You dont have javascript enabled! Please enable it!

উমরপুর বধ্যভূমি

উমরপুর বধ্যভূমি সিলেটের উমরপুর ছিল পাক হানাদার বাহিনীর অন্যতম বধ্যভূমি। একাত্তরে পাক বাহিনী ও রাজাকাররা উমরপুরে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। তাঁদের এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অসংখ্য অসহায় নারি-পুরুষ-শিশু। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও...

হরিকোনা বধ্যভূমি

হরিকোনা বধ্যভূমি সিলেটের হরিকোনায় ছিল বধ্যভূমি। এখানে বহু বাঙালিকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে পাকবাহিনী। তারা এই হত্যাকাণ্ডের পর এসব বাঙালির লাশ একটি গর্তে মাটি চাপা দিয়ে রাখতো। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সংগৃহীত তথ্যসূত্র: একাত্তরের বধ্যভূমি ও গণকবর – সুকুমার বিশ্বাস, পৃ.-১১৭,...

আরও বধ্যভূমি ও গণকবর

আরও বধ্যভূমি ও গণকবর এছাড়া বালাগঞ্জের ইলাশপুর, লালকৈলাশ, গোয়ালাবাজার, সাদিপুর, শেরপুর, জকিগঞ্জের লোহারমহল, কালিগঞ্জ, চারগ্রাম, জৈন্তাপুরের খান চা বাগান, হেমু, গোয়াইনঘাটের পুর্ণানগর, ছাতারগ্রাম, মিত্রিমহল, কামাইদ, কছুয়ারপাড়, গৌরীনগর এলাকায় একাত্তরে পাক হানাদার বাহিনী...

সুরিকোনা গণহত্যা

সুরিকোনা গণহত্যা ১৯৭১ সালের ১৯ জুলাই বালাগঞ্জের সাদিপুর ইউনিয়নের সুরিকোনা গ্রামে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে ৩৩জন নারী পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কিন্তু সরকারিভাবে গণকবরটি চিহ্নিতই করা হয়নি। সাধারণ পতিত জমির মতো পড়ে রয়েছে গণকবরটি। গণকবরের কোন চিহ্ন মাত্রও নেই। স্থানীয়...

সোনাতিকান্দি

সোনাতিকান্দি দক্ষিণ সুরমার সোনাতিকান্দি বধ্যভূমি অজানাপচেনা রয়ে গেছে আজও। মুক্তিযুদ্ধের ৪০ বছর পরও ওই বধ্যভূমিটি সংরক্ষণে কোনো সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। পাক হানাদাররা গুলি করে হত্যা করা পর প্রায় তিন শতাধিক মানুষকে সিলেট-ঢাকা রেললাইনের পাশে সোনাতিকান্দিতে...

চিকনাগুল

চিকনাগুল সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল এলাকায় ৭১ সালের ডিসেম্বরে ঐ এলাকার মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প ঘেরাও করে পাক হানাদার বাহিনী। এ সময় হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ হয়। তৎকালীন ইপিআর সদস্য হাবিলদার গোলাম রসুল, আব্দুর রব ও আব্দুল মালেকরা যুদ্ধ করে তাঁদের সঙ্গী...

তামাবিল

তামাবিল গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিলে পাক সেনাদের শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল। ৭১-এর মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এখানে অবস্থান করে পাক  সেনারা। যুদ্ধের শেষ দিকে মুক্তিযোদ্ধারা পাক ঘাটিগুলো দখল করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হলেও সম্মুখ যুদ্ধে অনেক মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এদেরকে তামাবিলে...

সুন্দিশাইল গণহত্যা

সুন্দিশাইল গণহত্যা যুদ্ধ চলাকালীন গোপালগঞ্জে পাক হানাদার বাহিনী ৩৪ ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে ২৭ শহীদের গণহত্যা ও হত্যার ঘটনা নিবন্ধিত রয়েছে। তবে পাকসেনারা অপর ৭ জনকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছিল সেটি নথিভূক্ত নেই। ১৯৭১ সালের...

কাঁঠাল তলা বধ্যভূমি

কাঁঠাল তলা বধ্যভূমি সিলেটের বিয়ানীবাজার ডাকবাংলোর রান্নাঘরকে ব্যবহার করা হতো নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে। এখানেই ধুকে ধুকে মৃত্যুকে আলিঙ্গণ করেছেন অসংখ্য মানুষ। এর অদূরে টিলা সংলগ্ন কাঁঠাল গাছের তলাকে পরিণত করা হয় বধ্যভূমি হিসাবে। স্বাধীনতার পর এখান থেকে শতাধিক কঙ্কাল...

মালিগ্রাম-বিষ্ণুপুর

মালিগ্রাম-বিষ্ণুপুর ৭১ সালের আগস্টে মুক্তিযোদ্ধারা দরবস্ত-কানাইঘাট সড়কের ওপর নির্মিত বিষ্ণুপুর সেতুটি ভেঙ্গে ফেলে। এসময় তিন রাজাকারকে হত্যা করা হয়। ১৯৭১ সালের ৩১ আগস্ট সেই ৩ রাজাকারকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে পাক বাহিনীর ক্যাপ্টেন বশারত ছুটে যায় বড়চতুল ইউপির মালিগ্রামে।...