You dont have javascript enabled! Please enable it!

কালীগঞ্জ উপজেলায় চৌদ্দপোতা গণকবর/চৌদ্দপোতা বধ্যভূমি

কালীগঞ্জ উপজেলায় চৌদ্দপোতা গণকবর/চৌদ্দপোতা বধ্যভূমি সাতক্ষীরার ভাড়াশিমলা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান কালীগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল খালেক (৫১), তার চাচা আকিমুদ্দী মোড়ল (৭৬) ও চাচী আনোয়ারা বেগম (৬৫) জানান, পাক হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি ঘাঁটি গাড়ে বর্তমান...

শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন বধ্যভূমি

শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন বধ্যভূমি সাতক্ষীরায় হানাদার বাহিনী পিটিআই স্কুলের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন রুহুল আমিন সাহেবের বাড়িটি নির্যাতন কেন্দ্র হিসাবে রাজাকার ও পাক হানাদার বাহিনী ব্যবহার করত। সাতক্ষীরার রাজাকার বাহিনীর প্রধান ও পাক বাহিনী বাঙালিদের ধরে...

সুলতানপুর পালপাড়া খাল বধ্যভূমি

সুলতানপুর পালপাড়া খাল বধ্যভূমি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর পালপাড়া খালের ধারে বাঙালিদের হত্যা করা হতো। সুরেন, নরেন ও কেষ্টপদ নামের তিন মুক্তিকামী যুবককে এখানে হত্যা করা...

ঝাউডাঙ্গা বধ্যভূমি

ঝাউডাঙ্গা বধ্যভূমি সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় স্বাধীনতা লাভের কয়েকদিন আগে ভারতে যাওয়ার সময় শত শত বাঙালি নারী, পুরুষ, ও শিশু শরনার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে লাশগুলো গোবিন্দকাটি খালপাড় ও রূপালী ব্যাংকের পিছনে গণকবর দেওয়া হয়। এসব গণকবর গুলোরও আলাদা করে...

ভাডুখালী-মাহমুদপুর সুল বধ্যভূমি

ভাডুখালী-মাহমুদপুর সুল বধ্যভূমি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাডুখালী-মাহমুদপুর স্কুলের পিছনের পুকুর থেকে স্বাধীনতার পর কয়েকশ’ মানুষের কঙ্কাল ও খুলি উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় বৃহৎ গণকবর হিসাবে এটি চিহ্নিত হলেও এখন এর কোনো অস্তিত্ব...

বাঁকাল সেতু বধ্যভূমি

বাঁকাল সেতু বধ্যভূমি সদর উপজেলায় সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের বাঁকাল সেতু ছিল পাক হানাদারদের একটি হত্যাযজ্ঞের স্থান। মুক্তিকামী বাঙালিদের ধরে এনে গুলি করে বা জবাই করে সেতুর নিচে লাশ ফেলে দিতো। এ জায়গাটি প্রভাবশালীদের দখলে চলে...

দোসররা স্কুল বধ্যভূমি

দোসররা স্কুল বধ্যভূমি ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৪/৫শ’ নির্যাতিত মুক্তিকামী মানুষ ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা এসে হাইস্কুলে আশ্রয় নেয়। পরদিন সন্ধ্যায় পাক হানাদার বাহিনী ও তাঁদের দোসররা স্কুলের পিছনে দীনেশ কর্মকারের বাড়িতে গিয়ে মুক্তিকামীদের...

হীরা মিয়ার বাসা বধ্যভূমি

হীরা মিয়ার বাসা বধ্যভূমি গৃদারায়নপুরের বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা প্রয়াত ইমদাদুল হক হীরা মিয়ার বাসায় রাজাকাররা ক্যাম্প করে মানুষকে ধরে হত্যা করে লাশ পুঁতে রেখে ছিল। স্বাধীনতার পর সেখান থেকে খুলি ও হাড় গোড় উদ্ধার করা হয়। আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত আব্দুস ছামাদের বাসা থেকেও...

শনি মন্দির বধ্যভূমি

শনি মন্দির বধ্যভূমি ১৯৭১ সালে ২৬ এপ্রিল পাক হানাদার বাহিনী শেরপুরে প্রবেশ করেই পূজা করা অবস্থায় শনি মন্দিরের ঠাকুরকে হত্যা করে কূপের ভেতর ফেলে দেয়। এর কিছুক্ষণ পরেই রঘুনাথ বাজার এলাকার এক পিয়াজু বিক্রেতাকে হত্যা...

আহাম্মদ নগর উচ্চ বিদ্যালয় বধ্যভূমি

আহাম্মদ নগর উচ্চ বিদ্যালয় বধ্যভূমি এছাড়া ঝিনাইগাতীর আহাম্মদ নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত পাক বাহিনীর হেড কোয়াটার ক্যাম্পে অসংখ্য মানুষ ধরে নিয়ে নির্যাতন শেষে হত্যা করা হয়েছে। ঝিনাইগাতীর বগাডুবি সেতুতে নিয়েও অনেক মানুষকে হত্যা করা...