You dont have javascript enabled! Please enable it!

জীবননগর স্টেডিয়াম মোড়ের বধ্যভূমি

জীবননগর স্টেডিয়াম মোড়ের বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, “তৎকালীন সময়ের জীবননগরের ঝাউতলার নিকট একটি বড় গর্তে (বর্তমানে জিবননগর স্টেডিয়াম মোড়ের পাশে) ৩০ থেকে ৩৫ জনের লাশ পাওয়া...

জীবননগর থানার পেছনের বধ্যভূমি

জীবননগর থানার পেছনের বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, “জীবননগর থানা ভবন ছিল পাক বাহিনীর টর্চার সেল। এখানে নিরীহ ও মুক্কতিকামী লোকদেরকে ধরে এনে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হতো এবং টর্চার সেলের পিছনে লাশ পুঁতে রাখা হতো। থানার পিছনের ঐ অংশটি পরবর্তীতে...

উপজেলা পরিষদের বধ্যভূমি

উপজেলা পরিষদের বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলেন, “বর্তমানে যেখানে উপজেলা পরিষদ তার ভেতরের মাঠে ছিল একাত্তরের গণকবর। এখান থেকে আদালতের পেশকার আজিজুল হক মল্লিক, পেশকার দাউদ হোসেন, সাংবাদিক আবুল কাশেমসহ আরো অনেকের লাশ উদ্ধার করা...

থানা কাউন্সিল পাড়া বধ্যভূমি

থানা কাউন্সিল পাড়া বধ্যভূমি রাজিব আহমেদ লিখিত ‘চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অগণিত মানুষকে শান্তিপাড়ায় গণকবরে মাটিচাপা দেওয়া হলেও গণকবরগুলো চিহ্নিত কতা হয়নি। স্বাধীনতার পরপরই থানা কাউন্সিলের দক্ষিণ-পূর্বদিকে রেললাইনের...

শান্তিপাড়ার বাবলা বাগান বধ্যভূমি

শান্তিপাড়ার বাবলা বাগান বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলে, “সদর হাসপাতালের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে বর্তমান শান্তিপাড়ায় তখন ছিল ফাঁকা মাঠ। সেখানে অসংখ্য বাবলা গাছ ছিল। এখানে অনেক লোককে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। প্রায় রাতেই এ এলাকায় গুলির শব্দ শোনা...

চুয়াডাঙ্গা দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়া বধ্যভূমি

চুয়াডাঙ্গা দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়া বধ্যভূমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের দক্ষিণ দিকে বেশ কয়েকটি গণকবর ছিল। এ প্রসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলেন, “পাকিস্তানী বাহিনীর আর্টিলারি রেজিমেন্ট চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ভবনে মূল ঘাঁটি স্থাপন করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সদর...

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ইবাদত আলী বলেন, “চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের পেছনে ছিল একাত্তরের গণকবর। সদর হাসপাতালের টর্চার সেলে নারী পুরুষদের ধরে এনে নির্যাতন করা হতো। তারপর তাঁদের হাসপাতালের পিছনে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হতো। এখানে ছড়িয়ে...

ওয়াবদা গার্ড কোয়াটার বধ্যভূমি

ওয়াবদা গার্ড কোয়াটার বধ্যভূমি আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এম সবেদ আলী জানান, “আলমডাঙ্গা ওয়াবদা ডিভিশনের বাংলোতে পাক সেনা অফিসারদের ক্যাম্প ছিল। ট্রেন থেকে নামিয়ে নেওয়া নারীদের ওই ক্যাম্পে সরবরাহ করা হতো। তারপর তাএর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে পাঠানো...

আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি

আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি আলমডাঙ্গা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এম সবেদ আলী জানান, “আলমডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন থেকে আধা কিলোমিটার দূরে আলমডাঙ্গা লাল্ব্রিজের পাশে ছিল একাত্তরের বধ্যভূমি। এই ব্রিজের ওপর ছিল ট্রেন থামিয়ে মেয়েদের ও যুবকদের নামিয়ে নেওয়া হতো। তাঁদের উপর...

ভোলাহাট উপজেলার শাহপুর গড়ের গণকবর

ভোলাহাট উপজেলার শাহপুর গড়ের গণকবর ভোলাহাট উপজেলার শাহপুর গড়ের গণকবরে যুদ্ধকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে গণ মবর দেয়। এখানে কোন স্মৃতিস্তম্ভ...