিকির বাজারে এক অভিযানে রওয়ানা হয়। কমান্ডার...