District (Chuadanga), Killing Fields
জগন্নাথপুর আটকবর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান জানান, “দামুড়হুদার জগন্নাথপুরে আছে আট শহীদের কবর। হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে নিহত হন আটজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁদেরকে এখানে কবর দেওয়া হয়”। আট শহিদের কবরের ওপর নির্মিত হয়েছে...
District (Chuadanga), Killing Fields
নাটুদহ বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান জানান, “দামুঢ়ুদার হাজার দুয়ারি স্কুলের প্পেছনে ছিল গণকবর। ওই স্কুলেই হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। এলাকার শত শত মানুষকে এখানে ধরে এনে নির্যাতন করে স্কুলের পেছনে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা...
District (Chuadanga), Killing Fields
উথলী-আকন্দবাড়িয়া বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, সবচাইতে বেশি লাশ পাওয়া গিয়েছিল উথলী-আকনবাড়িয়ায় (বর্তমানে গুচ্ছগ্রাম) ও ট্রেন লাইনের ধারের ইটভাটায়। পাকবাহিনী বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক ধরে দর্শনায় জড়ো করতো। বিশেষ ট্রেন যোগে উথলী রেল ইয়ার্ডে লোক জড়ো করে কসাইখানা...
District (Chuadanga), Killing Fields
জীবননগর কলাবাগান বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা মীর মাহতাব উদ্দীন বলেন, “জীবননগর মৎস্য হ্যাচারীর দক্ষিণে বর্তমানে অফিসার্স ক্লাবের পাশে ঐ সময় বিশাল এক কলাবাগান ছিল। এখানে ৮-১০ জনের লাশ পাওয়া যায়। দৌলৎগঞ্জ শাহদত মোল্লার বাড়ির পাশে ৬টি লাশের সন্ধান...
District (Chuadanga), Killing Fields
জীবননগর স্টেডিয়াম মোড়ের বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, “তৎকালীন সময়ের জীবননগরের ঝাউতলার নিকট একটি বড় গর্তে (বর্তমানে জিবননগর স্টেডিয়াম মোড়ের পাশে) ৩০ থেকে ৩৫ জনের লাশ পাওয়া...
District (Chuadanga), Killing Fields
জীবননগর থানার পেছনের বধ্যভূমি মুক্তিযোদ্ধা নিজাম উদ্দীন বলেন, “জীবননগর থানা ভবন ছিল পাক বাহিনীর টর্চার সেল। এখানে নিরীহ ও মুক্কতিকামী লোকদেরকে ধরে এনে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হতো এবং টর্চার সেলের পিছনে লাশ পুঁতে রাখা হতো। থানার পিছনের ঐ অংশটি পরবর্তীতে...
District (Chuadanga), Killing Fields
উপজেলা পরিষদের বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলেন, “বর্তমানে যেখানে উপজেলা পরিষদ তার ভেতরের মাঠে ছিল একাত্তরের গণকবর। এখান থেকে আদালতের পেশকার আজিজুল হক মল্লিক, পেশকার দাউদ হোসেন, সাংবাদিক আবুল কাশেমসহ আরো অনেকের লাশ উদ্ধার করা...
District (Chuadanga), Killing Fields
থানা কাউন্সিল পাড়া বধ্যভূমি রাজিব আহমেদ লিখিত ‘চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অগণিত মানুষকে শান্তিপাড়ায় গণকবরে মাটিচাপা দেওয়া হলেও গণকবরগুলো চিহ্নিত কতা হয়নি। স্বাধীনতার পরপরই থানা কাউন্সিলের দক্ষিণ-পূর্বদিকে রেললাইনের...
District (Chuadanga), Killing Fields
শান্তিপাড়ার বাবলা বাগান বধ্যভূমি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলে, “সদর হাসপাতালের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে বর্তমান শান্তিপাড়ায় তখন ছিল ফাঁকা মাঠ। সেখানে অসংখ্য বাবলা গাছ ছিল। এখানে অনেক লোককে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়। প্রায় রাতেই এ এলাকায় গুলির শব্দ শোনা...
District (Chuadanga), Killing Fields
চুয়াডাঙ্গা দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়া বধ্যভূমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের দক্ষিণ দিকে বেশ কয়েকটি গণকবর ছিল। এ প্রসঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা হাফিজুর রহমান বাবু বলেন, “পাকিস্তানী বাহিনীর আর্টিলারি রেজিমেন্ট চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল ভবনে মূল ঘাঁটি স্থাপন করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সদর...