You dont have javascript enabled! Please enable it!

চুকনগর বধ্যভূমি

চুকনগর বধ্যভূমি চুকনগর এলাকাটি খুলনা শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পশ্চিমে ভদ্রা নদীর তীরে অবস্থিত। একাত্তরের ২০ মে খুলনার ডুমুরদিয়া থানার চুকনগরে সবচেয়ে বড় গণহত্যাটি সংঘটিত হয়। ২০ মে-এর কয়েকদিন আগে থেকে যশোর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরিশালসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে...

শলুয়া বাজার বধ্যভূমি

শলুয়া বাজার বধ্যভূমি শলুয়া বাজার খুলনার অন্যতম একটি বধ্যভূমি। এটি দৌলতপুরের কাছে রংপুর গ্রামে অবস্থিত। ১ বৈশাখ ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে হঠাত করে শলুয়াবাজারে হামলা চালিয়ে পাকহানাদার বাহিনী অসংখ্য বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করে। আজওএই গ্রামের মানুষ ১ বৈশাখে এই শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে...

নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমি

নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমি খুলনার খালিশপুর উপশহর ছিল একটি শিল্প এলাকা। এই খালিশপুরে পাওয়া গেছে অসংখ্য গণকবর ও বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিগুলোর মধ্যে খালিশপুরের নিউজপ্রিন্ট মিল বধ্যভূমিটি অন্যতম। পাকহানাদাররা সুপরিকল্পিতভাবে এই মিলের শ্রমিকদের হত্যা করেছিল। সেসময় খুলনা বেতারের...

চরেরহাট বধ্যভূমি

চরেরহাট বধ্যভূমি খুলনার চরেরহাটে রয়েছে বধ্যভূমি। একাত্তরের এপ্রিলে দৌলতপুরের দিক থেকে কয়েকটি লঞ্চ খুলনার দিকে আসছিল। লঞ্চগুলো ছিল যাত্রীভর্তি। এই চরেরহাটে পাকিসেনারা একে একে সব লঞ্চ থামিয়ে লঞ্চের ভেতর থেকে সবাইকে বের করে এনে নদীর তীরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করায়। এরপর...

প্লাটিনাম জুট মিল বধ্যভূমি

প্লাটিনাম জুট মিল বধ্যভূমি খুলনা সদরে পালতিনাম জুট মিলের হত্যাকাণ্ড ছিল যেমন লোমহর্ষক, তেমনি নির্মম ও নিষ্ঠুর। মিলের জ্বলন্ত বয়লারের ভেতরে ফেলে কমপক্ষে ৫৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করে হানাদাররা। বয়লারের সামনে বিশ ফুট উঁচু পাকা প্রাচীরের পাশে বাঙালি শ্রমিকদের এনে বসানো হতো।...

কান্তপুর বধ্যভূমি

কান্তপুর বধ্যভূমি স্বাধীনতার পর খুলনা শহরের উপকণ্ঠে কান্তপুরের চিলমারীতে বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায়। ১৯৭২ সালে ‘পূর্বদেশ’ প্রতিবেদন বলা হয়, ‘এই বধ্যভূমিতে বহু নরকঙ্কাল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কঙ্কাল গুলোতে জড়ানো রয়েছে শাড়ি কিংবা লুঙ্গি। প্রতিরাতে স্থানীয় লোকজন এখানে অসহায়...

ক্রিসেন্ট জুট মিল বধ্যভূমি

ক্রিসেন্ট জুট মিল বধ্যভূমি খুলনা সদরে ভৈরব নদীর তীরে ক্রিসেন্ট জুট মিল ছিল আরেক বধ্যভূমি। পাক হানাদার বাহিনী এই মিলের হতভাগ্য বাঙালি শ্রমিকদের হত্যা করে তাঁদের লাশ নদীর পানিতে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার...

গোয়ালখালি বধ্যভূমি

গোয়ালখালি বধ্যভূমি খুলনার গোয়ালখালিতে একটি বধ্যভূমি ছিল। এই বধ্যভূমিতে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার পর এখানে বহু নরকঙ্কাল ও হাড়গোড় পাওয়া যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৮৮; যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও...

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি

ফরেস্ট ঘাট বধ্যভূমি খুলনায় জজকোর্টের পিছনে ফরেস্ট ঘাটে বাঙালিদের জবাই করে হত্যা করা হতো এবং লাশগুলোর পেট চিরে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। সেসময় প্রতিরাতে অন্তত ২০ জনকে জবাই করে হত্যা করা হতো বলে ধারণা করা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও...

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি

কাস্টমঘাট বধ্যভূমি খুলনার রূপসা নদীর তীরে কাস্টমঘাট ছিল একটি বধ্যভূমি। এই কসাইখানাটি পাকিস্তানিদের সদর দপ্তরের সামনে ছিল। এখানে বাঙালিদের হাত পা বাধা অবস্থায় বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিত হানাদার জল্লাদরা। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্য সূত্র:...