You dont have javascript enabled! Please enable it!

নাজিরপুর থানার বধ্যভূমি

নাজিরপুর থানার বধ্যভূমি নাজিরপুর থানার শ্রীরামকাঠী, গাবতলা, চৌঠাইমহল, কালিকাঠী, চালিতাবাড়ী, ঘোষকাঠী, দীর্ঘা, গোবর্ধন, বলিবাবলা, শাখারীকাঠী, রঘুনাথপুর বধ্যভূমিতে প্রাণ দেন সহস্রাধিক স্বাধীনতাকামী...

কুড়িয়ানা বিদ্যালয় বধ্যভূমি

কুড়িয়ানা বিদ্যালয় বধ্যভূমি একাত্তরের ৬ মে পাকবাহিনী পিরোজপুরের স্বরূপকাঠীতে ঘাঁটি স্থাপন করে। এসময় তারা আটঘর-কুড়িয়ানা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ডোবায় ৪শ’ জনকে হত্যা করার পর তাঁদের লাশ মাটিতে পুঁতে রাখে তারা। স্বাধীনতার পর ঐ জায়গা থেকে কয়েকশ’ মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার...

স্বরূপকাঠীর বধ্যভূমি

স্বরূপকাঠীর বধ্যভূমি হিন্দু অধ্যুষিত স্বরূপকাঠীতে পাক সেনা ও তাঁদের দোসররা চালায় ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ। জেলার স্বরূপকাঠী (নেছারাবাদ) উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনের ডোবায় ৪শ’ জনকে হত্যা করে পুঁতে রাখা...

সূর্যমনি বেড়িবাঁধ বধ্যভূমি

সূর্যমনি বেড়িবাঁধ বধ্যভূমি মঠবাড়ীয়া থানার (উপজেলা) সূর্যমনি বেড়িবাঁধ বধ্যভূমি অন্যতম। এখানে রয়েছে ধানীসাফা ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি, মিরুখালী-সাপলেজা ইউনিয়নের বাড়ৈবাড়ি, বড় মাছুয়া ইউনিয়নের স্টিমার ঘাট বধ্যভূমি। এসব বধ্যভূমিতে সাড়ে ৩ সহস্রাধিক বাঙালিকে হত্যা করা...

তেজদাসকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয় বধ্যভূমি

তেজদাসকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয় বধ্যভূমি সদর উপজেলার কদমতলার পোরগোলা, টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠীর খেজুরতলায় ২৩ জনকে হত্যা করা হয়। এছাড়া জুজখোলা গ্রামের আইউব আলী মেম্বরের পরিবারের ১৪ জনকে হত্যা করা হয়। সদর উপজেলার পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরেও রয়েছে একটি বধ্যভূমি। এসব বধ্যভূমিতে ৫...

চাঁদমারী বধ্যভূমি

চাঁদমারী বধ্যভূমি পিরোজপুর শহরের বালেশ্বর নদ সংলগ্ন (পুরাতন) খেয়াঘাটের বধ্যভূমি অদূরে চাঁদমারী বধ্যভূমিতেও অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হুলারহাট নৌবন্দের তীরে রয়েছে আরও একটি...

বালেশ্বর নদীর ঘাট বধ্যভূমি

বালেশ্বর নদীর ঘাট বধ্যভূমি পিরোজপুর শহরের বালেশ্বর নদ সংলগ্ন (পুরাতন) খেয়াঘাটের সিড়িতে ৫ মে অনেক নিরীহ মানুষকে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করে। এসময় মহকুমা প্রশাসক আ. রাজ্জাক, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সাঈফ মিজানুর রহমান, মহকুমা পুলিশ অফিসার ফয়জুর রহমান...

মাছিমপুর, কৃষ্ণনগর ও মন্ডলপাড়া বধ্যভূমি

মাছিমপুর, কৃষ্ণনগর ও মন্ডলপাড়া বধ্যভূমি ক্যাপ্টেন এজাজের নেতৃত্বে ২ মে পিরোজপুরে পাক হানাদার বাহিনী প্রবেশ করে। কচা নদের হুলারহাট নৌ বন্দর দিয়ে পাক সেনারা আসার পথে শহরের মাছিমপুর, কৃষ্ণনগর ও মন্ডলপাড়ায় হত্যাযজ্ঞ চালায়। এতে ২৮ জন নিরীহ বাঙালি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।...

ফতে মোহাম্মদপুর বধ্যভূমি

ফতে মোহাম্মদপুর বধ্যভূমি ঈশ্বরদী অবাঙালি অধ্যুষিত এলাকা মোহাম্মদপুর থেকে ১০ গজ দূরত্বের মধ্যে দু’টি বধ্যভূমি রয়েছে। ১৯৭১ সালে অবাঙালিদের দ্বারা পরিচালিত নৃশংস হত্যাকান্ডে এ বধ্যভূমির একটিতে বাঙালি পুরুষদের এবং অন্যটিতে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হতো। সেসময় পাক সেনা,...

করমজা গণকবর

করমজা গণকবর পাবনার সাথিয়া থানার করমজা গ্রামে একটি গণকবর রয়েছে। এখানে ৮ জনকে একসঙ্গে কবর দেওয়া হয়েছিল বলে গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী বিশ্বনাথ দাস ও গোপাল চন্দ্র দাস জানান। পরে সেখান থেকে হাড়গোড় তোলা হয়। এছাড়াও কৃষি ফার্ম একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া যায়। (মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর...