You dont have javascript enabled! Please enable it!

1971.10.01 | বাংলাদেশ গেরিলা বাহিনীর কর্মতৎপরতার বিশদ বিবরণ–১ অক্টোবর ১৯৭১ দি ডেইলি টেলিগ্রাফ

অক্টোবর, ১৯৭১ ১ অক্টোবর ‘দি ডেইলি টেলিগ্রাফ’-এ প্রকাশিত এক সংবাদে বাংলাদেশ গেরিলা বাহিনীর কর্মতৎপরতার বিশদ বিবরণ দেয়া হয়। পত্রিকাটির সংবাদদাতা ডেভিড লােশাক প্রেরিত এই বিবরণে বলা হয়, বাঙালি গেরিলারা আমেরিকা, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশে তৈরি...

মিথ্যা প্রচার অভিযানে সামরিক সরকার নিয়ন্ত্রিত পাকিস্তানি সংবাদপত্রগুলােকে ব্যবহার করে যাচ্ছে

আগস্ট, ১৯৭১ ১ আগস্ট ‘দি সানডে টাইমস্ -এ প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণমূলক নিবন্ধে পত্রিকাটির বিশেষ সংবাদদাতা মারে সেইল বলেন, পূর্ব বাংলা পরিস্থিতি সম্পর্কে পাকিস্তানের মস্তিষ্ক-বিকৃতির লক্ষণসূচক প্রচারণার ফলে তাদের সৈন্যবাহিনী ভিয়েতনামের যুদ্ধের মতাে এক ভয়াবহ যুদ্ধে...

৮ম পর্ব যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা – মেজর নাসির উদ্দিন

প্রচণ্ড কামান যুদ্ধের মধ্যদিয়ে ১১ ডিসেম্বর রাত কেটে গেলাে। পরদিন কুয়াশাচ্ছন্ন ভােরের নিষ্প্রভ আলােতে খানিকটা যেনাে ইতঃস্তত ভাব নিয়েই সূর্যের উদয় হলাে। আমাদের প্রতিরক্ষাব্যুহের সর্বত্র পাকিস্তানীদের বিক্ষিপ্ত গােলাবর্ষণ তখনাে চলছে। তবে তার তীব্রতা অনেকটা কম ভারতীয়...

৭ম পর্ব যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা – মেজর নাসির উদ্দিন

১০ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক ১১টায় মেজর ভূঁইয়ার সাথে পুনরায় সংযােগ স্থাপিত হলাে। “বি’ কোম্পানী মেঘনার তীর ধরে দুর্গাপুর ও আশুগঞ্জের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান নিয়েছে। একটি হালকা ভারতীয় বাহিনীও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-আশুগঞ্জ রেললাইন বরাবর অগ্রসর হয়ে তালশহর...

৬ষ্ঠ পর্ব যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা – মেজর নাসির উদ্দিন

৬ ডিসেম্বর। পূর্ব সেক্টরের সমস্ত রণাঙ্গনে মুক্তিসেনা ও মিত্রবাহিনী শত্রুর অবস্থান ভেদ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আট থেকে দশ মাইল পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে। তেমন কোনাে প্রতিরােধ নেই কোথাও। সিলেটের মৌলভীবাজার অক্ষেই কেবল কিছুটা প্রতিরােধের সম্মুখিন হতে হয়েছে মুক্তিসেনা ও...

যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা – মেজর নাসির উদ্দিন (৫ম পর্ব)

দিনভর ৩ নম্বর সেক্টরসলে বিস্তৃত সীমান্ত অশান্ত হয়ে থাকে। মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানীদের। মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে রণাঙ্গনের প্রায় সর্বত্রই। দিনভর কামান আর মর্টারের গােলা বিনিময়ও হয় বিক্ষিপ্তভাবে। পাকিস্তানী কামানগুলাে কলকলিয়া ও কৃষ্ণনগর এলাকার বিভিন্ন অবস্থান...

যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা (৪র্থ পর্ব) – মেজর নাসির উদ্দিন

৮ নম্বর থিয়েটার রােড। উচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা সেকেলে ধরনের বিশাল একটি বাড়ি। এই বাড়িতেই স্থাপন করা হয় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের কার্যালয় এবং মুক্তিবাহিনীর। সর্বাধিনায়কের সদর দফতর। আর এ কারণেই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যায় জুড়ে আছে এই বাড়িটি।...

1974 | মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং একটি আবেগঘন দৃশ্য | মেজর জেনারেল এম খলিলুর রহমান

মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ এবং একটি আবেগঘন দৃশ্য  মেজর জেনারেল এম খলিলুর রহমান তখন আরও একটি কাজ করা হয়েছিল, তা হলো বিডিআরের শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ। এই স্মৃতিস্তম্ভটির জন্য আমার পূর্বসূরি অধিনায়ক দত্ত সাহেবই প্রায় ৮০ হাজার টাকা রেখে গিয়েছিলেন। তিনি স্থপতিদের দিয়ে কয়েকটি...

পাকিস্তানি অফিসারের মানবিক আচরণ

কতিপয় পাকিস্তানি অফিসারের মানবিক আচরণ : বন্দিজীবনে সবাই যে আমাদেরকে কেবল অপমানই করেছে তা নয়। দু’চারজন। আমাদের সাথে মানুষের মতাে আচরণ করেছে। তাদের কথা না বললে কাহিনী একতরফা হয়ে যাবে এবং বিধাতার সর্বোত্তম সৃষ্টি মানুষের চরিত্র সম্যকভাবে চিত্রিত হবে না। একদিন...

বন্দিজীবন কোহাট–নওশেরা

বন্দিজীবন কোহাট ও অন্যত্র ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে আমাদের বন্দিশালায় নিয়ে যাওয়া হলাে। আমাকে নেয়া হলাে কোহাটে। আমার প্রতিবেশী লে. জেনারেল খাজা ওয়াসিউদ্দিন। নিজের বাসাতেই কিছুদিনের জন্য রয়ে গেলেন। তার কাছ থেকে বিদায় নিলাম। মুহূর্তটি নেহাতই করুণ ছিল। ব্রিগেডিয়ার...