You dont have javascript enabled! Please enable it!

1971.06.06 | মুক্তিযুদ্ধকালীন ট্রেনিং ক্যাম্পে ৫০,০০০ জনের ৬ মাসের বাজেট

1971.06.06 | মুক্তিযুদ্ধকালীন ট্রেনিং ক্যাম্পে ৫০,০০০ জনের ৬ মাসের বাজেট :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::: একটা ট্রেনিং ক্যাম্পে ৫০০ জন ধরে এই হিসাবটা করা হয়েছে। প্রত্যেকের হাতখরচ দিনে ২ টাকা, খাবার ৩ টাকা, ১০০ লোকের জন্য ৩ টা টিউব ওয়েল, ৫০০ লোকের জন্য ২০০ টা...

1971.03.28 | একাত্তরের যুদ্ধঃ হানাদার বাহিনীর বন্দিশিবির | মেজর এম জাহাঙ্গীর হোসেন | সাপ্তাহিক বিচিত্রা | ২২ মার্চ ১৯৮৫

একাত্তরের যুদ্ধঃ হানাদার বাহিনীর বন্দিশিবির | মেজর এম জাহাঙ্গীর হোসেন সাপ্তাহিক বিচিত্রা | ২২ মার্চ ১৯৮৫ (অস্পষ্ট) । সকাল আনুমানিক নয়টা। হঠাৎ গোলাগুলির তীব্র আওয়াজে কেঁপে উঠল যশোর সেনানিবাস। আমাদের ৭ ফিল্ড এম্বুলেন্সের কাছাকাছি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিট...

1971.03.27 | মুক্তিযুদ্ধের ডায়রি থেকে | ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম | সাপ্তাহিক বিচিত্রা | ৩০ মার্চ ১৯৮৪

1971.03.27 | মুক্তিযুদ্ধের ডায়রি থেকে | ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম সাপ্তাহিক বিচিত্রা | ৩০ মার্চ ১৯৮৪ (১৯৭১ সনে আমি মেহেরপুরের এসডিও ছিলাম। প্রথমে অনেক আগ্রহ নিয়ে ডাইরি লিখতে শুরু করি। পরে সময়াভাবে কালেভাদ্রে লিখেছি। এই লেখাটা সেই ডাইরির অংশবিশেষ।) ২৭ শে...

1971.05.19 | ইয়াহিয়া একজনও মীরজাফর জোটাতে পারলেন না | দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

ইয়াহিয়া একজনও মীরজাফর জোটাতে পারলেন না শেখ মুজিবরের সঙ্গে আলােচনার জন্য ইয়াহিয়ার ঢাকায় আগমন। আলােচনা ভেঙে দিয়ে, বিশ্বাসঘাতকতা করে, বাংলাদেশে ইয়াহিয়া কর্তৃক নিজেদের সৈন্যদের লেলিয়ে দেওয়া তারপর হত্যা, সন্ত্রাস আর অত্যাচার-এ সব শুরু হওয়ার পর প্রায় দু মাস কেটে...

নান্দিনা আক্রমণ – বালাসীঘাট অ্যামবুশ – রতনপুরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাম্প আক্রমণ

নান্দিনা আক্রমণ ভূমিকা সাইফুল ইসলাম সাজার নেতৃত্বাধীন সাজা কোম্পানির মুক্তিযােদ্ধারা গাইবান্ধা পলাশবাড়ি প্রধান সড়কের উপর অবস্থিত সাকওয়ার ব্রিজ উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে গাইবান্ধা শহর থেকে ১৫ কিলােমিটার দূরে নান্দিনা নামক গ্রামে অবস্থান নিয়েছিলেন। এ অবস্থানে...

দারিয়াপুর ব্রিজ ধ্বংস – সিংগড়িয়া রেলসেতু আক্রমণ – রসুলপুরে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ক্যাম্প আক্রমণ

দারিয়াপুর ব্রিজ ধ্বংস গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার একটি গ্রাম দারিয়াপুর। মুক্তিযুদ্ধকালীন। পাকিস্তানি সৈন্যরা রেললাইনের পাশাপাশি সড়কপথও ব্যবহার করতাে। গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের উপর দারিয়াপুর ব্রিজটির অবস্থান। সুন্দরগঞ্জ যাওয়ার জন্য এ ব্রিজের উপর দিয়েই...

বাদিয়াখালী ব্রিজ ধ্বংস – সাদুল্লাপুর থানা আক্রমণ ও বিপর্যয়

বাদিয়াখালী ব্রিজ ধ্বংস ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গাইবান্ধা-ফুলছড়ি ঘাট সড়কের গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। কারণ উত্তরবঙ্গে যুদ্ধরত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অস্ত্র-গােলাবারুদসহ যুদ্ধের অন্যান্য সরঞ্জামাদি নৌপথে ফুলছড়ি ঘাটে এসে পৌছাতাে এবং পরবর্তী সময় এ রাস্তা দিয়ে গাইবান্ধা...

রতনপুর অ্যামবুশ – উড়িয়া অপারেশন – ফুলছড়ি স্টিমার অপারেশন

রতনপুর অ্যামবুশ গাইবান্ধা থেকে দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে ফুলছড়ি থানার একটি ছােট গ্রামের নাম রতনপুর। গ্রামটির অবস্থান বাঁধ ও নদের মধ্যবর্তী এলাকায়। ব্রহ্মপুত্রের একটি ধারার পূর্ব দিকের চরের নাম চর রতনপুর। মুক্তিযােদ্ধাদের অবস্থান ছিল। এখানে আরও পূর্ব দিকে...

কুড়িগ্রাম আক্রমণ – মাদারগঞ্জে অ্যামবুশ

কুড়িগ্রাম আক্রমণ রংপুর ও লালমনিরহাট জেলার পূর্বে এবং গাইবান্ধা জেলার উত্তর দিকে উত্তরপূর্ব কোণে সীমান্তবর্তী জেলা শহর কুড়িগ্রাম।  ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার যােশীর নির্দেশে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনী যৌথভাবে কুড়িগ্রাম শহরে বর্বর...

গাগলা অ্যামবুশ – যাত্রাপুর আক্রমণ – উলিপুরগামী ট্রেনে বিস্ফোরণ – রায়গঞ্জ ব্রিজ এলাকা আক্রমণ

গাগলা অ্যামবুশ কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে উত্তরে নাগেশ্বরী থানা। এ থানার একটি গ্রামের নাম। গাগলা। জেল থেকে সংগৃহীত দুষ্কৃতিকারী রাজাকার, আল-বদর ও আল-শাম্স বাহিনীর সমন্বয়ে পাকিস্তানি সৈন্যরা ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সেস নামে ১টি বাহিনী গঠন করে। এ বাহিনীর কাজ ছিল...