You dont have javascript enabled! Please enable it!

1971.11.23 | শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজার আক্রমণ, হবিগঞ্জ

শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজার আক্রমণ, হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের আনসার কমান্ডার মো. ইউনুস চৌধুরীর নেতৃত্বে শায়েস্তাগঞ্জ পুরানবাজারে টহলরত পাকিস্তানী বাহিনীর উপর নভেম্বরের ২৩ তারিখ মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত আক্রমণ করে ১ জন পাকিস্তানী সৈন্যকে হত্যা করে। এই অভিযানে বীরত্বের পরিচয় দেন...

1971.12.03 | শায়েস্তাগঞ্জ খোয়াই ব্রিজ আক্রমণ, হবিগঞ্জ

শায়েস্তাগঞ্জ খোয়াই ব্রিজ আক্রমণ, হবিগঞ্জ ডিসেম্বরের ৩ তারিখে বিমান থেকে বম্বিং করে শায়েস্তাগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের খোয়াই ব্রিজের একাংশ বিধ্বস্ত করে। এর ফলে কুমিল্লা থেকে মৌলভীবাজারের সাথে পাকিস্তানী বাহিনীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এদিকে মৌলভীবাজারের ও আখাউড়া...

1971.07.05 | শায়েস্তাগঞ্জ আক্রমণ, হবিগঞ্জ

শায়েস্তাগঞ্জ আক্রমণ, হবিগঞ্জ শায়েস্তাগঞ্জ ডাকবাংলো ছিল পাকিস্তানী বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি। হাইস্কুল এবং আলিয়া মাদ্রাসা ছিল তাদের দোসর রাজাকারদের ক্যাম্প। জুলাই মাসের ৫/৬ তারিখে মুক্তিযোদ্ধাদের গ্রুপ কমান্ডার আবদুস শহিদ অস্ত্রশস্ত্র সহ ৩৫/৪০ জনের একটি দল শায়েস্তগঞ্জ...

1972.01.30 | ১৯৭২ সনের ৩০ জানুয়ারি শান্তি ও শৃঙ্খলা স্থাপনকারী বাংলাদেশী সেনাসদস্য ও পুলিশের উপর অতর্কিতে হামলা

শামীম, ব্রিগেডিয়ার স্থান: ঢাকা, মিরপুর অপরাধ: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সনের পরে বেশ কিছু দলছুট পাকসৈন্য, ইপিসিএএফ, রেঞ্জারস, মিলিশিয়া এবং অবাঙালি রাজাকার নিয়ে ব্রিগেডিয়ার শামীম মিরপুরে অবস্থান নেয়। তার নেতৃত্বে এদের সম্মিলিত বাহিনী আত্মসমৰ্পণ চুক্তি ও জেনেভা কনভেনশন ভঙ্গ...

বাংলাদেশ আধাসামরিক বাহিনী (ই.পি.আর)

আধাসামরিক বাহিনী (ই.পি.আর) বাংলাদেশ আধাসামরিক বাহিনী বলতে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান রাইফেলস্ (ই.পি.আর) কে বোঝায়। এই রাইফেলস্ বাহিনীর তখন ৬টা সেক্টরের অধীনে ১৭ টা উইং ছিল যার মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল ১৫,০০০ তন্মধ্যে ৩,০০০ এর মতো ছিল অবাঙালি, বাকি ১২,০০০ সৈনিক ছিল বাঙালি।...

মুক্তিযুদ্ধপূর্ব বাংলাদেশে সেনাবাহিনীতে বাঙালি সৈন্যের পরিসংখ্যান

মুক্তিযুদ্ধপূর্ব বাংলাদেশে সেনাবাহিনীতে বাঙালি সৈন্যের পরিসংখ্যান পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব ছিল মাত্র শতকরা পাঁচভাগ সেকথা পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে। এরা সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট বা প্রতিষ্ঠানে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় ছিল। পুরোপুরি বাঙালি সৈনিক...

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের বলা হতো মুক্তিফৌজ

মুক্তিফৌজ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী পাকিস্তান নিয়মিত বাহিনী, অর্থাৎ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের বলা হতো মুক্তিফৌজ। আসলে মুক্তিযুদ্ধের সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে যোগদানকারী প্রতিটি মানুষই ছিলেন মুক্তিফৌজ বা মুক্তিযোদ্ধা। রণাঙ্গনের কর্মকাণ্ডে এরা সকলেই ছিলেন দেশপ্রেমিক...

মুক্তিরা ছিল পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যদের নির্মম অত্যাচার থেকে স্বাধীনতাকামী মানুষকে বাঁচাতে মুক্তির দূত স্বরূপ

মুক্তি মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের সংক্ষিপ্তাকারে ‘মুক্তি’ বলা হতো। গ্রামগঞ্জের অশিক্ষিত মানুষদের কাছে ১৯৭১ সালে এই শব্দ ছিল অতি-পরিচিত। মুক্তি বাহিনী বা মুক্তিযোদ্ধা না বলে তারা তাদের কাছে চিহ্নিত হতো মুক্তি হিসেবে। এই মুক্তিরা ছিল পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যদের...

1971.12.11 | মুক্তারপুর ফেরিঘাটের যুদ্ধ, মুন্সিগঞ্জ

মুক্তারপুর ফেরিঘাটের যুদ্ধ, মুন্সিগঞ্জ মুক্তিযুদ্ধের একবারে শেষ পর্যায়ে, ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পাকসেনারা হরগঙ্গা কলেজের ক্যাম্প ত্যাগ করে রাতের অন্ধকারে ধলেশ্বরী নদী পার হয়ে মুক্তারপুর চরে আশ্রয় নেয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নিকটবর্তী শক্ত ঘাঁটি...

মুকুন্দপুরের আক্রমণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

মুকুন্দপুরের আক্রমণ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার মুকুন্দপুর গ্রাম এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকা অনেক দিন থেকেই পাকবাহিনীর দখলে। পাকবাহিনী একটি পদাতিক প্লাটুন নিয়ে মুকুন্দপুর সীমান্ত ফাঁড়িতে একটি শক্তিশালি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। ফাঁড়িটি রেলওয়ে...