You dont have javascript enabled! Please enable it!

বড়পুকুরপাড় গণকবর

বড়পুকুরপাড় গণকবর ১৯৭১ সালের ১৯ মে পাকবাহিনী চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় প্রবেশ করে নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করে দেয়। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়। প্রথম দিনেই তারা বাঁশখালির বাণী গ্রামের বিভূতিরঞ্জন চৌধুরী, আশুতোষ, দুই সহোদর সুধাংশু দে ও সুশান্ত দেসহ মোট ১৮ জনকে...

পাঁচলাইশ বধ্যভূমি

পাঁচলাইশ বধ্যভূমি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে দাম্পিং ডিপোর কাছে একটি বধ্যভূমি আবিষ্কৃত হয়। এই স্থানের মাটি সরাবার পর শত শত নরকঙ্কাল পাওয়া যায়। মানুষের খুলি এবং হাড়গোড়ের পরিমাণ দেখে এখানকার বধ্যভূমিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান করা হয়। কোনো কোনো...

পশ্চিম হিঙ্গুলী বধ্যভূমি

পশ্চিম হিঙ্গুলী বধ্যভূমি স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৩ মে চট্টগ্রাম জেলার মিরশ্বরাই থানার পশ্চিম হিঙ্গুলী গ্রামের একটি পুকুর থেকে ৮৩ টি নরকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। জঙ্গল ঘেরা অন্ধকার এলাকায় পুকুরটি ছিল। হত্যার পর পাকবাহিনী এই পুকুরে হতভাগ্যদের ফেলে যায়। এই গ্রামটির অবস্থান...

দামপাড়া বধ্যভূমি

দামপাড়া বধ্যভূমি চট্টগ্রামের সবচেয়ে মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় দামপাড়া গরীবুল্লাহ শাহ্‌ মাজারের পাশের বধ্যভূমিতে। এই বধ্যভূমিতে প্রায় ৪০ হাজার বাঙালিকে হত্যা করা হয়। একাত্তরের ৩০ মার্চ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির দিন ছাড়া...

জোরারগঞ্জ বধ্যভূমি

জোরারগঞ্জ বধ্যভূমি চট্টগ্রামের মিরশ্বরাইয়ের জোরারগঞ্জ এলাকায় মানুষ জবাই করার স্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এখানে রাস্তা, বাস-ট্রাক এবং ট্রেন থেকে বহু লোককে ধরে এনে আটক রাখা হতো এবং প্রতিদিন ৫০ জন অথবা ১০০ জন করে হত্যা করা হতো। (মুক্তিযুদ্ধ সংগৃহীত তথ্য সূত্র:...

শিবনাথ পাহাড় বধ্যভূমি

শিবনাথ পাহাড় বধ্যভূমি চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডের শিবনাথ পাহাড়ে কয়েক হাজার বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। (মুক্তিযুদ্ধ সংগৃহীত তথ্য সূত্র: বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-৫৯; দৈনিক পূর্বদেশ, ১৩ ফেব্রুয়ারি...

নাসিরাবাদ বধ্যভূমি

নাসিরাবাদ বধ্যভূমি চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ এলাকায় রয়েছে বধ্যভূমি। ১৯৭২-এ ‘পূর্বদেশ’ প্রতিনিধি তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ‘নাসিরাবাদের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বহু নরকঙ্কালের অস্তিত্ব পাওয়া যেতে পারে’। (মুক্তিযুদ্ধ সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার...

ঝাউতলা বধ্যভূমি

ঝাউতলা বধ্যভূমি চট্টগ্রাম শহরেরঝাউতলায় রয়েছে বধ্যভূমি। ১৯৭২-এ ‘পূর্বদেশ’-এর প্রতিনিধি ঝাউতলা এলাকার বিভিন্ন সেফটি ট্যাঙ্ক ও পাহাড়ি ঝোপঝাড়ের মধ্যে অনেকগুলো কঙ্কাল দেখতে পেয়েছেন উল্লেখ করে লেখেন “চট্টগ্রাম শহরের ঝাউতলায় বহু নরকঙ্কাল অস্তিত্ব পাওয়া যাবে”। (মুক্তিযুদ্ধ...

সীতাকুণ্ড পাহাড় বধ্যভূমি

সীতাকুণ্ড পাহাড় বধ্যভূমি পাকবাহিনী সীতাকুণ্ড পাহাড়ে হাজার হাজার বাঙালিকে হত্যা করেছে। স্থানীয় জনসাধারনের ধারণা-শুধু মিরশ্বরাই ও সীতাকুণ্ডের বধ্যভূমিগুলোতে ১৫ থেকে ২৫ হাজার লোককে হত্যা করা হয়েছে। (মুক্তিযুদ্ধ সংগৃহীত তথ্য সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার...

মিরশ্বরাই বধ্যভূমি

মিরশ্বরাই বধ্যভূমি একাত্তরের এপ্রিলে পাকবাহিনী মিরশ্বরাইয়ে রাজাকার বাহিনী ও শান্তি কমিটি গঠনের পর হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ ও বিভিন্ন ধরণের নির্যাতন চালাতে থাকে। পাকবাহিনী মিরশ্বরাইয়ের অদূরে লোহারপুর, হিঙ্গুলী সেতু, তছি মিয়ার পুল, করের হাট ইউনিয়ন, সীমান্তবর্তী ফেনি নদীর...