You dont have javascript enabled! Please enable it!

কালিকাপুর গণকবর

কালিকাপুর গণকবর পটুয়াখালী জেলার কালিকাপুরে রয়েছে গণকবর। যুদ্ধকালীন সময়ে পটুয়াখালীতে পাক বাহিনীর গুলিতে নিহত অজ্ঞাত অসংখ্য শহীদকে এই গণকবরে সমাহিত করা হয়। স্বাধীনতার পর এই গণকবরটি আবিষ্কৃত হয়। (সূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১১৫, ৪৫৩;...

পিটিআই বধ্যভূমি

পিটিআই বধ্যভূমি মাগুরা শহরের সাতদোহা নবঙ্গা নদীর ঘাট ও পিটিআই স্কুলের বর্তমানে মহিলা ছাত্রীবাসের অদূরে রয়েছে বধ্যভূমি। যুদ্ধকালীন এখানে অনেককে হত্যা করা হয়। ইসলামি ছাত্র সংঘের রিজু ও কবীর ছিল মাগুরার বিখ্যাত কসাই। এঁরা মানুষ হত্যার জন্য যশোর সামরিক ছাউনি থেকে...

পারনান্দুয়ালী ক্যানেল

পারনান্দুয়ালী ক্যানেল শহরতলীর পরনান্দুয়ালী ক্যানেল এলাকা বর্তমান পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের অদূরে, এটি ৭১ সালের সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মূল স্থান ছিল। এখানে মাগুরা শহরের মুক্তিকামী সাধারণ মানুষ ও অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে ধরে নিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে দিত...

শালিখা পুরাতন থানা ভবন

শালিখা পুরাতন থানা ভবন শালিখা পুরাতন থানা ভবনে রাজাকারদের ক্যাম্প স্থাপন করে। পরে থানা সংলগ্ন চিত্রা নদীতে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়। (সূত্র: সরদার ফারুক আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা ও...

শালিখার আড়পাড়া ডাক বাংলো ঘাট

শালিখার আড়পাড়া ডাক বাংলো ঘাট শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজার সংলগ্ন ডাকবাংলোতে সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্যাতনের পর ফটকি নদীর ঘাটে তাঁদের হত্যা করা হতো। (সূত্র: সরদার ফারুক আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা ও...

দিনান্ত ক্লাব বধ্যভূমি

দিনান্ত ক্লাব বধ্যভূমি মাগুরা শহরের নোমানী ময়দান সংলগ্ন দিনান্ত ক্লাব এলাকা ছিল পাকবাহিনীর অন্যতম বধ্যভূমি। মাগুরার দূর-দুরান্তের বিভিন্ন গ্রাম থেকে নিরীহ মানুষদের ধরে এনে হত্যা করে এখানে পুঁতে রাখা হয়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর...

পাকা সেতু বধ্যভূমি

পাকা সেতু বধ্যভূমি মাগুরার বধ্যভুমিগুলোর মধ্যে ঢাকা-মাগুরা সড়কের (ঢাকারোড স্লুইচ গেট) পাকা সেতুটি (ব্রিজ) ছিল অন্যতম বধ্যভূমি। এই সেতুতে অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। পাক হানাদাররা বিভিন্ন গ্রাম থেকে যুবকদের ধরে এনে তাঁদের গলায় দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে তাঁদের দিত। তারপর...

কাচারি ঘাট বধ্যভূমি

কাচারি ঘাট বধ্যভূমি ময়মনসিংহ শহরের অদূরে ব্রহ্মপুত্র নদী তীর সংলগ্ন কাচারি ঘাটে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকসেনা ও রাজাকাররা এখানে যেসব বাঙালিকে হত্যা করেছে তাঁদের অধিকাংশেরই লাশ ব্রহ্মপুত্র নদীতে ফেলে দিয়েছিল। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র:...

কেওয়াটখালি রেলওয়ে কলোনি বধ্যভূমি

কেওয়াটখালি রেলওয়ে কলোনি বধ্যভূমি ময়মনসিংহ কেওয়াটখালি রেলওয়ে কলোনিতে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষ হলে এই বধ্যভূমি থেকে অসংখ্য মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এটি বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত...

ডাকবাংলো বধ্যভূমি

ডাকবাংলো বধ্যভূমি ময়মনসিংহ ডাকবাংলোতে রয়েছে একটি বধ্যভূমি। এই ডাকবাংলোয় ছিল পাকবাহিনীর ক্যাম্প। এই ক্যাম্প থেকে পরিচালিত হতো তাঁদের হত্যাকাণ্ড। তাই স্বাধীনতার পর এ ডাকবাংলোর পাশে নদীর ধারে পাওয়া গেছে অসংখ্য নরকঙ্কাল ও মাথার খুলি। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র:...