You dont have javascript enabled! Please enable it!

পৌর খেয়াঘাট বধ্যভূমি

পৌর খেয়াঘাট বধ্যভূমি ঝালকাঠি শহরের সুগন্ধা নাদী পাড়ে বর্তমান পৌরসভার খেয়াঘাট এলাকায় একাত্তরের ৩০ মে এক দিনেই ১০৮ জন বাঙালিকে হত্যা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের ন’মাসে সুগন্ধা নদী পাড়ের এ বধ্যভূমিতে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের স্থানীয় লেখক শ্যামল সরকার, স্থানীয়...

আশেক মাহমুদ কলেজ হোস্টেল বধ্যভূমি

আশেক মাহমুদ কলেজ হোস্টেল বধ্যভূমি জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের স্নাতক হোস্টেল ছিল আলবদর বাহিনীর ক্যাম্প। যুদ্ধাকালে তারা বহু লোককে ধরে এনে কলেজ এলাকাতেই জবাই করে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম....

পিয়ারপুর গোরস্থান বধ্যভূমি

পিয়ারপুর গোরস্থান বধ্যভূমি জামালপুরের পিয়ারপুর গোরস্থানের কাছে নদীর ঘাটে ছিল পাকবাহিনীর অন্যতম বধ্যভূমি। পাকসেনারা এখানে অনেককে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ. হাসান, পৃ.-৩৭১; দৈনিক বাংলা, ১২...

বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট বধ্যভূমি

বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট বধ্যভূমি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট এলাকায় পাকসেনারা অসংখ্য মানুষকে নির্মমভাবে গুলিকরে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ. হাসান,...

ইসলামপুর গোয়ালার ঘাট বধ্যভূমি

ইসলামপুর গোয়ালার ঘাট বধ্যভূমি জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়লার ঘাট ছিল আরেকটি বধ্যভূমি। এই বধ্যভূমিতে জীবন দিতে হয়েছে বহু নিরীহ বাঙালীকে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ. হাসান, পৃ.-৩৭১-৩৭২; দৈনিক বাংলা, ১২...

শেরপুর গোরস্থান নদীর ঘাট বধ্যভূমি

শেরপুর গোরস্থান নদীর ঘাট বধ্যভূমি জামালপুর জেলার অন্যতম থানা শেরপুরের গোরস্থানের কাছে নদীর ঘাট ছিল একটি বধ্যভূমি। যুদ্ধকালে পাকসেনারা এখানে অজ্ঞাত অনেক বাঙালিকে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ....

রশিদপুর ঘাট বধ্যভূমি

রশিদপুর ঘাট বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে পাক সেনাবাহিনী এদেশীয় দোসর-আলবদরদের সহযোগিতায় জামালপুর জেলার রশিদপুর ঘাটকে এক বধ্যভূমিতে পরিণত করে। এখানে তারা বহু বাঙালিকে ধরে হত্যা করেছে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা....

কলেজ ক্যাম্প বধ্যভূমি

কলেজ ক্যাম্প বধ্যভূমি জামালপুরের কলেজ ক্যাম্পেও বধ্যভূমি রয়েছে। একাত্তরে পাকসেনা ও তাঁদের দোসর রাজাকাররা এখানে অসংখ্য নিরস্ত্র-নিরাপরাধ মানুষকে ধরে আনতো এবং তাঁদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে হত্যা করা হতো বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

পিটিআই ক্যাম্প বধ্যভূমি

পিটিআই ক্যাম্প বধ্যভূমি জামালপুরের পিটিআই ক্যাম্পে বধ্যভূমি ছিল। জামালপুরে পাকসেনাদের সহযোগী শান্তি কমিটির পাণ্ডারা শহরের বিভিন্ন জয়গা থেকে নিরীহ বাঙালিদের ধরে পিটিআই ক্যাম্পে নিয়ে আসতো এবং কখনো গুলি করে কখনো জবাই করে বা আঘাত করে হত্যা করতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর...

শ্মশানঘাট বধ্যভূমি

শ্মশানঘাট বধ্যভূমি একাত্তরে যুদ্ধের সময় জামালপুরের শ্মশানঘাটে নিয়মিত গণহত্যা চালান হতো। পাক হানাদার বাহিনী শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাঙালিদের ধরে এই শ্মশানঘাটে নিয়ে আসতো এবং পাড়ে দাঁড় করিয়ে তাঁদের ওপর গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...