You dont have javascript enabled! Please enable it!

কলারোয়া উপজেলায় গণহত্যা

কলারোয়া উপজেলায় গণহত্যা কলারোয়ায় ৮/১০টি সম্মুখ যুদ্ধ ও পাক বাহিনীর এলোপাতাড়ি হামলায় অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন। বিভিন্ন সূত্র মতে, কলারোয়া উপজেলায় ৯টি গণকবরের অস্তিত্ব রয়েছে। সেগুলো হলো, শ্রীপতিপুরের পাল পাড়ায় (৯জন), কলারোয়া ফুটবল ময়দানের দক্ষিণে...

কাকশিয়ালী বধ্যভূমি

কাকশিয়ালী বধ্যভূমি কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ বিশ্বাস (৫৬) ও কালিগঞ্জ রোকেয়া মনসুর ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক মুনছুর আলী জানান, পাকিস্তানি বাহিনীর নিষ্ঠুরতা থেকে নারী, শিশু ও বৃদ্ধ কেউই রেহাই পায়নি। কাকশিয়ালী...

পূর্ব নারায়নপুরের বধ্যভূমি

পূর্ব নারায়নপুরের বধ্যভূমি কালীগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলী (৭২), মোমরেজপুর গ্রামের আব্দুল মাজেদ (৬০) ও মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেন গাজী (৫৮) জানান, জুনের মাঝামাঝি পাক হানাদার বাহিনী ও তাঁদের দোসরদের নির্যাতনে স্থানীয় অনেকেই বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে...

পশ্চিম নারায়নপুরের বার পোতা বধ্যভূমি

পশ্চিম নারায়নপুরের বার পোতা বধ্যভূমি চৌদ্দপোতা থেকে মাত্র ৫শ’ মিটার দূরে রয়েছে আরও একটি বধ্যভূমি। সেখানে বিভিন্ন সময় মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা ছাড়াও একদিন ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে একই সঙ্গে গুলি করেহত্যার পর একটি গর্তে পুঁতে রাখে পাক হানাদার এবং তাঁদের দোসররা। সে কারণে...

কালীগঞ্জ উপজেলায় চৌদ্দপোতা গণকবর/চৌদ্দপোতা বধ্যভূমি

কালীগঞ্জ উপজেলায় চৌদ্দপোতা গণকবর/চৌদ্দপোতা বধ্যভূমি সাতক্ষীরার ভাড়াশিমলা ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান কালীগঞ্জ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল খালেক (৫১), তার চাচা আকিমুদ্দী মোড়ল (৭৬) ও চাচী আনোয়ারা বেগম (৬৫) জানান, পাক হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি ঘাঁটি গাড়ে বর্তমান...

শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন বধ্যভূমি

শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন বধ্যভূমি সাতক্ষীরায় হানাদার বাহিনী পিটিআই স্কুলের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক সংলগ্ন রুহুল আমিন সাহেবের বাড়িটি নির্যাতন কেন্দ্র হিসাবে রাজাকার ও পাক হানাদার বাহিনী ব্যবহার করত। সাতক্ষীরার রাজাকার বাহিনীর প্রধান ও পাক বাহিনী বাঙালিদের ধরে...

সুলতানপুর পালপাড়া খাল বধ্যভূমি

সুলতানপুর পালপাড়া খাল বধ্যভূমি সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর পালপাড়া খালের ধারে বাঙালিদের হত্যা করা হতো। সুরেন, নরেন ও কেষ্টপদ নামের তিন মুক্তিকামী যুবককে এখানে হত্যা করা...

ঝাউডাঙ্গা বধ্যভূমি

ঝাউডাঙ্গা বধ্যভূমি সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গায় স্বাধীনতা লাভের কয়েকদিন আগে ভারতে যাওয়ার সময় শত শত বাঙালি নারী, পুরুষ, ও শিশু শরনার্থীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে লাশগুলো গোবিন্দকাটি খালপাড় ও রূপালী ব্যাংকের পিছনে গণকবর দেওয়া হয়। এসব গণকবর গুলোরও আলাদা করে...

ভাডুখালী-মাহমুদপুর সুল বধ্যভূমি

ভাডুখালী-মাহমুদপুর সুল বধ্যভূমি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভাডুখালী-মাহমুদপুর স্কুলের পিছনের পুকুর থেকে স্বাধীনতার পর কয়েকশ’ মানুষের কঙ্কাল ও খুলি উদ্ধার করা হয়। সাতক্ষীরায় দ্বিতীয় বৃহৎ গণকবর হিসাবে এটি চিহ্নিত হলেও এখন এর কোনো অস্তিত্ব...

বাঁকাল সেতু বধ্যভূমি

বাঁকাল সেতু বধ্যভূমি সদর উপজেলায় সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ সড়কের বাঁকাল সেতু ছিল পাক হানাদারদের একটি হত্যাযজ্ঞের স্থান। মুক্তিকামী বাঙালিদের ধরে এনে গুলি করে বা জবাই করে সেতুর নিচে লাশ ফেলে দিতো। এ জায়গাটি প্রভাবশালীদের দখলে চলে...