You dont have javascript enabled! Please enable it!

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি জয়পুরহাট জেলা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পূর্বে পাগলা দেওয়ান গ্রাম। তার আশেপাশে চক বরকত, খাস পাহনন্দা, চিরলাসহ কয়েকটি ভারত সীমান্তবর্তী গ্রাম। এই গ্রামগুলোয় ’৭১ এর এপ্রিল থেকে নজর রাখতে শুরু করে হানাদাররা। যুদ্ধের সময় তখন টগবগে তরুণ চিরলা...

শরৎগঞ্জ বধ্যভূমি

শরৎগঞ্জ বধ্যভূমি পাকবাহিনী একাত্তরের ১৫ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা জেলায় ঝিনাইদহ সড়কের দশ মাইল দূরে শরৎগঞ্জ এলাকায় আসে এবং শরৎগঞ্জ বাজার আক্রমণ করে বাজারের মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে সেদিন ঘটনাস্থলেই ৭০/৮০ জন শহীদ হন। শরৎগঞ্জ বাজার পরিণত হয় একটি বধ্যভূমিতে। (মুক্তিযুদ্ধ...

মাথাভাঙা নদী গণকবর

মাথাভাঙা নদী গণকবর চুয়ায়াডাঙ্গা শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর তীর এবং তার আশেপাশে রয়েছে অসংখ্য গণকবর। স্বাধীনতার পর এসব গণকবরে পাওয়া গেছে অসংখ্য মৃতদেহ ও বহু শাড়ি-ব্লাউজের ছিন্ন অংশ। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের...

দশমাইল বধ্যভূমি

দশমাইল বধ্যভূমি চুয়াডাঙ্গায় প্রবেশ করে পাকবাহিনী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল এলাকায় হত্যা, লুট ও অগ্নিসংযোগ শুরু করে দেয়। ের এক পর্যায়ে তারা দশমাইলে আসে এবং এখানে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ....

সরোজগঞ্জ গণহত্যা

সরোজগঞ্জ গণহত্যা হানাদার বাহিনী ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরে ঢোকার সময় বৈশাখ মাসের ২ তারিখ বিকেলে চুয়ায়ডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে গুলিবর্ষণ করে হাটে আসা মানুষদের হত্যা করে। ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন শাহাপুর গ্রামের আজগর আলি। তিনি জানান, হানাদার বাহিনী ওইদিন ৬০/৭০ জন...

হাটবোয়ালিয়া গণহত্যা

হাটবোয়ালিয়া গণহত্যা আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম মাস্টার জানান, “হানাদার বাহিনী আলমডাঙ্গা থেকে কয়েকজনকে ধরে এনে হাটবোয়ালিয়া ব্রিজের কাছে গুলি করে হত্যা...

জগন্নাথপুর আটকবর

জগন্নাথপুর আটকবর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান জানান, “দামুড়হুদার জগন্নাথপুরে আছে আট শহীদের কবর। হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে নিহত হন আটজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁদেরকে এখানে কবর দেওয়া হয়”। আট শহিদের কবরের ওপর নির্মিত হয়েছে...

নাটুদহ বধ্যভূমি

নাটুদহ বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান জানান, “দামুঢ়ুদার হাজার দুয়ারি স্কুলের প্পেছনে ছিল গণকবর। ওই স্কুলেই হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। এলাকার শত শত মানুষকে এখানে ধরে এনে নির্যাতন করে স্কুলের পেছনে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা...

উথলী-আকন্দবাড়িয়া বধ্যভূমি

উথলী-আকন্দবাড়িয়া বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, সবচাইতে বেশি লাশ পাওয়া গিয়েছিল উথলী-আকনবাড়িয়ায় (বর্তমানে গুচ্ছগ্রাম) ও ট্রেন লাইনের ধারের ইটভাটায়। পাকবাহিনী বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক ধরে দর্শনায় জড়ো করতো। বিশেষ ট্রেন যোগে উথলী রেল ইয়ার্ডে লোক জড়ো করে কসাইখানা...

জীবননগর কলাবাগান বধ্যভূমি

জীবননগর কলাবাগান বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহতাব উদ্দীন বলেন, “জীবননগর মৎস্য হ্যাচারীর দক্ষিণে বর্তমানে অফিসার্স ক্লাবের পাশে ঐ সময় বিশাল এক কলাবাগান ছিল। এখানে ৮-১০ জনের লাশ পাওয়া যায়। দৌলৎগঞ্জ শাহদত মোল্লার বাড়ির পাশে ৬টি লাশের সন্ধান...