You dont have javascript enabled! Please enable it!

পাহনন্দা মিশন

পাহনন্দা মিশন সদর উপজেলার পাহনন্দা মিশনের পূর্ব পাশে সেতু সংলগ্ন আরও একটি গণকবর আছে, যেখানে ১০/১২ জন অজ্ঞাত পরিচয় মুক্তিকামী মানুষদের দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে এনে হত্যা করে তাঁদের লাশ পুঁতে রাখা হয়েছে বলে জানান মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাংগঠনিক...

খঞ্জনপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় গণকবর

খঞ্জনপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় গণকবর জয়পুরহাটের এই বিদ্যালয়ের মাঠে পানি পান করার জন্য একটি কুয়ো ছিল। এখানে ১৫/২০ জনকে হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয় বলে জানান মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গফুর ও নবীন মর্মূ। ওই শহীদদের পরিচয় পাওয়া না গেলেও ঘটনা সঠিক বলে নিশ্চিত করেন মুক্তিযোদ্ধা আনিছুর...

জয়পুরহাট চিনিকল গণকবর

জয়পুরহাট চিনিকল গণকবর ৩০/৪০ জন মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যার পর জয়পুরহাট চিনিক্ল পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। তবে তাঁদের পরিচয় পাওয়া যায়নি বলে জানান কমান্ডার আবদুল গফুর ও নবীন...

জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ মাঠ গণকবর

জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ মাঠ গণকবর জয়পুরহাট শহরের স্টেশনের পশ্চিম পাশে জয়পুরহাট ডিগ্রী কলেজ। পাক সেনাদের ঘাঁটি ও নির্যাতন কেন্দ্র ছিল এটি। জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাংগঠনিক কমান্ডার আবদুল গফুর ও সদস্য নবীন মর্মূ জানান, হানাদার বাহিনী ও রাজাকাররা বিভিন্ন স্থান প্রায় একশ’...

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি জয়পুরহাট জেলা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার পূর্বে পাগলা দেওয়ান গ্রাম। তার আশেপাশে চক বরকত, খাস পাহনন্দা, চিরলাসহ কয়েকটি ভারত সীমান্তবর্তী গ্রাম। এই গ্রামগুলোয় ’৭১ এর এপ্রিল থেকে নজর রাখতে শুরু করে হানাদাররা। যুদ্ধের সময় তখন টগবগে তরুণ চিরলা...

শরৎগঞ্জ বধ্যভূমি

শরৎগঞ্জ বধ্যভূমি পাকবাহিনী একাত্তরের ১৫ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা জেলায় ঝিনাইদহ সড়কের দশ মাইল দূরে শরৎগঞ্জ এলাকায় আসে এবং শরৎগঞ্জ বাজার আক্রমণ করে বাজারের মানুষের ওপর গুলিবর্ষণ করে। এতে সেদিন ঘটনাস্থলেই ৭০/৮০ জন শহীদ হন। শরৎগঞ্জ বাজার পরিণত হয় একটি বধ্যভূমিতে। (মুক্তিযুদ্ধ...

মাথাভাঙা নদী গণকবর

মাথাভাঙা নদী গণকবর চুয়ায়াডাঙ্গা শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাথাভাঙ্গা নদীর তীর এবং তার আশেপাশে রয়েছে অসংখ্য গণকবর। স্বাধীনতার পর এসব গণকবরে পাওয়া গেছে অসংখ্য মৃতদেহ ও বহু শাড়ি-ব্লাউজের ছিন্ন অংশ। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের...

দশমাইল বধ্যভূমি

দশমাইল বধ্যভূমি চুয়াডাঙ্গায় প্রবেশ করে পাকবাহিনী ১৫ ও ১৬ এপ্রিল এলাকায় হত্যা, লুট ও অগ্নিসংযোগ শুরু করে দেয়। ের এক পর্যায়ে তারা দশমাইলে আসে এবং এখানে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করে। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: যুদ্ধাপরাধ গণহত্যা ও বিচারের অন্বেষণ – ডা. এম. এ....

সরোজগঞ্জ গণহত্যা

সরোজগঞ্জ গণহত্যা হানাদার বাহিনী ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা শহরে ঢোকার সময় বৈশাখ মাসের ২ তারিখ বিকেলে চুয়ায়ডাঙ্গার সরোজগঞ্জ বাজারে গুলিবর্ষণ করে হাটে আসা মানুষদের হত্যা করে। ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন শাহাপুর গ্রামের আজগর আলি। তিনি জানান, হানাদার বাহিনী ওইদিন ৬০/৭০ জন...

হাটবোয়ালিয়া গণহত্যা

হাটবোয়ালিয়া গণহত্যা আলমডাঙ্গার হাটবোয়ালিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম মাস্টার জানান, “হানাদার বাহিনী আলমডাঙ্গা থেকে কয়েকজনকে ধরে এনে হাটবোয়ালিয়া ব্রিজের কাছে গুলি করে হত্যা...